2 Answers

ইমামতিকে যে অর্থকরী পেশা মনে করে ইমামতি করে; অর্থাৎ, কেবল পয়সার ধান্দায় ইমামতি করে, এমন ইমামের পশ্চাতে নামায মাকরুহ। আবূ দাঊদ বলেন, (ইমাম) আহমাদ এমন ইমামের ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত হলেন, যে বলে, ‘আমি এত এত (টাকার) বিনিময়ে রমযানে তোমাদের ইমামতি করব।’ তিনি বললেন, ‘আল্লাহর কাছে নিরাপত্তা চাই। কে এর পেছনে নামায পড়বে?’ (মারা: ৯৯পৃ:) প্রকাশ থাকে যে, ইমামতির জন্য সৌজন্য সহকারে ইমামকে বেতন, ভাতা বা বিনিময় দেওয়া মুক্তাদীদের কর্তব্য। ইমামের উচিৎ, কোন চুক্তি না করা; বরং মুক্তাদীদের বিবেকের উপর যা পায় তাতেই সন্তুষ্ট হয়ে আল্লাহর ওয়াস্তে ইমামতির দায়িত্ব পালন করা। পক্ষান্তরে জামাআতের উচিৎ, ইমামের এই দ্বীনদারীকে সস্তার সুযোগরুপে ব্যবহার না করা। বরং বিবেক, ন্যায্য ও উচিৎ মত তাঁর কালাতিপাতের ব্যবস্থা করে দেওয়া। যেমন উচিৎ নয় এবং আদৌ উচিৎ নয়, ইমাম সাহেবকে জামাআতের ‘কেনা গোলাম’ মনে করা।

4091 views Answered

হান্নাদ (রহঃ) উছমান ইবনু আবিল আস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কাছ থেকে শেষ যে ওয়াদা নিয়েছিলেন তা হল, এমন মুয়াজ্জিন নিয়োগ করবে যে আযানের বিনিময়ে কোন পারিশ্রমিক নিবে না। (সূনান তিরমিজী, হাদিস নম্বরঃ ২০৯)


আযানের ইমামতি ওয়াজের বিনিময়ে পারিশ্রমিক গ্রহন করা উচিত নয়। বরং তা মাকরুহ।


কোন এমপি মন্ত্রীর ছেলে হয়? উত্তর হবে না। কারন সাধারণত বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ইমাম মুয়াজ্জিন হয় গরীব সাধারণ ঘরের সন্তান। ইমাম মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব নেয়ার পর তারা অন্য কোথাও কাজে যেতে পারেনা। তারা ইসলামিক কাজ করতে এসে দেখা গেল তাদের পরিবার অনাহারে থাকে। এক্ষেত্রে হাদিয়া স্বরুপ কিছু টাকা দিলে তা নেয়া জায়েয হবে।


4091 views Answered

Related Questions

Next steps