6 Answers
মানুষ মৱণশীল । প্ৰত্যেক প্ৰানী মৃত্যুৱ স্বাদ গ্ৰহন কৱবে । আপনি আখিৱাতেৱ জন্য বেশি বেশি আমল কৱেন । যাতে আপনি জাহান্নামেৱ শাস্তি থেকে বাঁচতে পাৱেন এবং জান্নাতে যেতে পাৱেন । দুনিয়াৱ সময় অতি অল্প আৱ পৱকাল অনন্ত কালেৱ জীবন । ঐ ব্যক্তি সফল যে তাৱ পৱকালেৱ জীবন কে সুন্দৱ কৱাৱ জন্য আমল কৱে কাজ কৱে । তাই ভাই দুনিয়াতে যতটুকু হায়াত আছে তাৱ মধ্যেই নিজেকে গুছিয়ে নিন । নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্যশীলদেৱ সাথে আছেন ।
**পজিটিভ থাকার চেষ্টা করুন **মানুষ মরে গেলেই তো শেষ কিন্তু আপনি চেষ্টা করুন এমন কিছু করার যেন আপনার নাম চিরকাল থাকে **আবেগ নিয়ন্ত্রনে রাখতে হবে ** ব্যর্থতা যেন আপনার কাছে হার মানে
মিছির আলি সিরিজের বইটি পড়বেন। জিবনের আসল মানে আর উদ্দেশ্য সহজ হবে।
বেঁচে থাকার জন্য অনুপ্রাণিত করার মত কথা কেউ জানে কি না আমি জানি না। কারণ বেঁচে থাকা এমন একটি বিষয় যার সাথে অন্য কোনো কিছুর তুলনা হয় না। মানুষ অল্প কিছু বিষয়ে হতাশ হয়ে যায় এবং চিন্তা করে আমার বেঁচে থাকার কোনো কারণ আর নেই। কিন্থ বেঁচে থাকার যে কত কারণ হতে পারে তা কখনো চিন্তা করে না। চিন্তা করলেই বের হতে পারে বেঁচে থাকার সুন্দর সব কারণ। মানুষকে একদিন মরতেই হবে। মৃত্যু থেকে বাঁচার কোনো পথ নেই। মৃত্যুর স্বাদকে সবাইই একদিন গ্রহণ করবে। কিন্তু বেঁচে থাকার স্বাদ সবাই গ্রহণ করে না। সবাই বেঁচে থাকে, অথচ বেঁচে থাকার স্বাদ পায় না। জীবনটা যে কত কারণে সুন্দর ও উপভোগ্য হয়ে উঠতে পারে সেটা না জানার কারণেই মানুষ এই সমস্যায় পড়ে। আত্মহত্যার মত কাজ কাপুরুষেরা করে যারা বেঁচে থাকার মানে বের করতে পারে না। যারা বের করতে পারে তাঁরাই বেঁচে থাকার স্বাদ গ্রহণ করে। বাকিরা জন্ম নেয়, বাঁচে এবং মৃত্যুবরণ করে।
১★নামাজ পড়লে আল্লাহ্ খুশি হোন আর না পড়লে শয়তান খুশি হয়। এখন নিজেই চিন্তা করে দেখো, তুমি কাকে খুশি করতে চাও?
২★যদি তুমি অল্পে পারো, বেশির দরকার নেই।
৩★এই পৃথিবীর দুঃখ-কষ্ট কিছুই না। মৃত্যুর পর যাতে চিরসুখী হতে পারো, সেই চেষ্টা করে যাও।
৪★প্রকৃত সফল হতে হলে, বারবার তোমাকে ব্যর্থ হওয়া লাগতে পারে। কখনো মনোবল হারাবে না। চেষ্টা চালিয়ে যাও, সফল তুমি হবেই। বারবার ব্যর্থ হওয়ার পরও কোনো কাজে অবিরত চেষ্টা তোমাকে সফল করবেই।
৫★কারো যদি উপকার করতে না পারো, অন্তত ক্ষতি করো না।
৬★জীবন কারো জন্য থেমে থাকে না।
৭★ধার্মিক ও সত্কর্মী হও। মনে রেখো, মৃত্যুকে আলিঙ্গন করার মধ্য দিয়েই তোমার প্রকৃত জীবনের সূচনা হবে।
৮★অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে ভয় পেও না। কারন, তুমি প্রতিবাদ করলেই অন্যরা প্রতিবাদ করার প্রেরণা পাবে। আর তখনই তৈরি হবে দূর্গ, যা সমাজ ও রাষ্ট্র থেকে অন্যায়ের মূলোত্পাটন করবে।
৯★ভালোবাসার নামে বিয়ের আগে প্রেমিককে শরীর বিলিয়ে দিয়ে এসোনা। কারন, তুমি জানোনা যে, কে তোমার স্বামী হবে। মনে রাখবে, তোমার দেহটা তোমার নিকট তোমার স্বামীর আমানত। যে প্রেমিক বিয়ের আগে শরীর চায়, সে কখনো তোমাকে বিয়ে করবে না, কারন সে তোমার শরীরের জন্যই তোমাকে ভালোবেসেছে। শরীর পাওয়া শেষ তো তোমার সাথে ব্রেক আপ। সতর্ক হও, অতি সরলতা ভালো নয়।
১০★যে তোমার জীবন থেকে হারিয়ে যায়, তার জন্য কখনো আফসোস করো না। বরং Re-start ur life; মোবাইল ফোন যেভাবে Restore করা হয়, অনেকটা সেভাবে।
১১★স্বপ্ন দেখা ভালো। কিন্তু সে স্বপ্ন যদি বাস্তবায়ন করার ইচ্ছা ও চেষ্টা না থাকে, তাহলে স্বপ্ন দেখে অযথা সময় নষ্ট করো না।
১২★কোনোকিছু একবারে বেশি চর্চা করার চেয়ে 'অল্প অল্প, কিন্তু নিয়মিত' চর্চা করা অনেক বেশি শ্রেয়।
১৩★একটা পচা ডিম থেকে যেমন বাচ্চা আশা করা যায় না, ঠিক তেমনি ধর্মহীন, নোংরামীতে নিমজ্জিত নারীর নিকট থেকে কখনো নেক সন্তান আশা করা যায় না।
১৪★হারানো সন্তান ফিরে পেলে মা-বাবা যেমন খুশি হোন, তেমনি আল্লাহর কোনো পাপী বান্দা তওবা করলে আল্লাহ্ তার চেয়েও বেশি খুশি হোন।
১৫★কেউ মূল্য দিক আর না দিক, তুমি সত্কর্ম করে যাও। কারন, এর প্রতিদান মানুষ তোমাকে না দিলেও আল্লাহ্ দিবেন।
১৬★৪ মাযহাব মানে ৪টি পথ, মত বা রাস্তা। কিন্তু গন্তব্য বা উদ্দেশ্য হলো আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল (সাঃ)। ধরুন, আপনার গন্তব্য রাজধানী। যাওয়ার রাস্তা ৪টিঃ
১◆আকাশ পথে বিমান যোগে (হানাফী মাযহাব)
২◆রেল পথে ট্রেন যোগে (মালেকী মাযহাব)
৩◆নৌ পথে জাহাজ যোগে (শাফেয়ী মাযহাব)
৪◆সড়ক পথে বাস যোগে (হাম্বলী মাযহাব)
এখন আপনার যেটি ইচ্ছে, সেটি বেছে নিন।
১৭★আপনি মারা যাবার পর ঠিকই আপনাকে কাফন দিয়ে পর্দা করানো হবে, তাই সেই সময় পর্যন্ত অপেক্ষা না করে এখনি পর্দা করা শুরু করে দিন। আর ফুলের মতো পবিত্র থাকুন।
১৮★সাবধান! কিয়ামতের ময়দানে আমাদের সকল কর্ম বিশাল পর্দায় ভিডিও আকারে দেখানো হবে।
১৯★পৃথিবীতে এমন কিছু মানুষ আছে, যাদেরকে নিজের কলিজা রান্না করে খাওয়ালেও তারা বলবে লবণ কম হয়েছে।
২০★কিছু মানুষের জীবন হলো মেহেদী পাতার মতো, উপরে চিরসবুজ আর ভিতরে রক্তাক্ত লাল। ঠিক তেমনি কিছু মানুষের মুখে হাসি, তবে ভিতরে ভিতরে বিশাল কষ্টের পাহাড়।
২১★ছোট ছোট ভুলের ক্ষেত্রে সচেতন হোন। কেননা, একটা ছোট ছিদ্র বিশাল জাহাজকেও ডুবিয়ে দিতে পারে।
২২★নামাজকে কখনো বলোনা, আমার কাজ আছে। বরং কাজকে বলো, আমার নামাজের সময় হয়েছে।
২৩★হাসপাতালে ১ঘন্টা অক্সিজেনের দাম যদি ১২০টাকা হয়, তোমার জন্ম থেকে আজ পর্যন্ত যত অক্সিজেন নিয়েছো, সব আল্লাহর। তাঁর দাম কি তুমি দিয়েছো?
