সে হস্তমৈথুনে আসক্ত,কিন্তু সে প্রতিদিন চার ওয়াক্ত নামাজ পড়ে,প্রতিদিন কুরআন পড়ে?
অামার এক বন্ধু সে হস্তমৈথুন অাসক্ত,
সে জানে ইসলামে হস্তমৈথুন করা নিষিদ্ধ।
এবং সে প্রতি দিন অাল্লাহ কাছে ক্ষমা চায়,
এবং যেন নিষিদ্ধ কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য অাল্লাহ সাহয্য চায়,বাট অন্য দিকে প্রতিনিয়ত হস্তমৈথুন করেই চলে,
এখন তারা অামল এর কি হবে?
ইসলামে এই দরনে মানুষকে কিভাবে নেয়?
3 Answers
অবশ্যই সে তার ভাল কাজগুলো করে যাবে এবং সে জন্য আমল অনুযায়ী সাওয়াবের কোন কমতি হবেনা।
আর নিয়মিত তাওবা চালিয়ে যাবে কারন গোনাহ করার পরপর আবার তাওবা করে নেওয়াই উত্তম কাজ। আল্লাহ বলেছেন, আল্লাহ তাওবাকারীদের ভালোবাসেন।
অবশ্য প্রতিবার তাওবা করার সময় তাওবার শর্তগুলো পাওয়া যেতে হবে।
প্রথমে হস্তমৈথুনের ক্ষতির দিকগুলো দেখে নেয়া যাক।
১) লিঙ্গ ছোট হয়ে যায়।
২) অতিরিক্ত হস্তমৈথুন থেকে ধ্বজভঙ্গ ব্যধি সৃষ্টি হয়।
৩) লিঙ্গ বামদিকে বাঁকা হয়ে যায়।
৪) লিঙ্গ পুরোপুরি শক্ত হয় না ।
৫) বীর্যের ঘনত্ব কমে যায়।
৬) লিঙ্গ চিকন হয়ে যায়।
৭) অনেকের লিঙ্গের আগা মোটা এবং গোড়া চিকন হয়ে যায়।
৮) লিঙ্গ নিস্তেজ হয়ে যায়।
৯) দ্রুত বীর্যপাত হয়ে যায়।
১০) বীর্যের পরিমাণ কমে যায়।
আপনি আপনার বন্ধুকে হস্তমৈথুনের এ ক্ষতিকর দিকগুলোর কথা বলুন। এবং সাথে সাথে দ্রুত তার বিবাহের ব্যবস্থা করুন। এবং তাকে ভালো মানুষের সঙ্গ গ্রহণ করতে বলুন। অন্যায় করে ক্ষমা চাওয়া অনেক ভালো একটি গুণ। এবং নিষিদ্ধ কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য আল্লাহর সাহায্য চাওয়াও সুন্দর ও পুণ্যময় একটি গুণ। তবে আপনার বন্ধুকে তাওবা করতে বলুন। আর তাওবার অন্যতম একটি শর্ত হলো ভবিষ্যতে সে গুনাহের কাজ না করার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হতে হবে। তবে আপনার বন্ধু অন্যায় কাজ করার পর যে নামাজ ও কুরআন পড়ছে সেটার সাওয়াব সে পাবে। এবং তার নামাজ হয়ে যাবে। তবে নামাজ চার ওয়াক্ত কেন পড়বে। নামাজ পূর্ণ পাঁচ ওয়াক্ত পড়তে হবে।