সালাতে নাভির নিচে যদি মাঝে মাঝে বাঁধি ; আবার বুকের উপরেও মাঝে মাঝে বাঁধি তাহলে গুনাহ হবে?
4 Answers
আপনি যদি বুকের উপর হাত বাধেঁন তাহলে আপনার গুনাহ হবে।কারণ বুকের উপর হাত রাখতে হয় মেয়েদের আর বুকের নিচে হাত রাখতে হয় ছেলেদের।
নামাযে হাত বাঁধা সুন্নাত। আর নামাযের সুন্নাতে মুয়াক্কাদা হলো এমন কার্যাবলী যা ছাড়লে নামাজ বাতিল হয়না কিন্তু বিনা কারনে ছাড়লে নামাজ মাকরুহ হয়। মুহাম্মাদ ইবনু মাহবূব আবূ জুহাইফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আলী (রাঃ) বলেন, নামাযে রত অবস্থায় নাভির নীচে বাম হাতের তালুর উপর ডান হাতের তালু রাখা সুন্নাতের অন্তর্ভুক্ত। [সূনান আবু দাউদ, হাদিস নম্বরঃ ৭৫৬ হাদিসের মানঃ যঈফ] আবূ তাওবা, তাউস (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামাযরত অবস্হায় ডান হাত বাম হাতের উপর স্হাপন করে তা নিজের বুকের উপর বেঁধে রাখতেন। [সূনান আবু দাউদ, হাদিস নম্বরঃ ৭৫৯ হাদিসের মানঃ সহিহ] অনেকেই বলেন, নামাযে নাভির নীচে হাত বাঁধার কথা সহীহ হাদিসে নাই। নাভির নীচে হাত বাঁধার কথা প্রমাণহীন। বরং হাত বুকের উপর বাঁধার কথা সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। সিহাহ সিত্তায় নাভির নীচে হাত বাঁধার হাদিস যঈফ। তারা দেখুন, হযরত ওয়াইল ইবনে হুজর (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নামাযে ডান হাত বাম হাতের উপর রেখে নাভির নীচে রাখতে দেখেছি। [মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা। হাদীস নম্বরঃ ৩৯৫৯ এর সনদ সহীহ। এখন কোন হাদিস মানবেন? আসুন সহজ পথ অবলম্বন করি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, আমি যা এনেছি অর্থাৎ আল্লাহর হুকুম, যতক্ষণ পর্যন্ত তোমাদের মধ্যে কেউ তার প্রবৃত্তিকে তার অনুগামী না করবে ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবে না। অতএব, প্রত্যেক মুসলমান স্ত্রী-পুরুষের উচিত তার উপর আমল করা, আর কখনো কখনো এই দুয়া করা হে প্রভু! যে বিষয়ে মতভেদ করা হয়েছে তাতে আমাদেরকে সত্য পথের সন্ধান দাও। কেননা তুমিই তো যাকে ইচ্ছা ‘সিরাতে মুস্তাকীমের’ পথ দেখিয়ে থাক।
অবশ্যই আপনার গুনাহ হবে কারণ আল্লাহ আপনাকে যেটা নির্দেশ দিছে সেটা না করলেই গুনাহ হবে
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy