নামাজের ওয়াজিব ও সুন্নাত?

নামাজের ওয়াজিব ও সুন্নাত কয়টি ও কি কি ? 

নামাজের মধ্যে একাধিক সুন্নাতের শ্রেণী থাকলে তা কি কি ?

2732 views

1 Answers

<<<<<<<নামজের ওয়াজিব সমূহ>>>>>>>

১। তাকবিরে তাহরিমার সময় আল্লাহু আকবার বলা(আদ্দুররুল মুখতার-মাআ শামী-২/২৭৮)

২। সুরা ফাতেহা পড়া

৩। সূরা ফাতেহার সাথে অন্য সূরা মিলানো

৪। ফজর নামজের প্রথম দুই রাকাত কেরাতে জন্য নির্দিষ্ট করা

৫। কেরাতের পূর্বে সূরা ফাতেহা পড়া

৬। সূরা ফাতেহা একাধিকবার নাপড়া (হিন্দিয়া-১/১২৮)

৭। যেহরী(উচ্চস্বরে কেরাত পড়া হয় এমন) নামজে উচ্চস্বরে কেরাত পড়া

৮। সিররী (অনুচ্চস্বরে কেরাত পড়া হয় এমন) নামজে অনুচ্চস্বরে কেরাত পড়া।(ফাতাওয়া শামী-২১৫)

৯। নামগের রোকন সমূহ ধিরস্থিরভাবে আদায় করা( হিন্দিয়া-১/১২৯)

১০। রুকু থেকে উঠে সোজা হয়ে দাঁড়ানো (শামী-২/১৫৮)

১১। সেজদার মাঝে কপাল ও নাক জমিনের সাথে লাগিয়ে রাখা। (শামী-২/২০৪)

১২। প্রত্যেক রাকাতে এক সেজদার পর অপর সেজদা করা(শামী -২/১৫৩)

১৩। উভয় সেজদার মাঝে বসা। (শামী-২/১৫৮)

১৪। প্রথম বৈঠক করা ।(বাদায়েউস সানায়ে-১/৩৯৯)

১৫। প্রথম বৈঠক ও শেষ বৈঠকে তাশাহ্যুদ পড়া। (শামী -২/১৫৯)

১৬। প্রথম বৈঠকের পরে বিলম্ব নাকরে তৃতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়ানো । (মারাকিল ফালাহ-১৩৬)

১৭। নামজের ক্রিয়া সমূহের মাঝে তারতীব রক্ষা করা। |(হালবী কাবীর-২৯৭)

১৮। সালাম শব্দ দ্বারা নামাজ শেষ করা। (আদ্দুররুল মুখতার মাআ শামী-২/১৬২)

১৯। বেতের নামাজে দোয়ায়ে কুনুত পড়া। (আদ্দুররুল মুখতার মাআ শামী-২/১৬৩)

২০। দুই ঈদের নামজে অতিরিক্ত ছয় তাকবির বলা।(আদ্দুররুল মুখতার মাআ শামী-২/১৬৩)

২১। দুই ঈদের নামজের দ্বিতীয় রাকাতে রুকুর তাকবীর বলা।(মারাকিল ফালাহ-৯৩)

<<<<<<<>নামজের সুন্নাত সমূহ>>>>>>>

১। আজান ও ইকামত বলা।(আদ্দুররুল মুখতার মাআ শামী-২/৪৮)

২। তাকবিরে তাহরিমার সময় উভয় হাত উঠানো।(তানভীরুল আবসার মাআ শামী-২/১৮২)

৩। হাত উঠানোর সময় আঙ্গুলগুলি স্বাভাবিক রাখা। (ফাতাওয়া শামী-২/১৭১)

৪। ইমামের জন্য তাকবীর গুলিউচ্চ স্বরে বলা।(হিন্দিয়া-১/১৩০)

৫। সানা পড়া।(বাদায়েউস সানায়ে- ১/৪৭১)

৬। আউযুবিল্লাহ পড়া।(বাদায়েউস সানায়ে- ১/৪৭২)

৭। বিসমিল্লাহ পড়া। (বাদায়েউস সানায়ে- ১/৪৭৪)

৮। অনুচ্চস্বরে আমীন বলা। (বাদায়েউস সানায়ে- ১/৪৭৩)

৯। সানা, আউযুবিল্লা্ বিসমিল্লাহ, আমীন অনুচ্চস্বরে বলা। (হিন্দিয়া-১৩১)

১০। হাত বাধার সময় বাম হাতের উপর ডান হাত রাখা।(হিন্দিয়া-১/১৩১)

১১। পুরুষের জন্য নাভির নিচে, আর মহিলার জন্য বুকের উপর হাত বাঁধা।(হিন্দিয়া-১/১৩০)

১২। এক রোকন থেকে অন্য রোকনে যাবার সময় “আল্লাহু আকবার” বলা।(বাদায়েউস সানায়ে- ১/৪৮৩-৪৮৯)

১৩। একাকী নামাজ পাঠকারির জন্য রুকু থেকে উঠার সময় “সামিয়াল্লাহুলিমান হামিদা” ও “রব্বানা লাকাল হামদ” বলা। ইমামের জন্য শুধু “সামিয়া’ল্লাহু লিমান হামিদা” বলা আর মুক্তাদির জন্য শুধু “রব্বানা লাকাল হামদ” বলা।(মারাকিল ফালাহ-২৭৮)

১৪।রুকুতে “সুবহানা রব্বিয়াল আযীম” বলা।(বাদায়েউস সানায়ে- ১/৪৭৮)

১৫ সেজদায় বলা “সুবহানা রব্বিয়াল আ’লা”।(বাদায়েউস সানায়ে- ১/৪৯৪)

১৬।রুকুতে উভয় হাটু আকড়ে ধরা। (বাদায়েউস সানায়ে- ১/৪৮৭)

১৭। রুকুতে পুরুষের জন্য উভয় হাতের আঙ্গুল ফাঁকা রাখা। আর মহিলার জন্য মিলিয়ে রাখা।(শামী-২/১৭৩)

১৮। পুরুষের জন্য নামজে বসার সময় বাম পা বিছিয়ে তার উপর বসা ও ডান পা খাড়া রাখে আঙ্গুলগুলো কেব্লার দিক করে রাখা। আর মহিলার জন্য উভয় পা ডান দিকে বের করে জমিনের উপর বসা।(বাদায়েউস সানায়ে-১/৪৯৬)

১৯। শেষ বৈঠকে তাশাহ্যুদের পর দুরুদ শরীফ পড়া।(বাদায়েউস সানায়ে-১/৫০০)

২০। দুরুদের পর দোয়া পড়া। হিন্দিয়া-১/১৩০)

২১। তাশাহ্যুদে “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ” বলার সময় শাহাদাত(তর্জনি) আঙ্গুল দ্বারা কেবলার দিকে ইশারা করা।(বাদায়েউস সানায়ে-১/৫০১-৫০২)

2732 views Answered

Related Questions

Next steps