4 Answers
রাত জেগে থাকার পর দিনে যদি ঘুমানো হয় তবে, স্বপ্ন দোষ হবার সম্ভবনা থাকে বেশি। শরীর দূর্বল হবার কারনে এমনটি হয়। রাতের ঘুম আর দিনের ঘুমের মধ্যে অনেক পার্থক্য বিদ্যমান। এই ঘুম সঠিক ভাবে সম্পন্ন না হবার কারনে শরীরের মধ্যে ঘুমের চাহিদা থেকেই যাচ্ছে। যার ফলে লক্ষ করে থাকবেন হয়তবা দিনের বেলায় শরীরে কাঁপুনি সৃষ্টি হয় মাঝে মাঝে। পর্যাপ্ত ঘুমান। পুষ্টিযুক্ত খাবার খান, পানির একটু বেশি খান। আবার কখনো কখনো এমনো হতে পারে শরীরির দুর্বলতা থাকা অবস্থায় অনেক বেশি পুষ্টি যুক্ত, শক্তিশালি খাবার খাওয়ার কারনেও স্বপ্নদোষ হয়ে থাকে, এই দিকটাও খেয়াল রাখতে হবে।
স্বপ্নদোষ আসলে কোন মারাত্নক রোগ বা অসুখ নয়। এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া যা সকলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।কারন প্রতিনিয়ত আমাদের বীর্য থলি পরিপূর্ণ হয়ে যাচ্ছে।তাই সেগুলো কমানোর জন্য স্বপ্নদোষ ও প্রসাবের মাধ্যমে বের হয়ে যায়।তবে অতিরিক্ত (মাসে ৫-৬ বারের বেশি) স্বপ্নদোষ হলে চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।
::স্বপ্নদোষ দুর করতে করণীয়:: ১. আয়াতুল কুরসি পড়ে ঘুমান। ২.যৌন চিন্তা,পর্ণগ্রাফি দেখা,খারাপ অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। ৩. সবসময় টেনশন,ধুমপান ও দুশ্চিন্তামুক্ত এবং পর্যাপ্ত ঘুমাবেন। ৪. ঘুমানোর আগে প্রসাব ও রাত্রে উঠে প্রসাব করবেন। ৫. প্রতিদিন সকালে ২চা চামচ মধু পান করলে সুফল পাবেন। ৬. দৈনিক বেশি পরিমাণে পানি পান করবেন। ৭. ইসবগুলের ভূসির শরবত অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ রোধ করে। ৮. সব ধরনের উত্তেজক খাদ্য ও মেডিসিন গ্রহন থেকে বিরত থাকবেন।
:::অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে হামদর্দ এর "জারনাইড" সিরাপ টি সেবন করুন। এছাড়াও যৌন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।
copi to -Atikul islam
স্বপ্নদোষে ভয়ের কিছু নেই এটা হয়েই থাকে তবে আপনার যদি অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হয় তাহলে সমস্যা আছে । আপনি একজন ভালো যৌন ডাক্তারের পরামর্শ নিন এবং তার নির্দেশনা মেনে চলুন ।