3 Answers
জামাতে পড়তেই হবে। জামাতে না পড়লে এর জন্য জবাব দিতে হবে। কারন রাসুল সা: এর জন্য কঠোর ভাবে নির্দেশ দিয়েছেন। এমনকি তিনি এক অন্ধ লোককেও ছাড় দেননি। আর আপনার পেটের সমস্যার জন্য চিকিৎসা করান। এখন আধুনিক যুগ। সবকিছুই চিকিৎসায় আরোগ্য হয়। আর এটা সামান্য গ্যাসের সমস্যা।
জামাতে নামাজ আদায়ের বিকল্প কিছু নেই|অবশ্যই জামাতে নামাজ আদায় করতে হবে|ঘন ঘন বায়ু ত্যাগ হলে ওযু ভঙ্গ হয়ে যায়|তাই আপনাকে চিকিৎসা নিতে হবে|এজন্য আপনি হামদর্দের "কারমিনা" সিরাপ সেবন করেন|এটি ঘন ঘন বায়ু ত্যাগ রোধে বিশেষ কার্যকরী
অনবরত বায়ৃ বের হলে এবং অবস্থা এ পর্যায়ে পৌঁছলে যে, এক ওয়াক্ত থেকে অন্য ওয়াক্ত পর্যন্ত (যেমন: ফজর থেকে যোহর পর্যন্ত) এ পরিমাণ সময় পান না যে ওজু করে নামায আদায় করবেন; তাহলে আপনি ইসলামী শরীয়ত মতে মাজূর বা ওযরগ্রস্ত। তাই আপনার জন্য করণীয় হবে প্রতি ওয়াক্ত নামাজের জন্য নতুন ওযু করা । এবং এ ওযু দিয়ে আপনি উক্ত ওয়াক্তের ভিতর যত ইচ্ছা নামায আদায় করতে পারবেন।তাই আপনার জন্য জামাতে অংশ গ্রহণে কোনো বাঁধা না থাকায় অবশ্যয়ই জামাতে শরীক হতে হবে।