5 Answers
নামাজ হবে।তবে সুরা , দোয়া সব ঠিক করে পড়তে হবে।নামাজে অন্য কথা স্মরণ না করাই ভালো।
নামাজ হলো আল্লাহর প্রতি বান্দার আনুগত্যের বাস্তব রূপ ও আল্লাহর সাথে মিরাজ সমতুল্য। আমি নামাজ পড়তেছি তা যেন আল্লাহ্ দাড়িয়ে থেকেই দেখতেছেন। অন্তরে এমন ভয় রেখে শুধু আল্লাহর সস্তুষ্টি অর্জনের জন্য যদি আল্লাহর প্রতি চরম আনুগত্যের ধ্যানসহ নামাজ আদায় করা হয় তবে এ নামাজে অবশ্যই মুসল্লীর আত্মিক উন্নতি হবে। কুরআন মজীদে ইরশাদ হয়েছে, অবশ্যই সফলকাম হয়েছে মুমিনগণ, যারা বিনয়-নম্র নিজেদের সালাতে। (সূরা মুমিনূন: ১-২) তাই যতদূর সম্ভব নিজের মনবল সদৃঢ় করুন। নামাজে আজে বাজে চিন্তা [শয়তান] হতে আশ্রয় প্রার্থনা করুন। দেখবেন নিশ্চয় আল্লাহ তা কবুল করবেন। তবে নিজেকে চেষ্টা করতে হবে, মনকে সংযত রাখতে হবে।
নামাজে বিভিন্ন কথা মনে হলেও
নামাজ হবে কিন্ত সুরা ও দোয়া ঠিকমত পরতে হবে
আপনি নামাজে সুরা গুলো পড়ার সময়
মনযোগ দিয়ে পড়ুন
তাহলে আর বিভিন্ন কথা মনে পড়বে না
জ্বী আপনার নামাজ হবে।আমার মতে এসব কথা মনে পড়লে সুরা/দোয়ায় ভুল হতে পারে।তাই এটি থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করবেন।
নামাজের দুটি রূপ। একটি হলো, দৃশ্যমান রূপ। আরেকটি হলো অদৃশ্যমান রূপ। যদি নামাজের সমস্ত শর্ত পূর্ণ হয় তাহলে নামাজের প্রকাশ্য রূপটি সম্পন্ন হয়ে যাবে। কিন্তু অপ্রকাশ্য রূপটি সম্পন্ন হওয়ার জন্য শুধু বাহ্যিক শর্তগুলো পূর্ণ করাই যথেষ্ট নয়; বরং খুশু খুযু তথা পরিপূর্ণ বিনয় নম্রতা ও ধ্যান ও মনোযোগের সাথে নামাজ আদায় করতে হবে। হাদীসের ভাষায় তুমি এমন ভাবে ইবাদাতে নিরত হও যেন তুমি আল্লাহকে দেখছো। যদি তুমি তাকে না দেখো তবে অন্তত এটা ধ্যান করো যে আল্লাহ তোমাকে দেখছেন। তবে শয়তান তো বসে নেই। সে তার ডিউটি পালন করেই যাচ্ছে। সে নামাজের ভিতরে বিভিন্ন বিষয় স্মরণ করিয়ে দেয়। যাতে নামাজটা সুন্দর না হতে পারে। হাদীসের ভাষ্য মতে শয়তান নামাজ রত ব্যক্তিকে বলে, তুমি এটা স্মরণ করো, ওটা স্মরণ করো। তো এতে নামাজ নষ্ট হবে না। তবে নামাজের খুশু খুযু নষ্ট হয়ে যায়। তাই এ ক্ষেত্রে করণীয় হলো, সাথে সাথে মনোযোগ ফিরিয়ে আনা। নামাজে পরিপূর্ণ মনোযোগী হওয়া।