ব্রণ কিভাবে প্রতিরোধ করতে পারি জানান?

ব্রণএর প্রতিরোধ কিভাবে করব?এমন কোন পদ্ধতি নেই যা পাশ্রপতিক্রিয়া ছাড়াই প্রতিরোধ করা সম্ভব?কারও জানা থাকলে জানান ।
2292 views

7 Answers

মুখের একটু যত্ন নিলেই ব্রণঃ উঠা প্রতিরোধ করা যায় যেমনঃ ১। সবসময় পরিষ্কার পানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার রাখা ২। ধূলিকণা থেকে মুখকে বাঁচাতে হবে প্রয়োজনে মাক্স ব্যবহার করা যেতে পারে, ৩। শরীরে এলার্জি থাকলে, এলার্জি জাতীয় খাবার পরিত্যক্ত করা, ৪। বেশী করে পানি পান করা যথটা সম্ভব চিন্তা মুক্ত থাকা ৫। মুখের তেলতেলে ভাব দূর করার জন্য মাশ্চারাইজার ব্যবহার করা এবং ফ্রেশওয়াস ৬। সাবধান দিয়ে মুখ না ঘর্ষা ৭। এবং মুখের মধ্যে ব্রন থাকলে তা ভুলেও না টিপা।

2292 views Answered

একটা রসুনের কোয়া নিন, খোসা ছাড়িয়ে একটা দিক সামান্য ছেঁচে নিয়ে ব্রণে আলতো করে ঘষুন। দৈনিক ৪-৫ বার। রসুন বেটেও লাগানো যায়। আমি খুব ভালো উপকার পেয়েছি, আশা করি আপনিও পাবেন। খেয়াল রাখবেন রসুন যেনো ক্ষত বা ফেটে যাওয়া ব্রণে না লাগে। নতুবা খুব জ্বালাপোড়া করবে।

2292 views Answered

আপনি রোজ রাতে ঘুমোনোর আগে, মুখে লেবুর রস তুলো দিয়ে ঘসে লাগিয়ে রাখতে পারেন এবং সকালে ঘুম থেকে ওঠার সময় আপনি কোনো ভালো একটি facewash দিয়ে মুখটা পরিষ্কার করে দেন। এতে আপনার ব্রণ প্রতিরোধ হবে। ( যদি দেখেন আপনার মুখ জ্বলছে লেবুর রস লাগানোর সময়, তাহলে লেবুর রসের সঙ্গে একটু মধু মিশিয়ে নেন, এতে আপনার মুখ জ্বলাটাও কমবে, আবার ব্রণ ও কমবে)

2292 views Answered

ব্রন সমস্যার সমাধান করুন সহজেই। শসা : শসায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি, ই, পানি এবং অ্যামিনো অ্যাসিড। যা ত্বকে ব্রণের ব্যাকটেরিয়ার জন্ম প্রতিরোধ করে ব্রণের সমস্যার সমাধানে সহায়তা করে। শসার জুস করেও খেতে পারেন। এতে ত্বকে ব্রণের সমস্যা দূর করে ত্বক উজ্জ্বল করবে। তাজা সবুজ শাক : হজম ক্রিয়ায় সমস্যা বা বদহজম হলে ব্রণের উপদ্রব বাড়ে। তাই আমাদের খেতে হবে হজমে সাহায্যকারী সবুজ শাক যেমন, লেটুস, পালংশাক, বাঁধাকপি, ডাটা শাক ইত্যাদি। এই সবুজ শাক হজমের ক্রিয়ায় সাহায্য করে এবং ব্রণের সমস্যার সমাধান করে। কাঁচা রসুন : গন্ধের জন্য কাঁচা রসুন কেউ খেতে চান না। কিন্তু কাঁচা রসুনে যে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান আছে তা রক্ত শোধনে কাজ করে ও দেহের ইমিউন সিস্টেম উন্নত করে। ফলে ব্রণের আক্রমণ থেকে রক্ষা পায় ত্বক। দিনে অন্তত ১ কোয়া কাঁচা রসুন খাবার অভ্যাস করুন। টমেটো : টমেটোতে বিদ্যমান প্রচুর পরিমাণে সি যা ব্রণের সমস্যার সমাধানে কাজ করে। এছাড়াও টমেটোর বায়োফ্লেভানয়ে ডস ক্ষতিগ্রস্থ ত্বকের কোষ সুস্থ করে। এতে করে ত্বকে ব্রণের জন্য সৃষ্ট ক্ষতের দাগ দূর করতেও সাহায্য করে।

