4 Answers
এটা ইসলামে বলা আছে তাই আমারা মানতে বাধ্য। এছাড়া বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে দেখলে একজন পুরুষ যদি একাধিক নারীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তাহলে ঐ সন্তানদের মা-বাবা উভয়কেই DNA পরীক্ষার মাধ্যমে সনাক্ত করা যায়। কিন্তু একটা নারী যদি একাধিক পুরুষের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তাহলে তার সন্তানদের বাবা কোনটা DNA পরীক্ষার মাধ্যমেও জানা যাবে না। এটা বৈজ্ঞানিকভাবেও প্রমাণিত।
প্রথম কথা হলো মুসলিম জাতির ধর্মীয় আইন মানা ফরজ বা আবশ্যিক। সুতরাং ইসলামের নির্দেশ এরকম তাই এটা মানা বাধ্যতা মূলক।এর পরে এর বৈজ্ঞানিক ও যৌক্তিক কারণ রয়েছে... #বৈজ্ঞানিক কারণঃ একজন মহিলা একাধিক পুরুষকে বিয়ে করলে বা একাধিক পুরুষের সাথে সেক্স করলে এইডস সহ অনেক বড় বড় রোগ হতে পারে। #যৌক্তিক কারণঃ একাধিক স্বামীর ঐরসে সৃষ্ট সন্তান কোনো স্বামী/পুরুষই গ্রহণ করবে না। মধু খেতে আসবে এবং খেয়ে চলে যাবে। কিন্তু এর ভার পোহাতে হবে ঐ মহিলা ব্যক্তিটির। সে তখন অসহায়ত্বের মধ্যে পড়ে যাবে। ★কিন্তু পরুষের বেলায় এমন কোনো সমস্যা নেই।
একজন পুরুষ চারটি বিয়ে করলেও কে বাবা কে মা এটা চিঞ্ছিত থাকে।আর একটা নারী চারজন পুরুষের কাছে বিয়ে বসলে বাবার পরিচয় টা কি হবে।সন্তানের বাবা কি চারজন হবে নাকি একজন।নিজের পিতা ব্যাতীত অন্য কাউকে বাবা বলে ডাকা তো কুফুরী।
★কুরআনে আল্লাহ তায়ালা সূরায়ে নিসার ১ম আয়াতে বলেছেন.......... ++((হে মুমিনগন....ভয় করো সেই আল্লাহকে যিনি তোমাদেরকে জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করছেন))++ সূরা নিসা→আয়াত ১ লক্ষনীয়→→আল্লাহ বলেছেন জোড়ায় জোড়ায়....অর্থাৎ সমস্ত মানুষই দুনিয়াতে আসার আগে তার সাথী আল্লাহ মিলিয়ে দেন। এখান থেকে স্পষ্ট প্রতিয়মান যে....একজন পুরুষ আর একজন নারীর কথা এখানে বলা হয়েছে। এবং এর দ্বারা একজন নারীর একজন স্বামী গ্রহনের কথা ইঙ্গীত করা হয়েছে। ★আর একটু এগিয়ে সামনের আয়াতে আল্লাহ বলেছেন............ ++((আর তোমরা তোমাদের মধ্য থেকে দুই..তিন..অথবা চারজন কে নিজের জন্য বেছে নাও))++ লক্ষনীয়ঃ→→দুই তিন অথবা চার,,,,এই বাক্যের মাধ্যমে একজন পুরুষের সর্বোচ্চ ৪ জন স্ত্রী গ্রহনের ইঙ্গিত করা হয়েছে। ★★প্রশ্ন আসে...যে.. সব পুরুষরাই কি ৪ জন বিবাহ করতে পারবে???? +++++উত্তরঃ→→ না। কেনোনা......শরীয়ত এটা বলে যে,,,যদি কোনো মুসলমানের সম্পদ+সামর্থ্য এতই কম হয় যে...সে নিজেই চলতে পারেনা।তাহলে তার উপর বিবাহ নিষিদ্ধ।কারন....স্ত্রীর হক আদায় করার সামর্থ্য তাহার নেই। ★যে ব্যক্তি একজন স্ত্রীর হক আদায় করতে পারে কিন্তু যদি অপর বিবাহ করে অন্য স্ত্রীকে বহন করার সামর্থ্য না থাকে তাহলে সে দ্বিতীয় বিবাহ করতে পারবেনা ★তেমনি ভাবে,,কোনো ব্যক্তি যদি ৪ জন স্ত্রীর হক আদায়ের সামর্থ্য রাখে...তাহলে সে ৪ টা বিবাহ অনায়াসে করতে পারবে কিন্তু এই প্রত্যেকটা বিবাহতে অন্যান্য স্ত্রীদের ইযাযত (অনুমতি) থাকতে হবে। ★★আশা করি প্রশ্নকারী ভাই..... উত্তরটা পেয়েছেন★★ ★হাফেজ মুহাঃ মাসউদ বিন নূর★