হস্তমৈথন?
8 Answers
হস্তমৈথুন থেকে বাচার উপায় ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলুন। লিঙ্গ উত্তেজিত হলে হাত দ্বারা স্পর্শ করবেননা কোন পর্ণ ভিডিও বা উত্তেজনাকর মুভি দেখবেন না। অশ্লীল কোন কিছুর ধারে কাছে থাকবেন না। আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস রাখুন। বাসায় একা থাকবেন না। হস্তমৈথুনের ক্ষতিকর দিক (1)চোখের দৃষ্টি শক্তি কমে যায়। (2)শরীর দুর্বল হয়ে যায়। (৩)যৌন শক্তি কমে যায়। (৪)সামান্য উত্তেজনায় উত্তেজনায় যৌনাঙ্গ থেকে তরল পর্দাথ বের হয়। আশা করি আপনি আপনার উত্তর পেয়ে গেছেন।
হস্তমৈথুন একটি বাজে অভ্যাস। হস্তমৈথুনের ফলে শারীরিক ও মানসিক উভয় দিকেই ক্ষতি করে। এ অভ্যাস থেকে মুক্তি পেতে চাইলে আগে নিজের মনোবল বৃদ্ধি করতে হবে। আর যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি করে এরকম ভিডিও, গান, ছবি, ম্যাগাজিন, ফিল্ম ইত্যাদি থেকে দূরে থাকতে হবে। কথায় আছে অলস মস্তিষ্ক শয়তানের বাসা। তাই সব সময় একা একা না থেকে নিজেকে বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত রাখতে হবে। এবং ধর্মীয় রীতি-নীতি মেনে চলতে হবে।
হস্তমৈথুন এক প্রকার বদ অভ্যাস। এটি শুধু যৌন শক্তিকে নয় পুরো শরিলের ক্ষতি করে। যার ফলে স্বামী-স্ত্রী দৈহিক সম্পর্ক বিচ্ছিন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। হস্ত মৈথুন এমন একটা অভ্যাস যা করলে পরবর্তীতে পূণরায় করতে আসক্ত করে। তবে সহজেই এটি নিরূপন করা সহজ মনেহয় না, একটু চেষ্টা করে কিছুদিন বন্ধ রাখতে কিছু আয়ত্বে আনা যাবে এবং ধীরে ধীরে বন্ধ হবে। এ থেকে পরিত্রান পাওয়ার উপায়গুলো নিম্নরূপ : * পাচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করুন। * আশ্লিলভাবে কাউকে ভাবা বন্ধ করুন। * অশ্লিল ভিডিও থেকে দূরে থাকুন। * খারাপ বন্ধু ত্যাগ করুন। * যৌন অঙ্গ স্পর্শ থেকে বিরত থাকুন। *
হস্তমৈথুন থেকে বাঁচার উপায়
•১) পুরো শরীর দুর্বল হয়ে যায়
এবং শরীর রোগ- বালাইয়ের
যাদুঘর হয়ে যায়।
•২)চোখের ক্ষতি হয়।
•৩) স্মরণ শক্তি কমে যায়।
•৪) মাথা ব্যথা হয়।
•৫) আর উভয়েরই সামান্য উত্তেজনায়
যৌনাঙ্গ থেকে তরল পদার্থ বের হয় ।
ফলে অনেক মুসলিম ভাই- বোনেরা
সালাত পড়তে পারেন না । -ইত্যাদি
আরো অনেক অজানা সমস্যা
হয় হস্তমৈথুনের কারণে ।
→ বাঁচার উপায়...
)কোন কারণে লিঙ্গ উত্তেজিত
হলে হাত দ্বারা স্পর্শ করবেন না।
)অশ্লীলতার ধারে কাছেও যাবেন
না এবং খারাপ কিংবা অশ্লীল ছবি
দেখবেন না ।
)ফেছবুকে বা অন্য কোথাও অশ্লীল
কিছু দেখলে নিজেকে বিরত রাখার
সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন ।
)সর্বদা আল্লার প্রতি ভয় রাখবেন ।
)যেহেতু এটি হারাম তাই আপনার
ইচ্ছা শক্তি দৃঢ় রাখবেন, তাহলেই হারাম
থেকে বাচতে আল্লাহও সাহায্য করবেন ।
হস্তমৈথুন এর ক্ষতি অপূরনীয়। নানান ক্ষতির দিক গুলোর মধ্যে বড় ক্ষতি আপনি একজন দুর্বল পুরুষ হিসাবে বিবেচিত হবেন। হস্তমৈথুনের ক্ষতিকারক দিক সমূহ
আপনি ভাল হতে চাচ্ছেন এই চিন্তাটাই আপনাকে ভাল হতে সাহায্য করবে। এখন আপনাকে আপনার চিন্তার উপর অটল থাকতে হবে। দৃঢ় হতে হবে। আস্তে আস্তে ছেড়ে দিতে পারবেন।
পর্ন, নাটক, ফিল্ম, ফেসবুকে মেয়েদের ছবি/ভিডিও দেখা ইত্যাদি ত্যাগ করুন।
