1 Answers

সাধারণত, চিকিৎসাজনিত ইতিহাস এবং যত্নসহকারে চিকিৎসাজনিত পরীক্ষার সাহায্যে রক্ত জমাট বাঁধা রোগের নির্ণয় করা হয়। তবে, এই রোগগুলির কারণ নির্ধারণে কিছু রক্ত পরীক্ষা কার্যকর। তার মধ্যে যেগুলি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে: কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট - প্লেটলেটের মাত্রা হ্রাস জমাট বাঁধা সমস্যার ইঙ্গিত বাহক। ব্লিডিং টাইম অ্যান্ড ক্লটিং টাইম - রক্তপাত এবং জমাট বাঁধার সময় খুঁজে বের করলে সমস্যাটির ধরন চিহ্নিত করতে সহায়তা পাওয়া যেতে পারে (এই পরীক্ষাটি এখন অপ্রচলিত, তার পরিবর্তে প্রোথ্রম্বিন টাইম এবং অ্যাক্টিভেটেড পার্শিয়াল থ্রম্বোপ্লাস্টিন টাইম পদ্ধতি ব্যবহার হচ্ছে)। প্রোথ্রমবিন টাইম (পিটি) - সাধারণত, এটি অভ্যন্তরীণ স্বাভাবিক অবস্থার অনুপাত (আই এন আর) এর মাত্রাকে গণণা করে রক্ত জমাট বাঁধার সময় নির্ধারণে সাহায্য করে। অ্যাক্টিভেটেড পার্শিয়াল থ্রম্বোপ্লাস্টিন টাইম (এ পি টি টি) - এটিও জমাট বাঁধার সময় নির্ধারণে সাহায্য করে। সংশ্লিষ্ট অন্যান্য নির্দিষ্ট পরীক্ষা, তার মধ্যে আছে - প্রোটিন সি কার্যকলাপ, প্রোটিন এস কার্যকলাপ ইত্যাদি। রক্ত জমাট বাঁধা রোগের চিকিৎসা অসুখের কারণের উপর ভিত্তি করে হয়। চিকিৎসা কারণ-ভিত্তিক, উপসর্গ অনুযায়ী হতে পারে। চিকিৎসায় যে সমস্ত ওষুধগুলি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে: অ্যান্টি-প্লেটলেট ফ্যাক্টর - অ্যাসপিরিন এবং ক্লোপিডোগরেল, যা প্লেটলেট সমষ্টি এবং জমাট বাঁধা কমায়। অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্টস - ওয়ারফারিন, হেপারিন, কম আণবিক ওজন হেপারিন (এল এম ডব্লিউ এইচ), এবং ফন্ডাপ্যারিনাক্স ওষুধগুলি রক্ততঞ্চন প্রতিরোধ করে এবং হাইপারকোয়াগুলেবল অবস্থার চিকিৎসায় সহায়তা দেয়।

5738 views

Related Questions