user-avatar

mdmizanurrahmanrand1rand1

◯ mdmizanurrahmanrand1rand1

ভাই আপনি ইমকন বা পিউলি ১ খেতে পারেন। এটি শারীরিক সম্পর্কের ৭২ ঘন্টার মধ্যে খেতে  হবে। তবে যত দ্রুত খাবেন ভাল কাজ হবে।

পা ভাংগা?

mdmizanurrahmanrand1rand1
Oct 10, 02:04 PM

ভাই আপনি ভাল কোন অর্থপেডিক ডাক্তারের পরামর্শ নেন। না দেখে কোন উপায় বা সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব নয়। ডক্তার আপনার পা পরিক্ষা করে আপনাকে ভাল কোন উপায় বলে দিবে। আশা করি ভাল হবে।

ভাই আপনি ডার্মাটােলজিষ্ট ডাক্তার দেখাতে পারেন। এই ডাক্তার চুল, ত্বক এবং নখের স্বাস্থর ডাক্তার।

ভাই আপনি খুব দ্রুত অর্থোপেডিক ডাক্তারের সরনাপন্ন হন। আপনার ঘাড় চেককরে আপনাকে ঔষুধ দিবে। আশা করি ভাল হয়ে যাবেন।

ভাই ডাক্তার যেহেতু বলেছে আপনি প্রতিদিন খেতে পারেন। প্রতিদিন রাতে খাবারের পর খাবেন। তবে এই ঔষুধ যতদিন খাবেন ততদিন আপনি ভাল থাকবেন ঔষুধ শেষ হলে আগের মত সমস্যা হবে। এগুলো সাময়িক সময়ের জন্য। ডাক্তার হয়তো বলেছে এগুলো খেলে আপনি সুস্থ হয়ে যাবেন কিন্তু হওয়ার সম্ভবনা খুবই কম। আপনি ভাল হোমিও ডাক্তার দেখাতে পারেন। হোমিও ঔষুধে এই সমস্যার ভাল ফলাফল দেয়।

ভাই আমার মনে হয় সমাজের নিম্নমানের পেশা হচ্ছে চুরি করা, সুদ খাওয়া, ঘুস খাওয়া এগুলো। আপনি অন্য যেকোন কাজই করেন না কেন এগুলো ছোট না। ধর্মীয় দিক দিয়ে যেগুলো নিষেধ করা হয়েছে সেগুলো বাদ দিয়ে বাকি যে কোন কাজই ভাল এতে সম্মান হানি হয় না।

ভাই সৈনিক পদে ভর্তির যোগ্যতার মেধ্যে হলে চোহের পাওয়ার ৬/৬ হতে হবে। আপনার চোথের পাওয়ার যদি ৬/৬ হয় এবং আপনি যদি চশমা ব্যবহার করেন সমস্যা নাই। ৬/৬ হতেই হবে।

....?

mdmizanurrahmanrand1rand1
Oct 8, 02:04 PM

ভাই গার্লফ্রেন্ডকে উপহার দেওয়াটা একটু কনফিউজিং ব্যাপার। কারণ মেয়েদের মন বোঝা খুবই কঠিন। এরপর ও আপনি তাকে যেহেতু উপহার দিতে চান তাই বই উপহার দেওয়াটাই ভাল হবে। তার যে বই পছন্দ সেগুলো দিতে পারেন। অথবা তার কি পছন্দ সেটা যেনে এরপর গিফট করতে পারেন।

ডাইঅপ্টার কাকে বলে?

mdmizanurrahmanrand1rand1
Oct 8, 01:56 PM

ডাইঅপ্টার লেন্স বা বক্র দর্পণের আলোক ক্ষমতার একক। এর মান মিটার এককে মাপা ফোকাস দূরত্বের ঠিক বিপরীত, অর্থাৎ ১ ডাইঅপ্টার = ১ মিটার। এটি দৈর্ঘ্যের বিপরীত রাশির একক। উদাহরণস্বরূপ, ৩ ডাইঅপ্টার ক্ষমতার কোনো লেন্স সমান্তরাল আলোকরশ্মিগুচ্ছকে ১/৩ মিটার ফোকাস দূরত্বে অভিসৃত বা অপসৃত করে। সমতল জানালার কাচের আলোক ক্ষমতা শূন্য ডাইঅপ্টার এবং সঙ্গত কারণেই এটি আলোকরশ্মিগুচ্ছ অভিসারী বা অপসারী করতে পারে না। দূরত্বের বিপরীত রাশি হিসেবে অন্যান্য ক্ষেত্রে, বিশেষত বক্রতার ব্যাসার্ধ ও অপটিক্যাল বীমের অভিসৃতি বা অপসৃতি নির্ণয়েও এর ব্যবহার রয়েছে।

ভাই নামাজ পড়ার সময় যারা মনোযোগ কম দেয় নামাজে তাদের এমন হয়। আপনি যখন নামাজে দাড়াবেন তথন দুনিয়ার কথা ভুলে আল্লাহর কথা ভাববেন। আর মনে মনে ভাববেন এটাই হয়তো আপনার জীবনের শেষ নামাজ তাহলে আর এমন হবে না। আর যদি ইমামের পিছনে থাকেন তাহলে ইমামের তেলাওয়াতের দিকে মনোযোগ দিবেন আর শুনবেন  তাহলে এমন হবে না আশাকরি। এটায় না হলে আপনি ভাল কোন আলেম এর থেকে আরও বেশি পরামর্শ নিতে পারেন।

SONY 24DK2300 মডেলের দাম সহ?

mdmizanurrahmanrand1rand1
Aug 22, 05:56 AM

বর্তমান দাম 13,300 টাকা। আপনি নিচের লিংক থেকে বিস্থারিত জানতে পারবেন

ুগসচ

মাগুর মাছের ৭ – ১০ সে মি লম্বা ৮ / ১০ গ্রাম ওজনের চারা ৭ / ৮ মাসে ১২৫ থেকে ১৫০ গ্রাম পর্যন্ত হয়ে থাকে। একক মাগুর চাষে হেক্টর প্রতি ৩৩৭৫ – ৩৫০০ কেজি (বিঘা প্রতি ৪৫০ – ৪৮০ কেজি ) পর্যন্ত মাছের ফলন হতে পারে। শিঙি মাছের সঙ্গে মিশ্র চাষ করলে বিঘা প্রতি প্রায় ৩৫০ – ৪০০ কেজি (২৬২৫ – ২৮০০ কেজি প্রতি হেক্টরে ) এবং কার্পের সঙ্গে মিশ্র চাষে ১৮৭ – ২২৫ কেজি হেক্টর প্রতি ( ২৫০ – ৩০০ কেজি বিঘায়) ফলন হতে পারে।

আনুমানিক 3 বছর সময় লাগে নারিকেল গাছে নারিকেল ধরতে।

মাগুর মাছের জন্য পরিপূরক খাদ্যের উপাদানগুলি হল —উদ্ভিদ উপাদান, প্রাণীজ উপাদান, অন্যান্য উপাদান। খনিজ পদার্থ, ভিটামিন, ওষুধ ইত্যাদি।

  • ১) উদ্ভিদ উপাদান : চালের গুঁড়ো (খুদ), চালের কুঁড়ো, ডালের গুঁড়ো, সয়াবিন, বাদাম গুঁড়ো বা খোল, সরষের খৈল ইত্যাদি। তণ্ডুল জাতীয় খাবার শর্করা ও তৈলবীজ বা খৈল প্রোটিন ও তৈল জাতীয় খাদ্যোপাদান সমৃদ্ধ। এ ছাড়াও ভিটামিন ও অন্যান্য খাদ্যোপাদান এতে কমবেশি বর্তমান থাকে।
  • ২ ) প্রাণীজ উপাদান : রেশমকীটের মুককীট, কেঁচো, শুটকি মাছের গুঁড়ো, শুকনো চিংড়ির গুঁড়ো, মাংসের কুচি, গেঁড়ি, গুগলি শামুকের মাংসল অংশ, কাঁচা গোবর, গোবর গ্যাস প্ল্য‌ান্টের পরিত্যক্ত দ্রব্য ইত্যাদি। এগুলি অধিকাংশ প্রোটিন, ভিটামিন, তৈল ও খনিজ পদার্থ সমৃদ্ধ।
  • ৩ ) অন্যান্য উপাদন : যেমন বাড়ির খাবারের যে কোনও পরিত্যক্ত মাছমাংসের অংশ, মাছ, মুরগি, ছাগল ইত্যাদির জীবিত বা মৃত অবস্থার পরিত্যক্ত অংশ যেমন মল, রক্ত, চামড়া, নাড়িভুঁড়ি ইত্যাদি। এ সবই মাগুর মাছের ভীষণ প্রিয় এবং প্রয়োজনীয় খাদ্যোপাদান।

