2 Answers
১. ফযর = সুন্নাত ২ রাকাত , ফরজ ২রাকাত ।
২. যোহর = সুন্নাত ৪ রাকাত, ফরজ ৪ রাকাত, সুন্নাত ২ রাকাত, নফল ২রাকাত( নফল দুই রাকাত পড়লে সওয়াব না পড়লে গুনাহ নেই)
৩. আসর = সুন্নাত ৪ রাকাত( পড়লে সওয়াব না পড়লে গুনাহ নেই), ফরজ ৪(রাকাত)
৪. মাগরিব = ফরজ ৩ রাকাত, সুন্নাত ২ রাকাত, নফল ২ রাকাত(পড়লে সওয়াব না পড়লে গুনাহ নেই)
৫. এশা = সুন্নাত ৪ রাকাত(পড়লে সওয়াব না পড়লে গুনাহ নেই) ফরজ ৪ রাকাত, সুন্নাত ২ রাকাত, নফল ২(পড়লে সওয়াব না পড়লে গুনাহ নেই), বিতির ৩(রাকাত)।
ব্রেকেটের মধ্যে লেখা"পড়লে সওয়াব না পড়লে গুনাহ নেই" এই রাকাত গুলো আপনি চাইলে আদায় করে নিতে পারেন আবার নাও পারেন । বাকি রাকাত গুলো অবশ্যই আদায় করতে হবে ।
আর হ্যাঁ নির্দিষ্ট দলিল দিতে পারলাম না । তবে এই নিয়ম সব নামাজ শিক্ষা বইয়েই আছে এবং বিভিন্ন আলেমের কাছ থেকেও জানা ।
আপনি যাচাই করে দেখতে পারেন ।
আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত-
"মুহাম্মদ (স.) এর উপর বাধ্যতামূলক করা বিষয় সমূহের মধ্যে ছিলো নামাজ, যা কিনা দুই রাকআত। তবে মাগরিব ব্যতীত, যা ছিলো তিন রাকআত। তারপর আল্লাহ জোহর, আসর এবং এশা-কে চার রাকআত করে দিলেন, তবে ভ্রমণরত অবস্থায় থাকলে পূর্বের নিয়ম প্রযোজ্য হবে।"
-মুসনাদে আহমদ, ২৫৮০৬।
মহানবী (স.) বলেছেন,
"তোমরা সেভাবে নামাজ পড়ো, যেভাবে আমাকে পড়তে দেখো"
-বুখারি, পূর্ণ হাদিস দেখুন।
"আল্লাহ সেইসব লোকেদের জন্য বেহেশতে একটি ঘর নির্মাণ করবে যারা আগ্রহের সহিত এই ১২ রাকআত সুন্নত নামাজ আদায় করবে: যোহরের পূর্বে ৪ রাকআত ও পরে ২ রাকআত, মাগরিবের পরে ২ রাকআত, এশার পরে ২ রাকআত এবং ফজরের পূর্বে দুই রাকআত।"
-তিরমিযি, ৩৭৯; সহীহ্ আল জামী', ৬১৮৩; আরও বিভিন্ন কিতাবেও এসেছে।
আসরের জন্য কোনো নির্ধারিত সুন্নত নেই, তবে ফরজের পূর্বে ৪ রাকআত পড়ার দিকনির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
মুহম্মদ (স.) বলেছেন,
"আল্লাহ তাকে ক্ষমা করুন, যে আসরের পূর্বে ৪ রাকআত (নামাজ) পড়ে।"
-তিরমিযি, ৩৯৫; সহিহ্ আল জামী, ৩৪৯৩।
এরকম আরও অনেক হাদীস আছে, আশা করি আপনার উত্তরের জন্য এগুলোই যথেষ্ট।
(উল্লিখিত হাদীস সমূহের অনুবাদ অক্ষরে অক্ষরে সঠিক নয়, তবে ভাবগত কোনো পার্থক্য নেই)