মহামান্য চার ইমামের মাজহাব কি ছিল?
2 Answers
মহামান্য ইমামরা ছিলেন কোরআন হাদীসের পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসারী এবং ধর্মপ্রান মুসলিম।
আবু হানীফা (রহ)
১) যখন হাদীস সহীহ হবে, তখন সেটাই আমার মাযহাব অর্থাৎ হাদীস সহীহ হলে সেটাই আমার মাযহাব। (ইবনুল আবেদীন ১/৬৩; রাসমুল মুফতী ১/৪; ঈক্কামুল মুফতী ৬২ পৃষ্ঠা)
ইমাম মালেক (রহ)
১) আমি তো একজন মানুষ মাত্র। আমার কথা ভুল হতে পারে আবার ঠিকও হতে পারে। সুতরাং তোমরা আমার মতকে বিবেচনা করে দেখ। অতঃপর যেটা কিতাব ও সুন্নাহর অনুকুল পাও তা গ্রহন কর। আর যা কিতাব ও সুন্নাহর প্রতিকুল তা বর্জন করো। (জানেউ বায়ানিল ইলম ২/৩২, উসুলুল আহকাম ৬/১৪৯)
ইমাম শাফেরীঃ-
১) হাদীস সহীহ হলে সেটাই আমার মাযহাব। (মাজমু ১/৬৩; শা’রানী ১/৫৭)
ইমাম আহমাদ
১) তোমরা আমার অন্ধানুকরন করো না, মালেকেরও অন্ধানুকরন করো না। অন্ধানুকরন করো না শাফেরীর আর না আওয়ারী ও ষত্তরীব বরং তোমরা সেখান থেকে তোমরা গ্রহন কর যেখান থেকে তারা গ্রহন করেছেন। (ইলামুল মোয়াক্কিঈন ২/৩০২)
মাজহাব অর্থ চলার পথ, মত। ইসলামী বিধি বিধানের ক্ষেত্রে সাহাবা যুগে মতভিন্নতা ছিলো। কিন্তু সে মতভিন্নতা ব্যক্তি পর্যায়ে ও বিচ্ছিন্ন পর্যায়ে ছিলো। তখন সে মতগুলো সামগ্রিক রূপ ধারণ করে নি। চার ইমামের পর থেকে তাদের মতামতগুলো একেকটি সামগ্রিক রূপ লাভ করে। তাদের থেকেই মূলত চার মাজহাব বা চারটি মত ও পথের সৃষ্টি। এগুলো মূলত শাখাগত মতভিন্নতা। মৌলিক বিষয়ে সবাই একমত ছিলেন। তাদের পূর্বে বিভিন্ন মত থাকলেও সেগুলোর কোনো সামগ্রিক রূপ না থাকায় বলা যাচ্ছে না তারা কোন মাজহাব বা কোন মত ও পথের ছিলেন ? সারকথা, তারা সবাই প্রকৃত মুসলিম ছিলেন। ইলম আমলে একেকজন তারকা তুল্য ছিলেন। হাদীসে হাফেজ আলেমদের সুপারিসের কথা এসেছে। তাদের সুপারিশ গ্রহণযোগ্য হবে কি না সেটা একমাত্র আল্লাহই জানেন। মানুষের পক্ষে সেটা বলা সম্ভব নয়।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy