যারা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে আবার বীমা ও মাল্টিপারপার্স, (ইসলামী নাম দিয়ে) সংস্থা বানিয়ে..... ব্যবসা করে তাদের শরয়ী হুকুম কি হতে পারে?
1 Answers
ইসলামের নামে প্রচলিত বীমা মাল্টিপারপাসগুলো ইসলামের নাম ব্যবহার করলেও তাতে ইসলামের কিছুই নেই। মানুষকে আকৃষ্ট করার জন্যই মূলত ইসলামের ব্যবহার। মৌলিকভাবে অপরাপর সুদী সংস্থাগুলোর মতই এগুলোর কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সুতরাং এগুলোতে সুদ, জুয়া, প্রতারণাসহ নানা রকম ইসলামী আইন বিহর্ভূত বিষয়াদি রয়েছে। সুদ নেয়া দেয়া, প্রতরণা করা জুয়ার সাথে জড়িত হওয়া সবগুলোই মরাত্মক পর্যায়ের গুনাহের কাজ। এসব করে অর্থ উপার্জন করলে তা হালাল হয় না। সুতরাং যারা এসব করে তারা মারাত্মক পর্যায়ের গুনাহগার। হাদীসের ভাষ্য মতে হারাম ভক্ষণকারীদের দেহ জান্নাতে প্রবেশ করবে না। তারা নামাজ পড়লেও তাদের এসব গুনাহের কাজ বৈধ হয়ে যাবে না। এদের শরয়ী হুকুম হলো, এরা মারাত্মক পর্যায়ের একাধিক কবিরা গুনাহে লিপ্ত। তাদের জন্য তাওবা করা জরুরী। এবং হারাম সম্পদ মূল মালিকদের নিকট পৌঁছে দেয়া জরুরী। এ ছাড়া তাদের পরিত্রাণের কোনো পথ নেই।