বাত জ্বর কেন হয় প্রতিকার কী আমার বয়স ১৯?

আমার বয়স ১৯ বছর। সম্ভবত আমি গত ১২ বছর যাবত বাত জ্বরে ভুগছি। কিন্তু কোনো প্রফেসর ডাক্তারই আমার এই রোগ সনাক্ত করতে পারেনি । পা থেকে মাথা পর্যন্ত টেস্ট করেও রোগ ধরতে পারেনি । গিরায় গিরায় ব্যাথা যেটা চাপ দিলে আরামবোধ হয়। সব ডাক্তারই বলেছে ক্যালসিয়ামের অভাব। ছোটোবেলার ডাক্তার বলেছিল আয়রনের অভাব । ছোট বেলায় আয়রন খেয়েছিলাম কয়েক বছর ।বড় বেলায় ক্যালবো ডি খেয়েছি কয়েক বছর ।অবশেষে কোনো ডাক্তার না। নিজেই নিজের রোগ ধরতে পেরেছি । হয়তো আমার বয়স কম তাি কোনো ডাক্তার অনুমান করতে পারেনি ামার বাত জ্বর 
2837 views

2 Answers

বাত জ্বর লক্ষন গুলো

মুখ্য লক্ষণ


* হৃৎপিণ্ডে প্রদাহ। যার ফলে জ্বর, বুকে ব্যথা, বুক ধড়ফড় করা, নাড়ির গতি বেড়ে যাওয়া এবং শ্বাসকষ্ট হতে পারে।


* গিরায় ব্যথা হয়। সাধারণত শরীরের বড় বড় সন্ধিতে ব্যথা হয়। একটি সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যাওয়ার পর অন্যটি আক্রান্ত হয়।


* বুকে ও পিঠে লাল বর্ণের চাকা।


* হাত-পা বা শরীরের কোনো অংশের নিয়ন্ত্রণহীন কাঁপুনি।


* ত্বকের নিচে শিমের বিচির মতো ছোট আকৃতির শক্ত ও ব্যথাযুক্ত দানা।


 গৌণ লক্ষণ


* স্বল্পমাত্রার জ্বর।


* গিরায় গিরায় ব্যথা।


* রক্তের ইএসআর বেড়ে যাওয়া।


* এএসও টাইটার বৃদ্ধি।


 নানা ভ্রান্তি ও অসচেতনতা থেকে সাবধান


রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা নিয়ে রয়েছে নানা ভ্রান্তি ও অসচেতনতা। যেমন স্ট্রেপটোকক্কাস ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের কারণে রক্তে এএসও টাইটার বৃদ্ধি পায়। অনেক সময় এটি বৃদ্ধি পেলেই বলা হয় বাতজ্বর হয়েছে। কিন্তু এএসও টাইটার একটি সহায়ক পরীক্ষামাত্র। অন্যান্য লক্ষণ না থাকলে এর বৃদ্ধিতে কিছু আসে-যায় না। বাতজ্বর ছাড়াও এএসও টাইটার বাড়তে পারে। যেমন: স্ট্রেপটোকক্কাসজনিত কিডনি রোগ, স্কারলেট জ্বর, নিউমোনিয়া, ইরাইসেপালাস এবং যেকোনো স্ট্রেপটোকক্কাস সংক্রমণ। তাই এএসও টাইটার বেশি পেলেই আতঙ্কিত হবেন না। বাতজ্বর আছে কি না, তা নিশ্চিত হয়ে তবেই চিকিৎসা শুরু করুন। কেননা, এ রোগের চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি।


বাতজ্বরের ফলে কখনো কখনো দীর্ঘস্থায়ী জটিলতা দেখা দিতে পারে যেমন:


বাতজ্বরের ফলে বাতজনিত হৃদ্‌রোগ হয়, যা থেকে হৃৎপিণ্ডের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে। হৃৎপিণ্ডের ভালভের সমস্যা দেখা দেয়। বিভিন্ন জোড়া বা জয়েন্টে ব্যথা থাকে ও জয়েন্ট নষ্টও হয়ে যেতে পারে।


 বাতজ্বর কীভাবে প্রতিরোধ করা যায়


অস্বাস্থ্যকর ঘনবসতিপূর্ণ পরিবেশ বা বস্তি এলাকায় বসবাসকারীদের মধ্যেই এই রোগ বেশি হয়ে থাকে। তাই এমন পরিবেশ এড়িয়ে চলা উচিত। ব্যক্তিগত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা যেমন খাবার পরে দাঁত-মুখ ভালো করে পরিষ্কার করা। বিশেষ করে রাতে শোয়ার আগে ও সকালে ঘুম থেকে উঠে ভালোভাবে দাঁত ব্রাশ করা। নিয়মিত পরিমিত পানি পান করা উচিত। গলায় সংক্রমণ বা গলাব্যথা হলে অবহেলা না করে তাৎক্ষণিক সঠিক চিকিৎসা করলে বাতজ্বর হওয়ার সম্ভাবনা কম হয় বা একেবারেই থাকে না। তাৎক্ষণিক চিকিৎসক না পেলে বা না দেখানো গেলে বাসায় হালকা গরম পানি ও লবণ দিয়ে কমপক্ষে দিনে তিনবার পাঁচ মিনিট সময় ধরে গরগর করা। তাহলে যেমন গলাব্যথা বা গলা সংক্রমণ ভালো হয়ে যাবে, তেমনি বাতজ্বর হওয়ার ঝুঁকিও থাকবে না।


2837 views Answered

বাত হওয়ার মূল কারণ, পূর্বে কোনো কারনে শরিরের কোনো অংশে ব্যাথা পেলে সেটি একসময় বাত এ পরিনত হয়।আর এর প্রতিকারে আপনি, ট্যাবলেট খেতে পারেন,ডাক্তারের পরামর্শে।কিংবা বিষের জন্য তেল পাওয়া যায় কবিরাজ দের কাছে সেটি ব্যবহার করতে পারেন।জ্বর নানা কারণে হয়ে থাকে তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য কারণ ঠান্ডা লাগা।আর জ্বর হলে ,সাথে সাথে ডাক্তারের কাছে গিয়ে ঔষুধ নিয়ে খেলে ভালো হয়ে যায়।

2837 views Answered

Related Questions

Next steps