3 Answers
আপনি যদি কোরবানি দেন কিংবা না দেন তবুও আপনি সেই জবাইকৃত পশুর মাংস খেতে পারবেন।সেক্ষেত্র পাপ ও হবেনা নেকিও হবেনা।
সমাজে একটি কুসংস্কার প্রচলিত আছে যে কুরবানী ঈদের দিনগুলোতে কুরবানীর গোশত ছাড়া অন্য কোনো হালাল প্রাণীর গোশত খাওয়া যাবে না। এবং এ দিনগুলোতে হাঁস, মুরগি, কবুতর জাতীয় হালাল প্রাণী জবাই করা যাবে না। এগুলো মূলত কুসংস্কার। ইসলামী বিধানের সাথে এগুলোর কোনো সম্পর্ক নেই। সুতরাং কুরবানীর দিনগুলোতে কুরবানীকৃত পশুর গোশত ছাড়াও অন্যান্য হালাল প্রাণীর গোশত আহার করা যাবে। তাতে কোনোরূপ মাকরুহ হবে না।
কুরবানী ঈদের দিনে কুরবানীর জবাইকৃত পশু ছাড়া অন্য দিনের জবাইকৃত হালাল পশুর গোসত খাওয়া যায়েজ। তা কোন ক্রমেই মাকরুহ হবেনা। কেবল মাত্র আল্লাহ তায়ালার নাম উচ্চারণ ছাড়া জবাইকৃত পশুর গোসত খাওয়া হারাম। তবে অনেক আলিমগন বলেছেন ব্যাঙ গুঁইসাপের গোসত খাওয়া হারাম নয় তা মাকরুহ।
আল্লাহ তায়ালার বলেন, হে মুমিনগণ! তোমরা অঙ্গীকারসমূহ পূর্ণ কর। তোমাদের গৃহপালিত চতুষ্পদ জন্তু হালাল করা হয়েছে। যা তোমাদের নিকট বর্ণিত হচ্ছে। তবে ইহরাম অবস্থায় শিকার করাকে বৈধ মনে করবে না। নিশ্চয়ই আল্লাহ যা ইচ্ছে আদেশ করেন। (সুরা মায়েদা আয়াতঃ ১)
তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে মৃত জন্তু, রক্ত, শূকরের গোস্ত, আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে যবেহ করা পশু, গলা চিপে মারা যাওয়া জন্তু, প্রহারে মারা যাওয়া জন্তু, উপর থেকে পড়ে মারা যাওয়া জন্তু, অন্য প্রাণীর শিং এর আঘাতে মারা যাওয়া জন্তু এবং হিংস্র পশুতে খাওয়া জন্তু। তবে যা তোমরা যবেহ করতে পেরেছ তা ছাড়া, আর যা মূর্তি পূজার বেদীর উপর বলী দেয়া হয় তা এবং জুয়ার তীর দিয়ে ভাগ্য নির্ণয় করা, এসব পাপ কাজ। আজ কাফেররা তোমাদের দ্বীনের বিরুদ্ধাচরণে হতাশ হয়েছে। কাজেই তাদেরকে ভয় করো না এবং আমাকেই ভয় কর। আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পরিপূর্ণ করলাম এবং তোমাদের উপর আমার নেয়ামত সম্পূর্ণ করলাম, আর তোমাদের জন্য ইসলামকে দ্বীন হিসেবে পছন্দ করলাম । অতঃপর কেউ পাপের দিকে না ঝুঁকে ক্ষুধার তাড়নায় বাধ্য হলে তবে নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (সুরা মায়েদা আয়াতঃ ৩)
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy