6 Answers
কোনো নামাযের আগে যদি ছয় সাতবার সহবাস করেন তাহলে সেই নামায আদায়ের জন্য আপনাকে একবার গোসল করলেই হবে। তাছাড়া আপনি যদি বিভিন্ন ওয়াক্ত নামাযের আগে বা পরে যতবার সহবাস করবেন তাহলে পরবর্তি ও পূর্ববর্তি নামাযের জন্য ততবার গোসল করতে হবে। মনে করেন আপনি ফজরের আগে ৬-৭ বার সহবাস করলেন ফজরের নামাজের আগে পবিত্রতা অর্জনের জন্য একবার গোসল করলেই হবে।
একবার হোক আর দুইবার হোক সেটি কোন বিষয় না । আপনার উপর গোসল ফরজ হলে আপনাকে গোসল করে নিতে হবে । সাতবার সহবাস করেছেন তাতে কোন সমস্যা নাই । তবে এর মাঝে যদি নামাজের সময় হয়ে যায় তাহলে আপনাকে গোসল করে নামাজ আদায় করতে হবে । তারপর আপনি যদি আবার সহবাস করেন তাহলে সহবাসের পর আপনাকে পবিত্রতা অর্জনের জন্য আবার গোসল করতে হবে । তাছাড়া আপনি যে একবার গোসল করেন তাতেই আপনার পবিত্রতা অর্জন হয়ে যাবে কোন সমস্যা নাই ।
সারা রাত সহবাস করার পর সকালে যত দ্রুত সম্ভব গোসল করে নেওয়া উত্তম ৷
আর দিনের বেলায় সহবাস করাতে কোন বিরতি না নিয়ে থাকলে ১ বার গোসল করলেই হবে ৷ যদি সকালে একবার আর বিকালে একবার করেন মাঝখানের সময় টুকু বিভিন্ন কাজ করন তবে ১বারে গোসল করাটা ঠিক হবে না ৷
সহবাসের সময় নাপাকী আপনার কাপড় বা শরীরের অন্য কোথাও যদি না লাগে তাহলে একবার গোসল করলেই জায়েয হবে।
আল্লাহ বলেন ( নিশ্চয় আল্লাহ পবিত্রতা অর্জনকারীদের ভালোভাসেন)
আপনার ভাষ্যমতে, আপনি দিন ও রাত মিলিয়েই ৬-৭ বার সহবাস করেন। আর ইসলামে দিন ও রাত মিলিয়ে রয়েছে ৫ ওয়াক্ত নামাজ। যেহেতু আপনি ২৪ ঘন্টায় ৬-৭ বার সহবাস করেন, সেহেতু আপনাকে শুধু একবার গোসল করলেই হবে না। যদি আপনি ফজরের পর সহবাস করেন, তাহলে যোহরের আগে গোসল করে যোহর নামাজ পড়তে হবে। যদি যোহরের পর সহবাস করেন, তাহলে আসরের আগে গোসল করে আসর নামাজ পড়তে হবে। যদি আসরের পর সহবাস করেন, তাহলে মাগরিবের আগে গোসল করে মাগরিব নামাজ পড়তে হবে। যদি মাগরিবের পর সহবাস করেন, তাহলে এশার আগে গোসল করে এশার নামাজ পড়তে হবে। যদি এশার পর সহবাস করেন, তাহলে ফজরের আগে গোসল করে ফজর নামাজ পড়তে হবে। যেহেতু নামাজ পড়া ফরজ ও অপবিত্র অবস্থায় নামাজ পড়া যায় না (সেজন্য গোসল করাও ফরজ), সেহেতু যেই ওয়াক্তের আগে সহবাস করবেন, সেই ওয়াক্তের আগে ফরজ গোসল করে পবিত্র হয়ে নামাজ আদায় করে নিবেন। ধন্যবাদ।