মাগুর মাছ যে কোনও জলাশয়ে থাকতে পারে। সাধারণ মিঠা জল বা নোনা জলে (লবণতা ৮ পিপিটি) এরা সচ্ছন্দে বসবাস করতে পারে। এরা ভীষণ নোংরা নর্দমার ময়লা জল এমনকী অগভীর পাট পচানো জলেও বেঁচে থাকে ও বৃদ্ধি পায়। মাগুর মাছ সাধারণত এঁদো, নোংরা, ঘোলা অগভীর জলায় থাকতে ভালোবাসে। এর মূল কারণ এরা ছোট ছোট পোকামাকড়, তাদের ডিম, শুককীট, মুককীট এদের ভীষণ প্রিয় খাবার। আর ঘোলা, নোংরা জলই এদের জন্ম, বৃদ্ধি ও বংশ বিস্তারের উৎকৃষ্ট আধার। যে জলাশয় এদের চাষের জন্য পছন্দ করা হবে সেটাতে যেন অন্তত ছয় / সাত মাস জল থাকে। সাধারণ মাছের জন্য যে সব আঁতুড় পুকুর বা পালন পুকুরে যেখানে ডিম ফোটানো হয় বা ধানি পোনা থেকে চারা পোনা তৈরি করা হয়, পরবর্তী সময়ে সেগুলিকেও দেশি মাগুর চাষের কাজে লাগানো যেতে পারে।

যদিও দেশি মাগুর নোংরা, ঘোলা জলেও স্বচ্ছন্দে বেঁচে থাকে ও তাদের বৃদ্ধি হয়, কিন্তু এদের চাষের জন্য উন্মুক্ত অঞ্চল হবে, অক্সিজেনের ঘাটতি হবে না এ রকম স্থানই পছন্দের। এদের চাষের ও ব্যবস্থাপনার জন্য ছোট জলাশয়ই (পাঁচ কাঠা থেকে এক বিঘার মধ্যে ) বেশি উপযুক্ত। মাগুর মাছ চাষের জন্য জলের গভীরতাও খুব বেশি প্রয়োজন নেই। তবে জলের গভীরতা কখনওই দু’ ফুটের কম হলে চলবে না। হলে নানান সমস্যা দেখা দিতে পারে। জলের গভীরতা একদম কমে গেলে অন্য সমস্যার সঙ্গে সঙ্গে মাছের অন্য শত্রু যেমন বক, উদবিড়াল, এমনকী মানুষের উপদ্রব হতে পারে। এই মাছ চাষের জন্য আয়তাকার জলাশয়ই বেশি পছন্দের। যে হেতু মাগুর মাছ জলের নিম্নস্তরেই বেশি থাকে এবং এরা আমিষভোজী তাই মাগুর মাছ চাষের জলাশয়ের নীচে বালির চেয়ে পলিমাটি বা স্বল্প পাঁক মাটি থাকা ভালো, যাতে মাছের প্রাকৃতিক খাবারের জোগান ভালো থাকে।

সরিষার তৈল মাথায় ব্যবহার করা যায়। এর কোন সাইড এ্যাফেক্ট নাই। আর এই তেল ব্যবহারে চুল মজবুত হয়।

সার প্রয়োগ

কৃষকদের মতে গুণগত মানসম্পন্ন ভালো ফলন পেতে হলে পেঁপে গাছে যতটুকু সম্ভব সার প্রয়োগ করতে হবে। মাটি পরীক্ষা করে মাটির ধরণ অনুযায়ী সার প্রয়োগ করতে হবে। তবে জৈব সার ব্যবহার করলে মাটির গুণাগুণ ও পরিবেশ উভয়ই ভালো থাকবে। বাড়িতে গবাদি পশু থাকলে সেখান থেকে গোবর সংগ্রহ করা যাবে। নিজের গবাদি পশু না থাকলে পাড়া-প্রতিবেশি যারা গবাদি পশু পালন করে তাদের কাছ থেকে গোবর সংগ্রহ করা যেতে পারে। এছাড়া ভালো ফলন পেতে হলে জমিতে আবর্জনা পচা সার ব্যবহার করা যেতে পারে। বাড়ির আশেপাশে গর্ত করে সেখানে আবর্জনা, ঝরা পাতা ইত্যাদির স্তুপ করে রেখে আবর্জনা পচা সার তৈরি করা সম্ভব।

'আমি তো মাকে ভালোবাসি' কথাটির সঠিক ইংরেজি অনুবাদ হচ্ছেঃ 'I love to mother innocently' (I=আমি, love=ভালোবাসি, to mother=মাকে, innocently=তো)। ধন্যবাদ।

অ্যাজিথ্রোমাইসিন একটি অ্যান্টিবায়োটিক যা বিভিন্ন ধরণের ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট সংক্রমণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটা দিনে একবার গ্রহণ করতে হয়। মনে রাখবেন, এই ওষুধটি সাধারণ ঠান্ডা, ফ্লু বা ভাইরাস ঘটিত সংক্রমণের ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য সুপারিশ করা হয় না কারণ এটি শুধুমাত্র ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমণের বিরুদ্ধে সক্রিয়। এটি ম্যাক্রোলাইড অ্যান্টিবায়োটিকগুলির একটি গোষ্ঠীর অন্তর্গত যা অনেকগুলি সংক্রমণের জন্য উপকারী, যেমন মধ্য কানের সংক্রমণ, ভ্রমণকারীর ডায়রিয়া ইত্যাদি। অন্যান্য ওষুধের সাথে এটি কখনও কখনও ম্যালেরিয়া নিরাময় করার জন্যও ব্যবহৃত হয়। এটি বিভিন্ন অন্ত্রের সংক্রমণ এবং সংক্রামিত যৌন সংক্রমণের জন্যও ব্যবহৃত হয়।

ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই এই ওষুধ গ্রহণ করা উচিত নয়। এই ওষুধের ডোজ বা কত ঘন ঘন এই ওষুধ গ্রহণ করা হয় তার পরিমাণ রোগীর বয়স, ওজন, যে অবস্থার জন্য রোগীর চিকিৎসা করা হচ্ছে, অন্যান্য় শারীরিক অবস্থা এবং কিভাবে একজন ব্যক্তি ওষুধের উপর প্রতিক্রিয়া জানায় সেইসব অবস্থার উপর নির্ভর করে। ওষুধের প্রভাব এবং এর ব্যবহার ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি অনুযায়ী পৃথক হতে পারে। এই ওষুধের প্রশাসন প্রতিদিন মুখের মাধ্যমে বা শিরার মধ্যে দিনে একবার করে প্রয়োগ করা হয়। অ্যাজিথ্রোমাইসিন দ্বারা চিকিৎসা স্বল্পমেয়াদী না হলে এবং ডাক্তারের দ্বারা প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী গ্রহণ না করলে এটি খুব ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।

১)মাউথ ফ্রেশনার:পান পাতা খাওয়ার ফলে যে রস উত্‍পাদন হয় তা আমাদের দাঁত আর মাড়ি সুস্থ রাখে | এছাড়াও পান পাতার রস আমাদের মুখের ভেতরটা পরিষ্কার রাখে | এমনকী মুখের মধ্যে রক্তপাতও বন্ধ করে | পান বেটে তার রস এক কাপ হাল্কা গরম জলে মিশিয়ে রোজ সকালে তা দিয়ে গার্গল করুন | কয়েকদিনর মধ্যেই তফাত দেখতে পাবেন |

২ ) নাক থেকে রক্ত পড়া থামায় : অনেক সময় সান স্ট্রোক হওয়ার ফলে নাক দিয়ে রক্ত পড়ে | এটা বন্ধ করতে একটা পান পাতা পাকিয়ে তা নাকের মধ্যে গুঁজে দিন | মাথা পিছনের দিকে হেলিয়ে রাখেতে হবে | কিছুক্ষণের মধ্যেই রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে যাবে | আসলে পান পাতা খুব তাড়াতাড়ি রক্ত জমাট বাঁধিয়ে দিতে পারে |

৩ ) কানের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে : পান পাতার আরো একটা বড় বেনিফিট হল এটা কানের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে | কয়েক ফোঁটা পানের রস আর কয়েক ফোঁটা নারকেল তেল একসঙ্গে মিশিয়ে কানের মধ্যে দিলে ব্যথা কমে যাবে | তবে এই ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়াই ভালো |

৪ ) অ্যান্টিসেপ্টিক হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন : ছোটখাটো কাটা ছেড়ায় পান বেটে লাগিয়ে দিতে পারেন | এছাড়াও যাদের আর্থারাইটিস আছে তাদের ব্যথা কমাতেও সাহায্য করে পান পাতা |

৫ ) ডিওডোরেন্টের কাজ করে : বিশ্বাস হচ্ছে না তো? তাহলে নিজেই পরীক্ষা করে দেখুন | চান করার জলে কিছুটা পান পাতার রস মিশিয়ে নিন | এই জল দিয়ে চান করলে সারাদিন ফ্রেশ লাগবে | এছাড়াও ঘাম কম হবে | পান পাতা দিয়ে জল ফুটিয়ে ঠান্ডা করে সেই জল পান করলে ঘামের গন্ধ কমবে | এমনকী মহিলাদের মেনস্ট্রুয়েশন স্মেল ও কমবে |

৬)প্রস্রাব করতে সাহায্য করে:বিশেষত কিডনির রোগ আছে যাদের তাদের প্রস্রাব করতে কষ্ট হয় | এই কষ্ট কমাতে সাহায্য করে পান পাতা | শরীর থেকে দ্রুত জল বের করে দেওয়ার ক্ষমতা আছে পান পাতার | দুধের সঙ্গে পান বেটে খেলে এই ব্যাপারে সাহায্য পাবেন |

৭)ভ্যাজাইনাল হাইজিন ঠিক রাখে:ভ্যাজাইনাল বার্থের পর তাজা পান পাতা ভ্যাজাইনাকে সংকুচিত করতে সাহায্য করে | এছাড়াও ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ বা ভ্যাজাইনাল ইচিং ও সারিয়ে দেয় |

৮)ত্বকের জন্য ভালো:খুব কম লোকেই জানে পানে যে অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল প্রপার্টি আছে তা পিম্পল, অ্যাকনে সহজেই সারিয়ে তোলে | এছাড়াও বিভিন্ন স্কিন অ্যালার্জি, ফুসকুড়ি, কালো ছোপ, সান বার্ন সারিয়ে দেয় | এর জন্য কয়েকটা তাজা পান পাতা আর কাঁচা হলুদ একসঙ্গে বেটে লাগাতে হবে |

৯)মাথা ব্যথা কমায়:গরমের কারণে মাথা ব্যথা করলে কপালে কয়েকটা পান পাতা রাখুন | এছাড়াও পান পাতার রস লাগালে তাড়াতাড়ি মাথা ব্যথা কমে যায় |

১০)অ্যান্টি ফাংগাল:শরীরের যে সব অংশে ফাংগাল ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা আছে, যেমন পায়ের আঙুল, প্রভৃতি সেই সব জায়গায় পানপাতার রস লাগান | কয়েকদিনের মধ্যে ইনফেকশন সেরে যাবে |

১১)সতর্কতা বাড়ায়:ইদানিং কি লেথার্জিক লাগছে? তাহলে মধুর সঙ্গে পান পাতা বেটে খান | এতে এনার্জি তো ফিরে পাবেনই একই সঙ্গে মেন্টাল ফাংশানিংও জোরদার হবে |

