1 Answers
রোগ নির্ণয় সাধারণত শারীরিক পরীক্ষা দিয়ে শুরু হয়, তা থেকে সংক্রমণ সম্বন্ধে চিকিৎসকের কাছে স্পষ্ট ধারণা আসা উচিত। সমস্যা গুরুতর হলে, ডাক্তার আপনাকে কিছু পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেবেন, যাতে ফুুসফুস, গাঁট অথবা হাড় থেকে তরল সংগ্রহ এবং বুকের এক্স-রে করা হয়। নিউমোকক্কাল রোগের হাত থেকে বাঁচার সবেচেয় সাধারণ পদ্ধতি হলো টীকাকরণ। যেসব ঘটনায় রোগী থেকে আগে থেকেই আক্রান্ত, সেখানে রোগের উপসর্গকে কেন্দ্র করে প্রাথমিক চিকিৎসা পদ্ধতি আবর্তিত হয়। রোগ কি রকম আকার নিয়েছে এবং শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে, তার উপর নির্ভর করে চিকিৎসা পদ্ধতি ভিন্ন হতে পারে। সংক্রমণের কিছু মৃদু ঘটনার ক্ষেত্রে, ওষুধ ছাড়াই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আপনা থেকেই অথবা অ্যান্টিবায়োটিকের সামান্য মাত্রাতেই ঠিক হয়ে যান। তবে, ইনভেসিভ নিউমোকক্কাল রোগের জন্য ভারি মাত্রার ওষুধ দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। কিছু গুরুতর ঘটনারক্ষেত্রে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে হয়ত হাসপাতালে ভর্তি করতে হতে পারে।