2 Answers

হ্যা, শরিয়ত অনুযায়ী জায়েয হবে।

সন্তানকে দুধ পান করানোর সময়কাল হ’ল দু’বছর। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘মায়েরা তাদের সন্তানকে পূর্ণ দু’বছর দুধ পান করাবে’ (বাক্বারাহ ২৩৩, লোকমান ১৪ ও আহক্বাফ ১৫)। তবে দু’বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও দুধ পান করালে কোন দোষ নেই। মূলতঃ আয়াত সমূহে দু’বছর দুধ পান করানোর সময়সীমা নির্ধারণের উদ্দেশ্য হ’ল, দু’বছর পর যদি কোন বাচ্চা অন্য কোন মহিলার দুধ পান করে, তাহ’লে ঐ বাচ্চা তার দুধ সন্তান হিসাবে গণ্য হবে না। বরং তা সাধারণ খাদ্য হিসাবে গণ্য হবে’ (তাফসীর ইবনে কাছীর; ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৩৪/৬৩)।

দুধ পান সহ সন্তানের সার্বিক প্রতিপালন পিতা-মাতার দায়িত্ব। এ দায়িত্ব পালন না করলে তাদেরকে আল্লাহ্র নিকট জবাবদিহিতার সম্মুখীন হতে হবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, মহিলা ও তার স্বামী তার সন্তানের দায়িত্বশীল। অতএব তাদেরকে স্বীয় দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হতে হবে (বুখারী হা/২৪০৯, মুসলিম হা/৪৮২৮)। তবে  মি‘রাজের রাত্রে রাসূল (ছাঃ) মহিলাদের বুকে সাপে কামড়াতে দেখলেন এবং পরে জানলেন যে, তারা দুনিয়াতে সন্তানদের বুকের দুধ খাওয়াতো না’ এ কথা ভিত্তিহীন।

সূত্রঃ-islamesite.wordpress.com

3023 views

হিজরী সন অনুযায়ী দুবছর এর পর বুকের দুধ পান করানো না জায়েজ। আর আড়াই বছর সময় পর্যন্ত কেউ অন্য সন্তানকে বুকের দুধ পান করালে দুধের সম্পর্ক স্থাপন হয়ে যাবে, তবে সেটি না জায়েজ বহাল থাকবে দুই বছর উপরে হওয়ার কারনে। আড়াই বছর পর হলে দুধের সম্পর্ক স্থাপন হবে না। 

সূত্র- পর্দা সম্পর্কিত প্রশ্ন-উত্তর

3023 views

Related Questions