1 Answers
১. সাধারণত ঘুম এসে গেলে হাত, পা অথবা দেহের অন্য কোনও অঙ্গ নড়ে উঠলে শরীর এমন কেঁপে ওঠে৷ এছাড়া বাইরের কোনও শব্দ ও চড়া আলো চোখে পড়লেও জার্ক হয়ে থাকে৷
২. ঘুমের সময় হাত, পা অনেক বেশি শিথিল হয়ে যায়৷ মস্তিষ্ক তখন ভুল করে বার্তা দেয়, শরীর বোধহয় পড়ে যাচ্ছে৷ নিজেকে শক্ত করে ধরে রাখার চেষ্টাতেই হঠাৎ ঝাঁকুনি দিয়ে ওঠে শরীর৷
৩. দেহের কোনও অংশে, বিশেষ করে পায়ে ঝিঁঝি ধরে গেলে বা চুলকালে তার থেকে মুক্তি পেতে ঘুমের মধ্যেই পা ঝাঁকানোর চেষ্টা করে মানুষ৷ আর তখনই কেঁপে ওঠে সারা দেহ৷ ঘুম ভেঙে যায়৷ আর ঘুম ভাঙতেই মস্তিষ্ক জানান দেয়, আপনি হয়তো পড়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছিলেন৷ মদ্যপান করে ঘুমোলেও এমনটা হতে পারে৷
৪. অফিসের অতিরিক্ত চাপ মাথায় নিয়ে ঘুমোতে গেলেও এমন ঘটনা ঘটে৷ অতিরিক্ত উত্তেজনার জন্য ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে৷ ফলে চিন্তায় ঘুম ভেঙে যায়৷
৫. রাত জেগে টিভি দেখাও হিপনিক জার্কের অন্যতম কারণ৷ বিজ্ঞানের ভাষায় একে নারকোলেস্পি বলে৷ স্নায়ুর ক্রমাগত পরিবর্তনে শরীরে ঝাঁকুনি দিয়ে ওঠে৷
৬. শরীর অসুস্থ থাকলেও হতে পাকে হিপনিক জার্ক৷ ঘুমের মধ্যে শিথিল দেহ পড়ে যাওয়া আটকাতেই জোর ঝাঁকুনি হয়৷ আর খানিকক্ষণের জন্য ঘুম যায় উড়ে৷ প্রতিটি মানুষের জীবনেই ঘুমের প্রয়োজন অপরিসীম৷ সারাদিনের ক্লান্তির পর কয়েক ঘণ্টা শান্তির ঘুম না হলে পরের দিন কাজ করার এনার্জি পাওয়া যায় না৷ কিন্তু সমস্যা হল, হিপনিক জার্ক কোনও রোগ নয়৷ তাই এর কোনও চিকিৎসাও সম্ভব নয়৷ আর সেই কারণেই অনিচ্ছা সত্ত্বেও এই পড়ে যাওয়ার স্বপ্ন নিয়েই আপনাকে সারা জীবন কাটাতে হবে৷
২. ঘুমের সময় হাত, পা অনেক বেশি শিথিল হয়ে যায়৷ মস্তিষ্ক তখন ভুল করে বার্তা দেয়, শরীর বোধহয় পড়ে যাচ্ছে৷ নিজেকে শক্ত করে ধরে রাখার চেষ্টাতেই হঠাৎ ঝাঁকুনি দিয়ে ওঠে শরীর৷
৩. দেহের কোনও অংশে, বিশেষ করে পায়ে ঝিঁঝি ধরে গেলে বা চুলকালে তার থেকে মুক্তি পেতে ঘুমের মধ্যেই পা ঝাঁকানোর চেষ্টা করে মানুষ৷ আর তখনই কেঁপে ওঠে সারা দেহ৷ ঘুম ভেঙে যায়৷ আর ঘুম ভাঙতেই মস্তিষ্ক জানান দেয়, আপনি হয়তো পড়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছিলেন৷ মদ্যপান করে ঘুমোলেও এমনটা হতে পারে৷
৪. অফিসের অতিরিক্ত চাপ মাথায় নিয়ে ঘুমোতে গেলেও এমন ঘটনা ঘটে৷ অতিরিক্ত উত্তেজনার জন্য ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে৷ ফলে চিন্তায় ঘুম ভেঙে যায়৷
৫. রাত জেগে টিভি দেখাও হিপনিক জার্কের অন্যতম কারণ৷ বিজ্ঞানের ভাষায় একে নারকোলেস্পি বলে৷ স্নায়ুর ক্রমাগত পরিবর্তনে শরীরে ঝাঁকুনি দিয়ে ওঠে৷
৬. শরীর অসুস্থ থাকলেও হতে পাকে হিপনিক জার্ক৷ ঘুমের মধ্যে শিথিল দেহ পড়ে যাওয়া আটকাতেই জোর ঝাঁকুনি হয়৷ আর খানিকক্ষণের জন্য ঘুম যায় উড়ে৷ প্রতিটি মানুষের জীবনেই ঘুমের প্রয়োজন অপরিসীম৷ সারাদিনের ক্লান্তির পর কয়েক ঘণ্টা শান্তির ঘুম না হলে পরের দিন কাজ করার এনার্জি পাওয়া যায় না৷ কিন্তু সমস্যা হল, হিপনিক জার্ক কোনও রোগ নয়৷ তাই এর কোনও চিকিৎসাও সম্ভব নয়৷ আর সেই কারণেই অনিচ্ছা সত্ত্বেও এই পড়ে যাওয়ার স্বপ্ন নিয়েই আপনাকে সারা জীবন কাটাতে হবে৷
সূত্র:নতুন ধারার দৈনিক অামাদের সময়
3372 views
Answered