হস্তমৈথুন ছাড়ার টিপস : – কোন কোন সময় হস্তমৈথুন বেশি করেন, সেই সময়গুলো চিহ্নিত করুন। বাথরুম বা ঘুমাতে যাওয়ার আগে যদি উত্তেজিত থাকেন, বা হঠাত কোন সময়ে যদি এমন ইচ্ছে হয়, তাহলে সাথে সাথে কোন শারীরিক পরিশ্রমের কাজে লাগে যান। যেমন বুকডন বা অন্য কোন ব্যায়াম করতে পারেন। যতক্ষণ না শরীর ক্লান্ত হয়ে যায়, অর্থাৎ হস্তমৈথুন করার মত আর শক্তি না থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত সেই কাজ বা ব্যায়াম করুন। গোসল করার সময় এমন ইচ্ছে জাগলে শুধু ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করুন এবং দ্রুত গোসল ছেড়ে বাথরুম থেকে বের হয়ে আসুন। – মেয়েদের দিকে কুনজরে তাকাবেন না। তাদের ব্যাপারে বা দেখলে মন আর দৃষ্টি পবিত্র করে তাকাবেন। নিজের মা বা বোন মনে করবেন। – যতটা সম্ভব নিজেকে কাজে ব্যস্ত রাখুন। – ধৈর্য ধরতে হবে। একদিনেই নেশা থেকে মুক্তি পাবেন, এমন হবে না। একাগ্রতা থাকলে ধীরে ধীরে যে কোন নেশা থেকেই বের হয়ে আসা যায়। মাঝে মাঝে ভুল হয়ে যাবে। তখন হতাশ হয়ে সব ছেড়ে দেবেন না। চেষ্টা করে যান। – যে কোন উপায়ে পর্ণমুভি আর চটি এড়িয়ে চলুন। – কম্পিউটারে পর্ণ দেখতে দেখতে হস্তমৈথুন করলে কম্পিউটার লিভিং রুমে নিয়ে নিন যাতে অন্যরাও দেখতে পায় আপনি কী করছেন। এতে পর্ণ সাইটে ঢোকার ইচ্ছে কমে যাবে। – যেসব ব্যাপার আপনাকে হস্তমৈথুনের দিকে ধাবিত করে, সেগুলো ছুড়ে ফেলুন, সেগুলো থেকে দূরে থাকুন। যদি মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুন থেকে সত্যি সত্য মুক্তি পেতে চান তাহলে পর্ণ মুভি বা চটির কালেকশন থাকলে সেগুলো এক্ষুনি নষ্ট করে ফেলুন। পুড়িয়ে বা ছিড়ে ফেলুন। হার্ডড্রাইভ বা মেমরি থেকে এক্ষুনি ডিলিট করে দিন। ইন্টারনেট ব্যবহারের আগে ব্রাউজারে্র প্যারেন্টাল কন্ট্রোল-এ গিয়ে এডাল্ট কন্টেন্ট ব্লক করে দিন। কোন সেক্স টয় থাকলে এক্ষুনি গার্বেজ করে দিন। – হস্তমৈথুন একেবারেই ছেড়ে দিতে হবে না। নিজেকে বোঝাবেন যে মাঝে মাঝে করবেন। ঘনঘন নয়। – যারা বাজে বিষয় নিয়ে বা মেয়েদের নিয়ে বা পর্ণ মুভি বা চটি নিয়ে বেশি আলোচনা করে, তাদেরকে এড়িয়ে চলুন। – হস্তমৈথুনে চরমভাবে এডিক্টেড হলে কখনোই একা থাকবেন না, ঘরে সময় কম কাটাবেন, বাইরে বেশি সময় কাটাবেন। জগিং করতে পারেন, সাইকেল নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন। ছাত্র হলে ক্লাসমেটদের সাথে একসাথে পড়াশুনা করতে পারেন। লাইব্রেরি বা কফি শপে গিয়ে সময় কাটাতে পারেন। – সন্ধ্যার সময়ই ঘুমিয়ে পড়বেন না। কিছু করার না থাকলে মুভি দেখুন বা বই পড়ুন। – ভিডিও গেম খেলতে পারেন। এটাও হস্তমৈথুনের কথা ভুলিয়ে দেবে। – সেক্সুয়াল ব্যাপারগুলো একেবারেই এড়িয়ে চলবেন। এধরনের কোন শব্দ বা মন্তব্য শুনবেন না। – ছোট ছোট টার্গেট সেট করুন। ধরুন প্রথম টার্গেট টানা দুইদিন হস্তমৈথুন করবেন না। দুইদিন না করে পারলে ধীরে ধীরে সময় বাড়াবেন। – যখন তখন বিছানায় যাবেন না। কোথাও বসলে অন্যদের সঙ্গ নিয়ে বসুন। – বাথরুম শাওয়ার নেয়ার সময় হস্তমৈথুনের অভ্যাস থাকলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাথরুম থেকে বের হয়ে আসতে চেষ্টা করুন। – যখনি মনে সেক্সুয়াল চিন্তার উদয় হবে, তখনই অন্য কিছু নিয়ে চিন্তা করবেন। – বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সবার সাথে বেশি সময় কাটান। – ধ্যান বা মেডিটেশন করতে পারেন। যোগ ব্যায়াম করতে পারেন। – নিজের পরিবারের কথা চিন্তা করবেন, আপনার সাথে যারা আছে তাদের কথা ভাববেন। – ফোনসেক্স এড়িয়ে চলুন – অপরের সাহায্য নিতে ভুল করবেন না। রাতের বেলা হস্তমৈথুন করলে কারো সাথে রুম শেয়ার করুন। বা দরজা জানালা খোলা রেখে আলো জ্বালিয়ে ঘুমান। যখন দেখবেন যে সব চেষ্টা করেও একা একা সফল হতে পারছেন না, তখন বন্ধুবান্ধব, পরিবার, ডাক্তার- এদের সাহায্য নেয়া যায়। এখানে লজ্জার কিছু নাই। – উপুর হয়ে ঘুমাবেন না। – বিকেলের পরে উত্তেজক ও গুরুপাক খাবার খাবেন না। – গার্লফ্রেণ্ড বা প্রেমিকাদের সাথে শুয়ে শুয়ে, নির্জনে বসে প্রেমালাপ করবেন না।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy