1 Answers
জিঞ্জিভাইটিসের ক্ষেত্রে, মাড়ি পরীক্ষা করার পর এই অবস্থার সনাক্তকরণ করা যেতে পারে। এই পর্যায়, ব্যক্টেরিয়ার বৃদ্ধির জন্য মাড়ি লাল হয়ে যায় এবং ফুলে যায় । এই অবস্থার অগ্রসর পর্যায় সনাক্তকরণ করা যেতে পারে দাঁতে প্লেক বা আস্তরণের গঠন দেখে যা সরিয়ে তোলা খুবই কঠিন ।বিশদ নির্ণয় করার জন্য, ডেন্টিস্টের কাছে যাওয়া জরুরী। এখানে, নিচে উল্লেখ করা পদ্ধতিগুলির মধ্যমে এই অবস্থার বিষয়ে বিশেষজ্ঞের মত অনুযায়ী মাড়ির রোগকে নিশ্চিত করা হবে একটা যন্ত্র ঢুকিয়ে পকেটের গভীরতা মাপা যেতে পারে। এটি যন্ত্রনাহীন পদ্ধতি। চিকিত্সাগত বা পরিবারের ইতিহাস যার দ্বারা আরোগ্য লাভের সম্ভাবনা নিশ্চিত করা যায়। এক্সরে করা যাতে হাড়ের ক্ষয় এবং আস্তরণ তৈরি নিশ্চিত করা যায়। শুরুর দিকে ডেন্টিস্ট সাহায্য করতে পারে এবং প্লেক বা আস্তরণ বা টার্টার সরিয়ে ফেলার চেষ্টা করতে পারে। এটা অনেক ক্ষেত্রেই জ্বালাভাব কমিয়ে দেয়।চিকিৎসার পর, আবার আস্তরণ যাতে না পড়ে তার নিয়মিত দাঁত পরিষ্কার করা যেমন ব্রাশ করা এবং ফ্লসিং দরকার হয়। এটা যুক্তিযুক্ত যে এই পরিষ্কার পদ্ধতির পরে প্রত্যেক তিন মাস অন্তর ডেন্টিস্টের কাছে যাওয়া উচিত যাতে একি ভাবে এই পরিষ্কার পদ্ধতিটি আবার করা যায়।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy