আমার বাবা অশ্লিল ভিডিও ফোনে দেখে ,আবার নিয়মিত নামাজ ও পড়ে, আর আমি সেটা টের পেয়েছি , এখন কি করবো?
6 Answers
এখন আপনি যা করতে পারেন তা হলো, আপনার বাবাকে লক্ষ করে ,,, অশ্লিল ভিডিও যে দেখা পাপ,, এই সম্পকে জাহান্নামে শাস্থি নিয়ে আলোচনা করবেন অন্যের সাথে এই কথা যেন আপনার বাবা শুনতে পারে।এই ভাবে চেষ্ঠা করে দেখুন অথবা আপনার মা কে নিষেধ করতে বলুন।
আপনি কোন ভাবে সে গুলা ডিলিট করে দিন। যেহেতু উনি বাবা তাই উনাকে সরাসরি কিছু বলা সম্ভব হবে না। এই সব ভিডিও গুলা দেখলে কত গুনাহ হয় সে টা উনাকে অন্য রকম ভাবে বলতে হবে যেমন youtube এ অনেক ভিডিও পাবেন, পর্ণগ্রাফী দেখা নিয়ে। ভিডিওর নাম বলছিঃ চোখের যিনা, শেষ পর্ণগ্রাফী,পর্ণগ্রাফী দেখার কুফল ইত্যাদি অনেক ভিডিও পাবেন। সেই ভিডিও গুলা আপনি ডাউনলোড করে আপনার বাবার ফোনে দিয়ে দিবেন। এবং যে বাজে ভিডিও গুলা আছে সে গুলা ডিলিট করে দিবেন। এখন আপনার বাবা যখন বাজে ভিডিও গুলা দেখতে যাবে তখন পাবেন না,, এবং আপনি যে ভিডিও গুলা দিয়ে দিবেন সে ওই গুলা দেখবে এবং ভাববে কে করলো এমন,,এবং আল্লাহতালা কে ভয় করে আর পর্ণ দেখবে না বলে আশা করছি।
আপনি আপনার বাবাকে বলুন যে কিছু ভাল কাজ আর কিছু মন্দ কাজ করলে তাকে ইসলামীর দৃষ্টিতে মুনাফিক বলে আর মুনাফিকরা জাহান্নামে নিম্নস্তরে থাকবে তাহলে আপনার বাবার অনুশোচনা হবে আর এই খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকবে ইনশাল্লাহ।
নিশ্চয়ই নামাজ অশ্লীল ও খারাপ কাজ হতে বিরত রাখে। যেহেতু আপনার বাবা নিয়মিত নামাজ ও পড়ে। তাই এটি আস্তে আস্তেই ভাল হয়ে যাবে। ছেলে হয়ে বাবাকে নিষেধ না করাই ভাল।
নিশ্চয় নামাজ যাবতীয় অন্যায় ও অশ্লীল-অপকর্ম থেকে বিরত রাখে' (সূরা আনকাবুত: ৪৫)
আপনি যেহেতু তার ছেলে তাই আপনি তার সাথে খারাপ ব্যবহার করতে পারবেন নাহ। আপনি কথায় কথায় নামাজের গুরুত্ব এবং নামাজ পড়েও কেউ যদি খারাপ কাজে লিপ্ত থাকে তবে তার যে নামাজ হয় না সেটা তাকে(আপনার বাবা) বোঝান। "সূরা আনকাবুত: ৪৫" এই আয়াত সমপর্কে তার নিকট বয়ান করুন। এবং আল্লাহ্ এর কাছে দোয়া করেন তিনি যেন আপনার বাবাকে হেদায়েত দান করেন।
আপনার নিষেধ করার প্রয়োজন নেই।