বাত ব্যাথার জন্য কি করতে পারি,?

আমি অনেক কষ্ট পাচ্ছি বাত  ব্যাথায়, সিনা ব্যাথা করে,দোন পা ব্যাথা করে,যেন সব জয়েন্ট এ আর পায়ের মাংস পিসিতে  ব্যাথা করে করনীয় কি???
3015 views

6 Answers

ডাঃ এর পরামর্শ  নিন ভাল হয়ে উঠবেন তবে ডালচিনি গুরা আর মধু মিক্সড করে খায়ে দেখতে পারবেন

3015 views Answered

ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার বেশি বেশি করে খান। তাছাড়া বর্তমান পরিস্থিতির জন্য ডাক্তারের কাছে যান।

3015 views Answered

বাত ব্যাথার থেকে  মুক্তি পাবার জন্য জেনে নিন উপায়গুলো: * হলুদ স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ উপকারী। ব্যাথা, যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে রোজকার খাবারে হলুদের ব্যবহার করুন। * বাতের ব্যাথায় কষ্ট পেলেও অস্থির না হয়ে মনকে শান্ত রাখতে হবে। উত্তেজিত হলে কষ্ট বাড়ে। তাই মন এবং মস্তিষ্ককে শান্ত রাখতে যোগাসন অভ্যাস করুন। * বাতের ব্যাথা কমাতে প্রচুর পরিমাণে তাজা শাক-সব্জি, ফল খাওয়া খুব জরুরি। মিহি চিনি, শস্যদানা, রিফাইন্ড অয়েল এবং ট্রান্স ফ্যাট খাওয়া বন্ধ করতে হবে। এবং অতিরিক্ত নুন খাওয়া ত্যাগ করতে হবে। * ব্যাথা, যন্ত্রণা কমানোর জন্য দারুণ উপকারী হল ব্যায়াম। বাতের সমস্যা অতিরিক্ত হলে একজন অভিজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্টের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। তিনিই বিভিন্ন ব্যায়ামের মাধ্যমে   * বাত সাধারণত আমাদের দুটো হাড়ের সংযোস্থলে হয়ে থাকে। তাই ছোটবেলা থেকেই হাড়ের যত্ন নেওয়া খুবই জরুরি। আমাদের এমন সমস্ত খাবার খেতে হবে, যা হাড়কে মজবুত রাখে। বাতের সমস্যা তৈরি করে যে সমস্ত খাবার যেমন, মিষ্টি, ডিম, সোয়াবিন এবং দুগ্ধজাত দ্রব্য খাওয়া কম করতে হবে।

3015 views Answered

বাতের জন্য এলোপ্যাথিক ঔষধ আছে । আপনি একজন অভিজ্ঞ ও বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখান । কষ্ট থেকে মুক্তি পাবেন ইনশাআল্লাহ ।

3015 views Answered

ভাই আমরা সাধ্যমত চেষ্টা করি সঠিক পরামর্শ দিতে। আর ভাল ডাক্তারের খোঁজ সেটা আপনার পাশেই আছে। শুধু শুধু দুরে কোথায় নেওয়ার দরকার নাই, নিকটস্থ হাসপাতালের বাত ব্যাথা বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে তবে বাত ব্যাথার জন্য ফিজিওথেরাপিস্ট পরামর্শ নিলে ভাল ফলাফল পাওয়া যায়। ঢাকায় বসবাস করে থাকলে, নিকটস্থ হাসপাতালের সব সেবা পাবেন। খুলনায় ভালো কিছু ক্লিনিক রয়েছে যেখানে বাত ব্যাথাসহ সবধরনের রোগের সুচিকিৎসা প্রদান করে

3015 views Answered

চিকিত্সার মূল লক্ষ্য হচ্ছে অস্থিসন্ধিতে ইউরিক এসিডের পরিমাণ কমিয়ে আনা এবং এর মাধ্যমে রোগের লক্ষণ এবং পরবর্তী অবনতি ঠেকানো। চিকিত্সা না করা হলে বাত অস্থিসন্ধির যথেষ্ট ক্ষতি করতে এমনকি চলনক্ষমতাও হ্রাস করতে পারে। সচরাচর দেখা যায়, ঘন ঘন রোগের লক্ষণগুলো প্রকাশ না পেলে লোকজন এর চিকিত্সা করাতে চায় না। ওষুধের মধ্যে আছে ন্যাপ্রোক্সেন এবং ইন্ডোমিথাসিনের মতো এনএসএআইডি জাতীয় ওষুধ। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এড়াতে চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ করা এবং সেই সঙ্গে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া দরকার। প্রেডনিসোলোনের মতো স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধও মুখে খাওয়া যেতে পারে অথবা আক্রান্ত স্থানে ইনজেকশনের মাধ্যমে ব্যবহার করা যেতে পারে। অ্যালোপিউরিনল, কোলচিসিন এবং প্রোবেনেসিড আলাদাভাবে কিংবা এক সঙ্গে ব্যবহার করা যেতে পারে। এই ওষুধগুলো দ্রুত কার্যকর হয় তখনই, যখন এগুলো রোগের লক্ষণ দেখা দেয়ার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই ব্যবহার করা যায়। প্রতিরোধ প্রতিরোধই বাতের সমস্যা থেকে উপশমের উত্তম উপায়। রোগ দেখা দিলে ওষুধের মাধ্যমে প্রতিকার পাওয়া যায় বটে, তবে তখন অ্যালকোহল এবং যেসব খাবার গ্রহণ করলে ইউরিক এসিড মজুদ হওয়া বেড়ে যায়, সেসব থেকে দূরে থাকা অবশ্য কর্তব্য। এছাড়া রোগীকে প্রচুর পানি খেতে হবে, নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে, সুষম খাবার ব্যবহার করার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের ওজন ঠিক রাখতে হবে। তবে সবচেয়ে বড় কথা হলো, রোগ হলে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ চিকিত্সকের শরণাপন্ন হয়ে তার পরামর্শ মতো চলতে হবে।

3015 views Answered

Next steps