জানি না, কি করবো বা কি করা উচিত?
ছোট বেলায় বাবা মারা যায়, আর্থিক অবস্তা ও ভালো না, কোনো-মতে পাশ করলাম ইন্টার, রেজাল্ট হলো মোটামোটি, সরকারি তে চান্স পেলাম না, গেলাম "National University" তে ভর্তি হয়ে, ১ম বর্ষের পরিক্ষার ২দিন আগে কেন জানি ব্রেন স্টক করলাম, একবার না, পর-পর ২বার ... এখন পড়াশুনাও ছেড়ে দিলাম কারন মা এর পক্ষে সম্বভ হচ্ছিলো না টাকা দেয়ার, ছোট থেকে কোনো বন্ধু নেই, না আছে ফেসবুক বন্ধু .... তাই টিউশনি ও পেলাম না, কারন দেওয়ার মত কেউ নেই ........ চাকুরী নাম এর সোনার হরিণ ও পাচ্ছি না, কারন "HSC" পাশ এর কি দাম ? ভাবছি "Sucide" করবো, কিন্তু ছোট ২টা ভাই + মা .... ওদের কে দেখবে .... আজ ঘরে বসে আছি মেয়েদের মত ....... চুপ-চাপ থাকি, মা কে দেখলে কষ্ট পাই + কাদিও .... চাকুরী যাও হয়েছিলো > বলে ৫০/৬০হাজার ঘুষ দিতে ...... মা তো তার কলিজা ছিড়ে খাওয়াতে চায়, কিন্তু সন্তান কি পারে মা কে কষ্ট দিতে । মার্কেটিং এর চাকুরী গুলার অনেক ধৈর্য লাগে, সত্যি বলতে আমার তাও নেই ....... পারি সুধু এক কাজ .... কম্পিউটার এ ভালো টাইপিং আর "Google Searching" আর হ্যা ইংলিশ মুভি দেখতে ............
কি হবে আমাকে দিয়ে , মনে হয় কিছু না ........
আমার প্রশ্ন টা হলো, জিন্দা লাশ হয়ে কাফন এর কাফন পড়ে বসে থাকবো নাকি আত্মহত্যা করে পরিবার এর বোঝ কমাবো ........ ?
অদ্ভুত আমার এক জীবন ....... লিখতে লিখতে কান্না চলে আসছে ......
মুখে এত কথা বলতে ১০বছর লাগতো ....... লিখে "Bissoy" তে প্রকাশ করলাম
2 Answers
আত্মহত্যা মহা পাপ।
তাই প্রথমত এই কাজ করা থেকে বিরত থাকুন।
আপনি ধৈর্য হারিয়ে ফেলছেন কেনো.???
ধৈর্য ধারন করুন।
মহান আল্লাহতালা ধৈর্য ধারন কারীদের পছন্দ করেন।
আপনি হয়তো বাড়ির বড় ছেলে
মার কষ্ট সহ্য করতে পারছেন না তাই একটু আবেগ প্রবণ
হয়ে গেছেন।
আচ্ছা ১ মিনিট এর জন্য ধরে নিলাম সুইসাইড করবেন
তার পর কী হবে।??
আপনার মার যে কষ্ট হচ্ছে তা কী কমবে না তা কখনো
কমবে না বরং আরো বেড়ে যাবে।
মাকে যদি কষ্ট দিতে না চান তাহলে সুইসাইড করার চিন্তা
মাথা থেকে দূর করুন।
এই বার আশা যাক চাকুরীর কথায়ঃ
চাকুরী নামক সোনার হরিন পাবা সহজ কথা নয়।
চাকুরী পেতে হলে ধৈর্য ধারন করতে হবে।
শুধু চাকুরীর আসাতে বসে থাকলে চলবে না নিজেকেও
তো চাকুরী খুজতে হবে তাই নয় কী.???
এখন চাকুরী পাওয়া আর উলো বনে মুক্তা খোজা সমান
ব্যাপার বলে আমমি মনে করি।
কিন্ত এটা ভেবে বসে থাকলে কী চলবে বলুন.???
নিজেকে গড়ে নিতে হবে।
কোন কাজ কে ছোট মনে করলে চলবে না।
আমি ব্যাক্তিগত ভাবে মনে করি যার টাকা আছে তার সব
আছে আর যার টাকা নাই তার কিছু নাই।
কিন্ত তাই বলে কী জীবন থেমে যাবে বা থাকে
তা কিন্ত নয় জীবন প্রবাহ মান নদী।
সে ছুটে চলে তার মতো করে।
আপনি চাকুরীরর আশাতে বসে না থেকে কোন দোকানে
তো কাজ নিতে পারেন।
এতে করে কিছুটা হলেও মাকে সাহায্য করতে পারবেন।
এটাই ভালো হবে কোন দোকানে কাজ নেওয়া।
যাতে নিজে চলতে পারেন।
আপনি নামায পড়ুন লিখেছেন না কান্না চলে আসে
ভাই মানুষের সামনে কান্না করলে তারা শুধু এই টুকু বলবে
আহারে কী দুঃখ তোমার তার বেশী আর কিছু না।
কিন্ত আল্লাহ্ কাছে আপনার কষ্টের কথা বললে
আল্লাহ্ আপনার কষ্ট দূর করে দেবেন।
আপনি ৫ ওয়াক্ত নামায পড়ুন আল্লাহ্ কে ডাকুন
দেখবেন সব ঠিক হয়ে গেছে।
ধন্যবাদ।
ভাই একটা কথা মনে রাখবেন রিজিখের মালিখ আল্লাহ। তাই ধর্য্য হারা হবেন না। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করুন। আল্লাহ কবুল করবেন।বর্তমানে যেকোনো কাজে লেগে যান। আরেকটি কথা মনে রাখবেন দুঃখের পরেই সুখ আসে।আাবার বলছি যেকোনো কাজ করেন বেকার থাকবেন না। পরিশ্রম ও কর্মের ফল অবশ্যই আপনার পেতে হবে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy