2 Answers

যদি কোন নারী, পুরুষ বিয়ের আগেই যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হয় তাহলে তারা জেনাকারি হবে এতে তারা জেনাকারির শাস্তি পাবেন।  আর জেনাকারির জন্যে জাহান্নামের আগুন ফরজ হয়ে যায়। এরপর তারা বিয়ে করলেও তার শাস্তি পেতে হবে। কারন আল্লাহ যৌন সস্পর্ক শুধুমাত্র স্বামি-স্ত্রীর মধ্যে হালাল করেছে।  আর যখন তারা যৌন কর্ম করেছে তখন তারা স্বামি-স্ত্রী ছিলেন না। আর তাদের দুনিয়তে শাস্তি স্বরূপ ১০০ দোরহা মার ও বিয়ে দিতে হবে। এ সম্পর্কে কিছু দলিল:

“আর যারা আল্লাহ ব্যতীত অপর কোন ইলাহের ইবাদত করে না, আল্লাহর নিষিদ্ধকৃত প্রাণী যথার্থ কারণ ব্যতীত হত্যা করে না এবং ব্যভিচার করে না। আর যে ব্যক্তি এসব কাজ করে, সে শাস্তি ভোগ করবে। কিয়ামতের দিন তার শাস্তি দ্বিগুণ করা হবে এবং সেখানে সে হীন অবস্থায় চিরস্থায়ী হবে। তবে তারা নয়- যারা তাওবা করে এবং সৎ কাজ করে, আল্লাহ তাদের মন্দ কাজগুলো ভাল কর্ম দিয়ে পরিবর্তন করে দেন, আল্লাহ ক্ষমাশীল ও দয়াশীল”। (সূরা আল-ফুরকান ৬৮-৬৯)
 
“ব্যভিচারী ও ব্যভিচারিণী উভয়কে এক’শ ঘা করে বেত্রাঘাত কর। আল্লাহর বিধান কার্যকরী করবে এদের প্রতি দয়া যেন তোমাদের অভিভূত না করে। যদি তোমরা আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাসী হয়ে থাক। ঈমানদারদের একটি দল যেন এদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে”। (সূরা আন নূর ২)
আলেমগণ বলেছেন, এটাই হচ্ছে অবিবাহিত পুরুষ-মহিলার ব্যভিচারের ইহকালীন শাস্তি। যদি তারা বিবাহিত হয় বা জীবনে একবার হলেও বৈবাহিক বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিল এমন হয়ে থাকে, তাহলে তাদেরকে পাথর নিক্ষেপে হত্যা করতে হবে। এটা হাদীসের নির্দেশনা । এ মৃত্যুদণ্ডেও যদি তাদের পাপের পূর্ণ প্রায়শ্চিত্ত না হয় এবং তারা উভয়েই তওবা না করে মারা যায় তাহলে তাদেরকে জাহান্নামের আগুনে পোড়ানো লৌহদণ্ড দিয়ে শাস্তি দেয়া হবে।
যবূর কিতাবে বর্ণিত আছে, “ব্যভিচারী নারী-পুরুষের লিংগ রশি দ্বারা বেঁধে জাহান্নামের আগুনে ঝুলানো হবে এবং লোহার ডান্ডা দিয়ে তাদের জননেন্দ্রিয়ে আঘাত করা হবে। আঘাতের যন্ত্রণায় যখন চিৎকার করবে, তখন জাহান্নামের ফেরেশতারা বলবে; পৃথিবীতে যখন তোমরা আনন্দ ফুর্তি করতে, হাসতে এবং আল্লাহর কথা স্মরণ করতে না এবং তাঁকে লজ্জা পেতে না, তখন এ চিৎকার কোথায় ছিল।
  রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেছেন,
“কিয়ামতের দিন আল্লাহ তায়ালা তিন ব্যক্তির সাথে কথা বলবেন না, তাদের দিকে তাকাবেন না, তাদেরকে পবিত্রও করবেন না এবং তাদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক কঠোর শাস্তি নির্ধারিত থাকবে। তারা হচ্ছে বৃদ্ধ ব্যভিচারী, মিথ্যাবাদী শাসক এবং অহংকারী গরীব”। [মুসলিম ও নাসায়ী
3013 views Answered

অবিবাহিত কোনো নারী-পুরুষ ব্যভিচারে লিপ্ত হলে, তাদের

হদ তথা শাস্তি স্বরুপ (হানাফি মাযহাব অনুসারে) উভয় কে

১০০ টি বেত্রাঘাত করতে হবে। 

এরপর, তাদেরকে বিয়ে করা অর্থাৎ মুমীন নরের সাথে

ব্যভিচার নারীর বিবাহ অথবা এর বিপরীত।

বা, মুশরিকা নারীর সাথে মুমীন নরের বিবাহ অথবা এর বিপরীত। 

এই সকল অবস্থায় মুমীনদের জন্য ব্যভিচার বা মুশরিকদের কে বিবাহ করা হারাম। 

3013 views Answered

Related Questions