1 Answers

একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ মেডিকাল ইতিহাস এবং শারীরিক পরীক্ষার উপর নির্ভর করে ঘাড়ে ব্যথার কারণ নির্ণয় করা হয়। রোগ নির্ণয় নিশ্চিত করার জন্য নিম্নলিখিত ডায়গনোস্টিক সরঞ্জামগুলির ব্যবহার করা যেতে পারে: ভারটিব্রাল কলাম বা মেরুদন্ডের এক্স-রে। ঘাড়ের এমআরআই। সি-রিঅ্যাকটিভ প্রোটিন এবং ভিটামিন সি ও ভিটামিন ডি-এর জন্য রক্ত পরীক্ষা, বিশেষ করে রোগীর যদি কোন একটি প্রদাহজনক রোগ আগেই ধরা পরে থাকে। ঘাড়ের ব্যথার চিকিৎসাগুলি হল: ফিজিওথেরাপি- স্বল্পমেয়াদী জয়েন্ট ইমমোবিলাইজেশন। ঘাড়ের ব্যায়াম। পালস্ড ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ড থেরাপি। নন-স্টেরয়েডিয়াল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বা প্রদাহ-বিরোধী ওষুধ এবং মাসল রিল্যাক্সেন্ট বা পেশী শিথিলকারক দিয়ে চিকিৎসার দ্বারা ব্যথার নিরাময়। গরম সেক। ক্রনিক বা দুরারোগ্য ব্যথা যেগুলির দ্বারা চিকিৎসা করা যেতে পারে সেগুলি হল: পেশী শক্তিশালী করে তোলা এবং সহনশীলতার ব্যায়াম। ফিজিওথেরাপি এবং ডায়াথারমি। অ্যানালজেসিক্স বা বেদনানাশক, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং পেশী শিথিলকারক বা মাসল রিল্যাক্সেন্ট। কাউন্সেলিং। বৈকল্পিক থেরাপি যেমন আকুপাংচার। যদি কোন স্নায়বিক সমস্যা দেখা দেয়, সেক্ষেত্রে সার্জারি। সবমিলিয়ে বলা যায়, ঘাড়ের ব্যথা থেকে ঘাড় থেকে শুরু হয় এবং পেশীজনিত ব্যথা থেকে স্নায়বিক জটিলতা পর্যন্ত ছড়াতে পারে। ফিজিওথেরাপি, ব্যায়াম এবং ওষুধের মাধ্যমে এটির চিকিৎসা করা যেতে পারে। কাজের সময় সঠিক বা ভাল ভঙ্গিমায় বসা এবং সঠিক ব্যায়াম এই ব্যথার রোগকে সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে।

10281 views

Related Questions