১২)সর্দি কমায়:বুকে সর্দি জমে গেলে সর্ষের তেল আর পান পাতা ভালো করে গরম করে বুকে লাগাতে হবে | এছাড়াও ঠান্ডা লেগে সর্দি হলে পান পাতা, এলাচ, লবঙ্গ একসঙ্গে ফুটিয়ে গাঢ় করে খেতে হবে |

১৩)হজমশক্তি বাড়ায়:সাধারণত খাওয়ার পর পান খাওয়া হয় | এটা করা হয় কারণ পান হজম করতে সাহায্য করে | গ্যাস, অম্বলও কমায় | এছাড়াও যাদের কনস্টিপেশনের সমস্যা আছে তাদের জন্যেও উপকারী | পেট খারাপ হলে পেটে যে ব্যথা করে অনেকসময় তাও কমাতে সাহায্য করে |

১৪)মেটাবলিজম বাড়ায়:নিয়মিত পান খেলে শরীরের মেটাবলিজম বাড়ে | এর ফলে ব্লাড সার্কুলেশন বেড়ে যায় | যা বিভিন্ন প্রটিন, ভিটামিন, মিনারেল অ্যাবজর্ব করতে সাহায্য করতে |

১৫)খিদে বাড়ায়:পেটের পিএইচ লেভেল ঠিক করতে সাহায্য করে পানের রস | এর ফলে পেটে বায়ু হয় না এছাড়াও পেট ফাঁপা কমায় | পান পাতা শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে | এর ফলে খিদে বাড়ে |

আপনি যে কোন হসপিটালে গিয়ে কফ পরীক্ষা করান। পরীক্ষা করালে ্আপনার সমস্যা ধরা পড়বে। আর ধুমপান করলে বাদ দিতে পারেন।
আপনি ডাক্তারের পারামর্শ নিন। ইউরিন পরীক্ষা করলে সমস্যা ধরা পড়বে। পরবর্তীতে চিকিৎসা গ্রহণ করবেন। আর বেশি বেশি পানি পান করুন।

হামদর্দ এর ছাফি খেলে কোন রকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। খুব ভাল ঔষধ। ছাফিতে পুরোনো কাশি, দাদ, পাচড়া, বিখাওজ, কোষ্টকাঠিন্য, ক্ষুধামন্দ দূর করে। রক্ত পরিস্কার করে। বাতের ব্যাথা নিরাময় করে। আরো বেশ কিছু কাজ করে যা মনে নেই। খোশ পাচড়া, ঘামাছি থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য আমি নিজেও শীতের পর পর তিন বোতল ছাফি খাই। ছাফির আরেকটি বড় গুন হলো দেহের স্কিনকে উজ্জ্বল করে, চেহারাকে উজ্জ্বল ও ফর্সা করে তোলে।

এটা বেশিরভাগ মানুষের হয়। পরিস্কার রাখার চেষ্টা করবেন। মাঝে মাঝে পাউডার ব্যবহার করতে পারেন।

1। রাতে পর্যপ্ত ঘুমাবেন।

2। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করবেন।
3। টেনশন কম করবেন।
4। সাবান ব্যবহার করবেন না মুখে।
5। তেল তেলে ভাবটি কমিয়ে রাখার চেষ্টা করবেন।
6। পরিস্কার পরিছন্ন রাখার চেষ্টা করবেন মুখমন্ড।
ভাই ট্যাবলেট খেয়ে সেক্স করলে আপনার যৌন সমস্যা হতে পারে। এমনকি স্থায়ীভাবে যৌন দুর্বলতার সমস্যা হতে পারে। তাই না খাওয়াটাই ভাল হবে।
1 হস্থমৈথন বাদ দিতে হবে আজীবনের জন্য। 2। আর বিয়ে করলে ঠিক হয়ে যাবে। 3। ঠিক না হলে আপনি হোমিও ডাক্তার দেখাতে পারেন।
ভাই আপনার কোন সমস্যা নাই। এটা সবার হয়ে থাকে।