5 Answers
আপনি হয়ত কম আলোতে পড়ালেখা করেন।অথবা আপনার ঘরে বাতির আলো কম। আপনি একজন চক্ষু রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এর সাথে যোগাযোগ করেন।তিনিই এর ভাল সমাধান দিতে পারবে।
ভাই আপনার পলিপাস এর সমস্য থাকতে পারে আপনি নাক কান গলা এর ডাক্তার দেখাতে পারেন। এক্সরে করলেই বুঝতে পারবেন। আমার একই সমস্য।
মাথা ব্যাথা অনেক কষ্টের একটি রোগ। যার হয় সেই বোঝে এর কত যন্ত্রনা। কিন্তু সাধারণভাবে মানুষ যখন কোন টেনশনে ভোগে তখন সৃষ্টি হয়। কিন্তু যদি সব সময় এবং দীর্ঘদিন ধরে এটি হতে থাকে তথন এটি সম্পর্কে অবশ্যই ভাবা উচিত। কেননা এটি তখন আর স্বাভাবিক কোন মাথা ব্যাথা থাকে না। তখন তা পরিণত হয় একটি রোগে। যাকে মাইগ্রেন বা বাংলায় অর্থ মাথা ব্যাথা বলা হয়ে থাকে। মূলত মাইগ্রেন কেন হয়ে থাকে তার সঠিক কোন তথ্য খুজে পাওয়া যায় নি। তবে ধারনা করা হয় যে, ব্রেনের ভেতরে রক্তবাহীনালীসমূহ কোনো কারণে সংকুচিত হয়। এটা হলে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলের তারতম্যের জন্যই এই প্রচণ্ড ধপ ধপ করে মাথাব্যথা শুরু হয়। বমি না হওয়া পর্যন্ত এই ব্যথা কমে না। মাইগ্রেন (মাথাব্যথা) একবার শুরু হলে কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত একাধারে চলতে পারে। যার ফলে কাজ কিংবা পড়ালেখায়ও ক্ষতি হতে পারে। যারা পূর্বে থেকে মাইগ্রেন সমস্যায় ভুগছেন তাদের ব্যাথা ওঠার বেশ কিছু পূর্বাভাস অনুভুত হতে পারে। এছাড়া টেনশন, পরীক্ষা বা চাকরির অত্যন্ত চাপ, মানসিক অশান্তি, বাস বা গাড়িতে অনেকক্ষণ যাত্রা করা, মহিলাদের বেশিক্ষণ গরমে রান্না ঘরে থাকা, মাসিকের সময় ইত্যাদি নানাবিধ কারণে মাইগ্রেন শুরু হতে পারে। সাধারণ মাইগ্রেন হলে সাধারণত খুব বেশি মাথাব্যথা হয় না। বমি ভাব থাকতে পারে। কখনও এক বা দুই সপ্তাহ প্রচণ্ড মাথাব্যথা থাকে এবং রোগী ব্যথায় ছটফট করেন। আবার অনেক সময় ঘুম থেকে সকালে উঠেই ব্যথা শুরু হয়। এ রোগের কোন প্রতিকার নেই। যাদের মাইগ্রেন মাথাব্যথা থাকে, সারাজীবনই কোনো না কোনো সময়ে কোনো না কোনো কারণে এই মাথাব্যথা শুরু হতে পারে। মূলত সাধারন মাইগ্রেন এর ক্ষেত্রে প্যারাসিটামল খেলেই ব্যাথা অনেকাংশে কমে আসে। যদি মাইগ্রেন বারবার হতে থাকে এবং কাজে বাধা সৃষ্টি করে, তবে কিছু শক্ত ব্যাথানাশক ওষুধ এবং এর সাথে যাতে বারবার ব্যাথা ফিরে না আসে সে জন্য কিছু প্রতিষেধক ওষুধ দেওয়া হয়। এছাড়াও চশমার পাওয়ারেও অনেকটা উপকার লাভ করা সম্ভব। তবে একটা কথা রোগ কখনো অবহেলা না করাটাই ভালো । সেটা যত ক্ষু্দ্রই হোক না কেন। কেননা ছোট রোগ ভেবে অবহেলা করলে অনেক সময় সেই রোগটিই মৃত্যুর কারণ হয়ে দাড়াতে পারে। তাই মাথা ব্যথা হলে অবহেলা না করে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত । _______
Tab.Nufnil 500 mg দিনে ৩ বার খাবার পর বা tab.Clofenae DT ১ চামচ পানিতে ১টি ট্যাবলেট গুলে খাবে।এতেও না সারলে Tab.Etorix 90 বা Tab.Amit 10 mg দিনে দুবার সকাল রাতে খাবার পর খাবে সাথে Tab.Losectil খাবার আগে অব্যশই খাবে।ইনশাল্লাহ্ ভালো হবে।
অবশ্যই চিকিৎসার ব্যবস্থা করুন এবং দ্রুত ।
মাথা আছে কিন্তু ব্যাথা নেই এমন লোক খুঁজে পাওয়া যাবে না । কিন্তু প্রতিদিন মাথা ব্যথা করাটা অবশ্যই একটা সমস্যার ইঙ্গিত বহন করে ।
এটা সাইনাস, মাইগ্রেন, চোখের সমস্যা, দুশ্চিন্তা এমনকি ব্রেন টিউমার এর লক্ষণ ও হতে পারে ।
তাই অহেতুক টেনশনে না থেকে মেডিসিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন । উনি প্রয়োজনে আপনাকে specialized কারো কাছে যাবার পরামর্শ দিবেন ।
আপনার মাথা ব্যথার মুক্তি কামনা করছি । ধন্যবাদ ।