2292 views Answered

চা-গাছের তেল চা-গাছের তেলের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি-সেপটিক ও অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি উপাদান। কয়েক ফোঁটা চা-গাছের তেল তুলার মধ্যে লাগিয়ে খুব নরমভাবে ব্রণ ও দাগে লাগান। দেখবেন কয়েক দিনের মধ্যে ব্রণ সেরে উঠেছে। বরফ ড. জেলিমান জানান, গোড়ালি মচকে গেলে এর ফোলা কমাতে বরফ কাজ করে। এটি ব্রণের প্রদাহ কমাতেও বেশ কার্যকর। একটি বরফের ছোট টুকরো পরিষ্কার কাপড়ের মধ্যে নিয়ে এক মিনিটের জন্য ব্রণের মধ্যে রাখুন। এই পদ্ধতি ব্রণের লাল হওয়া ও ফোলাভাব কমাবে। লেবুর রস লেবুর রসের মধ্যে রয়েছে সাইট্রিক এসিড। রয়েছে এল-এসকোরোবিক এসিড, যা প্রাকৃতিক অ্যান্টি অক্সিডেন্টের উৎস। একটি তুলোর টুকরোর মধ্যে লেবুর রস মিশিয়ে ব্রণে লাগান। সারা রাত রাখুন। ব্রন দূর করতে এই পদ্ধতিও বেশ কার্যকর। রসুন রসুনের গন্ধ হয়তো আপনার বিরক্ত লাগতে পারে। কিন্তু এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান; যা ব্রণ দূর করে। রসুন দেহের বিভিন্ন রোগ-প্রতিরোধেও উপকারী। এটি ক্যানসার প্রতিরোধ করে। রসুনে রয়েছে এলিসিন ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান। রসুন কেটে পানির সঙ্গে পেস্ট করুন। এরপর ব্রণের মধ্যে পাঁচ মিনিট রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন। মধু ব্রণ দূর করতে মধুও খুব উপকারী। মিষ্টি স্বাদের এই খাবারটি আপনি মাস্কের মতো মুখে লাগাতে পারেন। পাঁচ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন। এর ভেতর আছে অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি এবং অ্যান্টি সেপটিক উপাদান। তবে নিয়মিতি মধু ব্যবহারে ব্রণ একেবারেই সারবে কি না, সেটা নিয়ে গবেষকরা এখনো দ্বন্দ্বে রয়েছেন। তাঁদের পরামর্শ, চেষ্টা করুন অপ্রক্রিয়াজাত বা টাটকা মধু ব্যবহার করতে।

2292 views Answered

বেটনোভেট সি এল ব্রনের দাগ উঠানোর কাজে ব্যবহৃত হয়। বেটনোভেট সি এল ক্রিম নিয়মিত ব্যবহারেও মেছতার, যে কোন ব্রনের দাগ, কাটা দাগ, আস্তে আস্তে হালকা হয়ে যায়। এই ক্রিমটি ঘুমাতে যাওয়ার আগে, মুখ ভালো করে ধুয়ে, লাগিয়ে নিবেন। মেছতার দাগ যেখানে আছে শুধু সেখানে হালকা করে দিয়ে, ম্যাসেজ করে শুয়ে পরবেন। এই পদ্ধতিতে প্রতিদিন ব্যবহারে দেখবেন মেছতার দাগ ও অনন্য দাগ বেশ হালকা হয়ে যাচ্ছে।

2292 views Answered

১। ব্রণ হলে নিমপাতা বা নিমফলের বীচি পানিসহ বেঁটে ৪-৫ দিন ব্রণে ব‍্যবহার করা উচিত। ২। শিমুলের ছাল বেঁটে ব্রণের উপর লাগালে ব্রণ সেরে যায়। ৩। ব্রণ ও চুলকানিতে চিরতার ক্বাথ তৈরি করে প্রত‍্যহ সকালে মিছরীর চূর্ণসহ খাওয়া উচিত।

2292 views Answered

Related Questions

Next steps