চিকন হতে হলে কী করতে হবে?
2 Answers
নীচে দেওয়া হল ৮ রকম ডায়েট যা চিকন হওয়ার জন্য সবথেকে বেশি প্রচলিত। ১. অ্যালকেলাইন ডায়েট এই ধরণের ডায়েটে মূলত খাবারের প্রভাব কম করে। খাবার হজম হওয়ার পর শরীরে অ্যাসিডের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। এইরকম ডায়েটে থাকে দুই তৃতীয়াংশ অ্যাল্কালিজিং ফুড অর্থাৎ সবুজ সবজি। বাকি এক তৃতীয়াংশে থাকে অ্যাসিডিফাইয়িং খাবার অর্থাৎ পাঠার মাংস, চিজ। এর ফলে শরীরে খাবারের ভারসাম্য থাকে। ২. ক্রোনো নিউট্রিশন যারা খেতে পছন্দ করেন তাদের এই ডায়েট ‘বিলকুল না পসন্দ’। এই ডায়েটে খাবারে কোনও নিষধ নেই, যা ইচ্ছে তাই খেতে পারেন। তবে সেটা দিনে একবারই। সারাদিন যাদের মুখ চলতেই থাকে তাদের জন্য ক্রোনো নিউট্রিশন বেশ মুশকিলের। এই ডায়েট শুরু হয় ভারি জলখাবার দিয়ে যেখানে থাকবে প্রাণীজ প্রোটিন। এরপর পরবর্তী খাওয়া সোজা লাঞ্চে। শেষ স্টপেজ হালকা ডিনার। ডিনারে একদম থাকা চলবে না ক্যালোরি। ৩. ডেটক্স ডায়েট সাত দিনে রোগা হওয়ার সহজ উপায় হল ডেটক্স ডায়েট। সাত দিনের এই ‘প্রোগ্রাম’-এ প্রথম তিন দিন খেতে হবে শুধু ফল এবং তরল পানীয়। পরের বাকি দু’দিন হালকা করে রান্না করা শাক-সবজি। শেষ দু’দিনে থাকবে প্রোটিন অর্থাৎ মাছ, মাংস, ডিম। ৪. ডিউকান ডায়েট ডিউকান ডায়েট মানে খাবার চার্ট থেকে বাড়তি খাবার বাদ দিয়ে দেওয়া। এই ডায়েটে থাকে হাই প্রোটিন, কম ক্যালোরি, বাদ পড়ে অতিরিক্ত ফ্যাট ও কার্বোহাইড্রেট। ৫. লো ফোডম্যাপ ডায়েট ফোডম্যাপ ডায়েট তৈরি করেন এক অস্ট্রেলীয় নিউট্রিশনিস্ট। এই ডায়েটে থাকে কিছু বিশেষ সবজি, ফল, দুধজাত খাবার, মাশরুম, ডাল, খুব অল্প পরিমাণে মিষ্টি খাবার। সব ধরণের ফল এক্ষেত্রে খাওয়া যাবে না। ফলের তালিকায় রাখতে হবে আঙুর, কলা, আনারস, কমলা লেবু, টমাটো। ৬. ব্লাড টাইপ ডায়েট এই ডায়েট চার্ট তৈরি হয় রক্তের গ্রুপ অনুযায়ী। ‘O’ গ্রুপের লোকেরা মাছ, মাংস, সবজি সবরকম খেলেও একদম খেতে পারবেন না দুগ্ধজাত খাবার। ‘B’ গ্রুপের মানুষদের বাদ দিতে হবে মুরগীর মাংস, ভুট্টা, পি নাট। রোগা হতে হলে ‘A’ গ্রুপের লোকেদের হতে হবে শাকাহারি। চলবে না দুধ জাতীয় খাবার, পাঠার মাংস, বিয়ার। ৭.ওকিনাওয়া ডায়েট ওকিনাওয়া ডায়েট হল সবধরণের খাবারের ব্যালেন্স। এতে থাকে শাক-সবজি, ফল, মাছ, মাংস, শস্য, বাদাম ইত্যাদি। ৮. পালেও ডায়েট পালেও ডায়েট এক কথায় গুহা মানবের খাবার। এই ডায়েটে খাবারে থাকবে না কোনও তেল, মশলা। এমনকি নুনও। কার্বোহাইর্ড্রেট খাবারের সঙ্গে সঙ্গে বাদ দিতে হবে সবরকম প্রসেসড ফুড এবং ড্রিংকস।
আপনি শরীর কমাতে এগুলো অনুসরণ করতে পারেন। বাড়তি ওজন আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। ওজন কমান প্রাকৃতিক নিয়মে। এ নিয়ম স্বাস্থ্যসম্মত ও ঝুঁকিবিহীন। কয়েকটি অকার্যকর ঘরোয়া পদ্ধতি অবলম্বন করে ওজন কমান আর ঝুঁকিমুক্ত থাকুন বিভিন্ন মারাত্মক রোগ থেকে।
++ তাজা ফলমূল ও সবুজ শাকসবজি হলো কম ক্যালরিযুক্ত খাদ্য, তাই যাদের ওজন বেশি তাদের বেশি করে এগুলো খাওয়া উচিত।
++ অতিরিক্ত লবণ খাওয়া পরিহার করতে হবে। কারণ, লবণ শরীরের ওজন বাড়াতে সাহায্য করে।
++ দুধযুক্ত খাবার, যেমন :পনির, মাখন—এগুলো পরিহার করতে হবে। কারণ, এগুলো উচ্চ চর্বিযুক্ত। সঙ্গে মাংস ও আমিষজাতীয় খাবারও নির্দিষ্ট পরিমাণে খেতে হবে।
++ উচ্চ শর্করাসমৃদ্ধ খাদ্য, যেমন—চাল, আলু অবশ্যই নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় খেতে হবে, আর গম (আটা) খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।
++ মসলাজাতীয় খাবার, যেমন :আদা, দারুচিনি, কালো মরিচ এগুলো প্রতিদিনের খাবারে রাখতে হবে। মসলাজাতীয় খাবার হলো ওজন কমানোর কার্যকর ঘরোয়া পদ্ধতি।
++ ঘরোয়া পদ্ধতিতে ওজন কমানোর আরেকটি ভালো উপায় হলো মধু খাওয়া। মধু দেহের অতিরিক্ত জমানো চর্বিকে রক্ত চলাচলে পাঠিয়ে শক্তি উত্পাদন করে, যা ব্যবহূত হয় দেহের স্বাভাবিক কার্যকলাপে। মধু খাওয়া প্রথমে শুরু করতে পারেন অল্প পরিমাণে, যেমন—এক চামচ বা ১০০ গ্রাম, যা হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে এর সঙ্গে এক চামচ লেবুর রস দিয়ে খেতে পারেন।
++ যারা পথ্য নিয়ন্ত্রণের নিয়ম মেনে চলেন বা দিনের পর দিন উপবাস করেন ওজন কমানোর জন্য, তাদের জন্য মধু ও লেবুর রস খুবই উপকার
এবং প্রতিদিন ২-৩ ঘন্টা ব্যায়ম করুন।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy