আমার বউয়ের বয়স ১৬ বছর আমার বয়স ২০ বছর যেহেতু আমি এখন নাবালক আমি যদি এই বিবাহ অস্ববীকার করি তাহলে কি আমাকে দেন মহরের টাকা পরিশোধ করতে হবে?

আমি বিয়ে করেছি ৭ মাস আগে এখন আমার বউয়ের বয়স ১৬ বছর আমার বয়স ২০ বছর যেহেতু আমি এখন নাবালক আমি যদি এই বিবাহ অস্বীকার করি তাহলে কি আমাকে দেনমহরের টাকা পরিশোধ করতে হবে? 
3017 views

4 Answers

কে বলছে আপনি নাবালক?স্বাভাবি ১৫বছরের পর একজন পুরুষকে স্বাবালক বিবেচনা করা যাবে।যেহেতু আপনি ২০ বছর সেহেতু আপনি বালেগ হয়েছেন।

3017 views Answered

দেনমোহর পরিশোধ করেন কিংবা না করেন আপনাদেরকে কোর্ট পর্যন্ত অবশ্যই নিয়ে যাবে।। কারণ দুজনেরি বয়স কম। এটা বাল্যবিবাহের আওতায় পড়ে।। এটা নিয়ে বাড়াবাড়ি না করাটাই ভালো।। আর কি দেখে আপনি বিয়ে করলেন?আর কেনইবা অস্বীকার করবেন? শুনেন ভাই বিয়ে কোনো পুতুল খেলা নয়। যে, ইচ্ছে হলো খেললাম আর খেলা শেষে ফেলে দিলাম।। ভালোভাবে নিজের মনটাকে বুঝান।। দোয়া করি যেন আপনারা সুখে থাকেন *ধন্যবাদ*

3017 views Answered

সেটা আপনার ব্যপার,তবে আপনাকে কোর্ট পর্যন্ত যেতে হবে,, এটা নিশ্চিত থাকতে পারেন

3017 views Answered

ইসলামে, মহর বা মোহর হল বিবাহের সময় কনের দাবিকৃত অর্থ বা সম্পদ, যা বর বা বরের পিতার পক্ষ থেকে কনেকে প্রদান করতে হয়। এটি প্রদান করা বাধ্যতামুলক। মহরের মাধ্যমেই পুর্নাঙ্গ বিয়েকে বৈধ করা হয়। প্রাচীন আরবে যৌতুক দেয়ার প্রথা চালু ছিল, নবুয়াত প্রাপ্তির পর মুহাম্মদ (সাঃ) আল্লাহ তাআলার নির্দেশে যৌতুক প্রথাকে নিষিদ্ধ করে আবশ্যক দেনমহরপ্রথা চালু করেন। ইসলামে মহরের কোন সীমারেখা নেই। সর্বনিম্ন সাড়ে আঠারো তোলা রৌপ্য বা কনের মতামত অনুযায়ী তার সমমূল্যের অর্থ বা সম্পদ কনেকে তার সম্মতি অনুযায়ী মোহর হিসেবে প্রদান করা যাবে। মোহর বাকি না রেখে যথাসাধ্য আদায় করতে বলা হয়েছে, যেন কনের মহর প্রাপ্তি নিশ্চিত হয় ***মুসলিম আইন সম্পাদনা বাংলাদেশে ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন, ১৯২৯ সালের বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ১৯৭৪ ও ১৯৭৫ সালের মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিস্ট্রেশন) আইন, ১৯৮০ সালের যৌতুক নিরোধ আইন প্রভৃতি আইনের সমন্বিত নিয়ম-ধারার অধীনে মুসলমান সমাজে আইনী বিয়ে ও আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পাদিত হয়। অবশ্য এই যাবতীয় আইনই ইসলামী শরীআতের অন্তর্বর্তি এমনটা বলা যায় না, বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে ইসলামী শরীয়াহ পরিপন্থি অনেক বিধানও এতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। মুসলিম আইন অনুসারে বিয়ে একটি ধর্মীয় দায়িত্বই কেবল নয়, একটি দেওয়ানী চুক্তিও।এই আইন অনুসারে একটি পূর্ণাঙ্গ বিয়ের জন্য কতিপয় শর্ত পূরণ করতে হয়: উভয়পক্ষের ন্যুনতম বয়স পারস্পরিক সম্মতি দেনমোহর সুস্থ মস্তিষ্কের প্রাপ্তবয়স্ক ২ জন সাক্ষী আইনী নিবন্ধন এই শর্তানুসারে বরের বয়স কমপক্ষে ২১ এবং কনের বয়স কমপক্ষে ১৮ হওয়া বাধ্যতামূলক। এছাড়া বর-কনেকে সুস্থ মস্তিষ্কের হতে হবে।অতঃপর নারী ও পুরুষকে ইসলামী বিধান অনুসারে উভয়পক্ষের সাক্ষীর সামনে একজন উকিল বা কাজি'র উপস্থিতিতে সম্মতি জানাতে হয় (মুসলিম আইন ও ইসলামী শরীয়াতে কনের প্ররোচনাহীন স্বেচ্ছা-সম্মতি বাধ্যতামূলক)। দুজন সুস্থ মস্তিষ্কের প্রাপ্তবয়স্ক সাক্ষী উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক এবং একজন পুরুষের সাক্ষ্য দুজন নারী সাক্ষ্যের সমান নয়।একজন নারীকে বিয়ে করতে হলে "দেনমোহর" দেয়া বাধ্যতামূলক। দেনমোহর হলো একটি আর্থিক নিশ্চয়তা (কিছু পরিমাণ অর্থ কিংবা সম্পত্তি), যার বিনিময়ে একজন নারী তার বিবাহিত পুরুষ সঙ্গীর জন্য হালাল বা সিদ্ধ হোন। ইসলাম ধর্মমতানুসারে এই দেনমোহর সম্পূর্ণ আদায় করে দিতে হয়, দেনমোহর মাফ হয় নামুসলিম আইন অনুসারে বিয়ের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক এবং এই দায়িত্ব পুরুষের। এই দায়িত্বের অন্যথায় ২ বছর পর্যন্ত বর্ধনযোগ্য মেয়াদের বিনা শ্রম কারাবাস, বা ৩,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।একজন বিবাহিত নারী তার স্বামীর সেবা এবং আনুগত্য করবেন, আর বিবাহিত পুরুষ তার স্ত্রীর সম্পূর্ণ দেখভাল করবেন, যাবতীয় দায়িত্ব পালন করবেন এবং স্ত্রীর সুখ-শান্তি নিশ্চিত করবেন। ইসলামে, পুরুষ এবং নারী উভয়েই পরষ্পরকে তালাক দেবার মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাতে পারেন, তবে এজন্য বিয়ের সময় কাবিননামায় তালাকে তাওফিজ-এর ক্ষমতা স্ত্রীকে দিতে হয়। তালাক দেবার জন্য মুখে "তালাক" শব্দটি উচ্চারণ করাই যথেষ্ট হলেও আইনীভাবে তা স্বীকৃত হয় না, বিধায় তার লিখিত চুক্তির বিধান রয়েছে। ইসলামী আইন অনুসারে কোনো পুরুষ তার স্ত্রীকে একত্রে কিংবা বিভিন্ন সময়ে মোট তিনটি তালাক দিয়ে দিলে সেই স্ত্রী তার জন্য হারাম বা নিষিদ্ধ হয়ে যান এবং স্বামীকে যাবতীয় দেনমোহর আদায় করে দিতে হয়। (আপনাকে দেনমোহর আদায় করতে হবে)

3017 views Answered

Related Questions

Next steps