২৪★হারানোর ব্যাথা কেবল সেই বুঝে, যে হারিয়েছে।
২৫★প্রজাপতির পিছনে দৌড়ে সময় নষ্ট না করে ফুলের চাষ করো, দেখবে প্রজাপতি নিজেই এসে ধরা দিবে।
২৬★কাঁদতে চাইলে নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে কাঁদো। কারন, তোমার চোখের পানির মূল্য কেউ না দিলেও আল্লাহ্ তোমার প্রতি ফোঁটা চোখের পানির অনেক মূল্য দিবেন।
২৭★আল্লাহকে বুকে নিয়ে আদর করতে চাইলে কুরআনকে বুকে নিয়ে আদর করো। চুমু খাও। কুরআনের জন্য প্রতিটা দিনই তোমার ভালোবাসা দিবস হিসেবে তৈরি করে নাও।
২৮★তিনটা জিনিস কখনোই ছেড়োনাঃ নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত ও সত্কর্ম।
২৯★তিনটা জিনিস একেবারেই ছেড়ে দাওঃ মিথ্যা, অহংকার ও অলসতা।
৩০★তিনটা জিনিস কখনোই হারাবে নাঃ আশা, সততা ও বিশ্বাস।
৩১★পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জিনিস হচ্ছে আল্লাহ্'র কিতাব 'আল-কুরআন' আর রাসূল (সাঃ)-এর 'সুন্নাহ্'। কেননা, এ দুটো জিনিস আঁকড়ে ধরলে আপনার পথভ্রষ্ট হওয়ার কোনোই আশঙ্কা নেই।
৩২★নিজ ধর্ম ব্যতীত অন্য কোনো ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবেন না, বরং সকল ধর্মের সকল মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবেন। অন্য কোনো ধর্মের কার্যাবলির প্রতি শ্রদ্ধাশীল হলে, নিজ ধর্ম থেকে খারিজ হয়ে যাওয়াটা স্বাভাবিক। কেননা, আপনার ধর্ম আর ঐ ধর্মের কার্যাবলি হয়তো সম্পূর্ণ বিপরীত। পক্ষান্তরে, সকল ধর্মের সকল মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হলে, মানুষে মানুষে মমত্ববোধ বজায় থাকে।
৩৩★কারো উপকার করার সময় দেখবেন না, আসলেই সে হিন্দু না মুসলিম। বরং দেখবেন, আসলেই সে আপনার মতোই রক্ত-মাংসে গড়া একজন মানুষ।
৩৪★নিজ ধর্মের বিপরীত কোনো ধর্মকে ঘৃণা করতে পারেন, কিন্তু কোনো ধর্মের কোনো মানুষকে ঘৃণা করবেন না।
৩৫★যারা আপনার গঠনমূলক সমালোচনা করে, তাদেরকেই আপনার প্রকৃত বন্ধু মনে করুন। কেননা, তারা আপনার সমালোচনা করলেই, আপনি নিজেকে আরো বেশি সংশোধন করে, আরো বেশি পারফেক্ট হতে পারবেন।
৩৬★অর্থ বুঝে কুরআন-হাদীস পড়ুন, সত্য মিথ্যার পার্থক্য করুন।
৩৭★শিশুর হাতে অশ্লীল কোনো জিনিস না দিয়ে তার হাতে তুলে দিন 'আল-কুরআন', তার সুন্দর উজ্জ্বল ভবিষ্যত্ এবং সুন্দর সমাজ গড়ার জন্য।
৩৮★প্রতিদিনই আমরা আমাদের ইনবক্স ওপেন করি এবং বন্ধুদের পাঠানো মেসেজগুলো পড়ি, কিন্তু কত সময় আমরা কুরআন ওপেন করি এবং আল্লাহ্'র পাঠানো মেসেজগুলো পড়ি?
৩৯★মহাগ্রন্থ আল-কুরআন হচ্ছে মহান আল্লাহর পাঠানো সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ আসমানী কিতাব। আজ অবধি কুরআন থেকে কোনো একটি অক্ষর বিকৃত হয়নি বা হারিয়ে যায়নি। আমি ভালোবাসি ভালোবাসি ভালোবাসি কুরআনকে।
৪০★কুরআনের পথ ধরে,
এসো হে মুমিন।
চলো বন্ধু নামাজ পড়ি,
জীবনটাকে সুন্দর করি।
৪১★আপনার শারীরিক শক্তি, বুদ্ধি, চালাকি, ব্যাংক ভর্তি টাকা, সৌন্দর্য, গাড়ি, বাড়ি, নারী, ক্ষমতা-সবই এক সেকেন্ডে হাওয়া হয়ে যেতে পারে। নিঃস্ব হয়ে যেতে পারেন আপনি। কারন, 'মৃত্যু' আপনার আমার অতি সন্নিকটে।
প্রথমত, জীবনে কখনো হাল ছাড়বেন না।একটা কাজ করার সময় সেখানে আপনার ভুল হতে পারে কিংবা সেখানে বাধা অবশ্যই আসবে।
যে যতই বাধা আসুক না কেন কখনো সে কাজ করা থেকে থেমে থাকবে না। সব সময় জীবনে লড়াই করে বাঁচতে শিখুন।
মোটিভেশনাল কিছু কথা পড়তে পারেন।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy