সিগারেট ছাড়বো কিভাবে?
6 Answers
সিগারেট খাওয়া ছাড়তেঃ
1)প্রথমে সিদ্ধান্ত নিন কেন ধূমপান ছাড়া আপনার জন্য জরুরী। অর্থাৎ কি কারণে ধূমপান ছাড়তে চান। যেমন ক্যান্সার ও হার্ট এ্যাটাকের ঝুকি কামাতে।
2)কোন ধরনের থেরাপি বা মেডিকেশন ছাড়া ধূমপান ছাড়া ঠিকনয়। কারণ সিগারেটের নিকোটিনের ওপর ব্রেইন অনেক ক্ষেত্রে নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। ছেড়ে দিলেই নানা উপসর্গ শুরু হয়। তাই সিগারেটের বিকল্প থেরাপির কথা চিন্তা করতে হবে।
3)নিকোটিনের বিকল্প গাম, লজেন্স ইত্যাদি ব্যবহার করতে হবে।
4)নিকোটিনের বিকল্প ওষুধ সেবন করা যেতে পারে।
5)একা একা ধূমপান না ছেড়ে পরিবারের অন্যান্য সদস্য (যদি ধূমপায়ী থাকেন), বন্ধু-বান্ধব ও সহকর্মীদের উৎসাহিত করে একসঙ্গে ধূমপান ত্যাগের ঘোষণা দিন।
6)মানসিক চাপ কমাতে চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে হালকা ম্যাসাজ নিন।
7)অ্যালকোহল পরিহার করুন।
8)মনোযোগ অন্যদিকে নিতে ঘর পরিষ্ক্ষার করতে চেষ্টা করুন।
9)ধূমপান ত্যাগের জন্য বার বার চেষ্টা করুন। একবার ছেড়ে দিলে দ্বিতীয় বার আর ধূমপান করবেন না।
10)নিয়মিত ব্যায়াম করুন।
11)প্রচুর পরিমাণ সবুজ শাক-সবজি ও রঙিন ফলমুল খান।
12)ধূমপান বন্ধ করে যে আর্থিক সাশ্রয় আপনার হবে তার একটা অংশ হালকা বিনোদনে ব্যয় করুন।
13)আর ধূমপান ছাড়-ন বন্ধু-বান্ধব বা প্রেমিককে খুশী করার জন্য নয়, বরং আপনার সুস্বাস্থ্যের জন্যই এটা করেছেন। এমন জোরালো অবস্থান নিন।
ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর- আজকাল দেশের সিগারেটের প্যাকেটে এ ধরনের সতর্ক সংকেত লেখা হয়। ধূমপানের ফলে ফুসফুসের ক্যান্সার, হার্ট অ্যাটাক, মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে বাধা, যৌন ক্ষমতা হ্রাসসহ নানা ধরনের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। অনেকেই ধূমপান নামক এই ঘাতককে চিরতরে নির্বাসনে দিতে চান কিন্তু নানা কারণে আর বিদায় জানানো হয় না। সম্প্রতি ধূমপানের আসক্তি থেকে নিজেকে রক্ষার ১৭টি উপায় বাতলে দিয়ে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মিরর অনলাইন। এগুলো অনুসরণ করলে ধূমপান ছাড়া সম্ভব। ১. ই-সিগারেট: আর কিছুদিনের মধ্যে বাজারে পাওয়া যাবে ই-সিগারেট। এই সিগারেট ধূমপানের অভ্যাস ছাড়তে সাহায্য করবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তামাকের চেয়ে ৯৫ শতাংশ নিরাপদ এটি। এতে অভ্যস্ত হলে আস্তে আস্তে ধূমপানের আসক্তি কমে যাবে। ২. ছেড়ে দেওয়ার তারিখ নির্ধারণ করুন: আপনি কত দিনের মধ্যে ধূমপান ছেড়ে দিতে চান তা নির্ধারণ করুন। মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিন। ওই সময় পর্যন্ত সিগারেট খাওয়া চালিয়ে যান। তবে আগেই ছেড়ে দিবেন না। ছেড়ে দেওয়ার পর বন্ধু ও পরিবারকে জানান। ৩. ভিন্ন ব্র্যান্ড ও হাত ব্যবহার করুন: যদি আপনি একই ব্র্যান্ডের বা একই হাতের দুই আঙুলে করে সিগারেট খান তাহলে সে অভ্যাস ত্যাগ করুন। ব্র্যান্ড পাল্টানোর সঙ্গে সঙ্গে হাতও পাল্টে ফেলুন। এতে বিরক্ত হয়ে ধূমপানের অভ্যাস ছেড়ে দিতে বাধ্য হবেন। ৪. ধূমপান করে না এমন বন্ধুদের সঙ্গে মিশুন: ধূমপান ছাড়ার অন্যতম উপায় হচ্ছে যেসব বন্ধুরা ধূমপানে অভ্যস্ত না তাদের সঙ্গে চলাফেরা করা। প্রয়োজনে ধূমপান পছন্দ করেন না- এমন নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলুন। তার চাওয়া পাওয়াকে প্রাধান্য দিন। ৫. ধূমপানের সময় পাল্টে ফেলুন: দিনের কোনো সময়ে, কোথায়, কাদের সঙ্গে ধূমপান করেন তার সময়সূচি পরিবর্তন করুন। অর্থাৎ দিনের কোন সময়ে সিগারেটের প্রতি আপনার স্পন্দন তৈরি হয় তা খেয়াল করে পাল্টে ফেলুন। খাবার পর বা কাজের ফাকেঁ সিগারেট খাওয়া অভ্যাস থাকলে ওই সময় আপনি অন্য কিছু খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। ৬. আকুপাংচার পদ্ধতি অবলম্বন: প্রয়োজনে আকুপাংচার পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন। ধূমপান ছাড়তে এটি কার্যকরী কৌশল। আকুপাংচর হচ্ছে শরীরে সূঁচ ফুড়ে নিজে নিজেই ব্যথা অনুভব করা। এতে আসক্তির ঘোর কেটে যাবে। ৭. রুটিন পরিবর্তন করুন: সকালে নাশতার পর চায়ের সঙ্গে বা হাঁটতে হাঁটতে সিগারেট খাওয়ার অভ্যাস থাকলে তা পাল্টে ফেলুন। এটি ধূমপান ছাড়তে আপনাকে সাহায্য করবে। ৮. স্বাস্থ্যসম্মত বিকল্প: অনেকে সিগারেটের বিকল্প হিসেবে চকলেট খাওয়া আরম্ভ করে। তবে এটি কখনোই স্বাস্থ্যসম্মত নয়। আবার অনেকে পানি খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে সিগারেটের বিকল্প হিসেবে চুইংগাম বা অ্যাপেল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা যেতে পারেন। ৯. বিষক্রিয়া লক্ষ করুন: একটি ৫০০ মিলিলিটারের খালি প্লাস্টিক বোতল নিন। তাতে কয়েকটি সিগারেট ফেলুন। তারপর বোতলটি পানি ভর্তি করে ছিপি দিয়ে মুখ বন্ধ করুন। কিছুদিন পর দেখবেন তা বাদামী রং ধারণ করেছে এবং এর গন্ধ অত্যন্ত বিশ্রী। এতেই লক্ষ করা যায় সিগারেটের বিষক্রিয়া। ১০. সব সরঞ্জামাদি ছুঁড়ে ফেলুন: ধূমপান ছাড়ার জন্য সিগারেট, লাইটার, অ্যাস্ট্রেসহ সব সরঞ্জামাদি ছুঁড়ে ফেলুন। ধূমপানের আসক্তি মেটায় এরকম কোনো উপাদানের সঙ্গে থাকুন। ১১. পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকুন: বাড়িঘর পরিষ্কার রাখুন। মাদুর, গৃহসজ্জার সামগ্রী ও নিজের পোশাক ধুয়ে ফেলুন। যাতে ধূমপান ছাড়ার পর কোনো কিছুতেই সিগারেটের গন্ধ পাওয়া না যায়। প্রয়োজনে ঘরে সুবাসিত মোমবাতি ব্যবহার করুন। প্রাণবন্ত পরিবেশ উপভোগ করুন। ১২. প্রিয়জনের কথা মনে করুন: আমরা সবাই ধূমপানের কুফল সম্পর্কে অবগত। যখন এর আসক্তি মাথায় চেপে বসে তখন প্রিয়জনদের কথা মনে করুন। মনে করুন প্রিয়জনদের সঙ্গেই আপনি সময় কাটাচ্ছেন। তাদের পাশেই আছেন। ১৩. বাদাম খাওয়া অভ্যাস গড়ে তুলুন: ধূমপান ছাড়তে বাদাম খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। ১৪. অনলাইন ঘাঁটাঘাটিঁ করুন: মাথায় ধূমপানের আসক্তি চেপে বসার সঙ্গে সঙ্গে অনলাইনে ঢুঁকে পড়ুন। প্রয়োজনে খেলাধুলায় ব্যস্ত হয়ে পড়ুন। ফেসবুক, টুইটার, ব্লগে বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তায়, খোশ গল্পে মেতে উঠুন। ১৫. বেশি বেশি ফল খান: ধূমপান ছাড়তে বেশি বেশি সতেজ ফল, শাক-সবজি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। একইসঙ্গে চর্বিযুক্ত খাবারের পরিমাণ কমাতে হবে। ১৬. ভেষজ চা খান: নিকোটিন ছেড়ে দিলে প্রাথমিক অবস্থায় মানসিক দুর্বলতা অনুভূত হতে পারে। ধূমপানের পরিবর্তে কফির ক্যাফেইন মানসিক দুশ্চিন্তাও বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই ভেষজ চা খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। ১৭. খোলা বাতাসে ঘোরাঘুরি করুন: সিগারেট টানে শরীরে সাময়িক ভালো লাগা তৈরি হতে পারে। মুক্ত বাতাসে ঘোরাঘুরি করে সে জায়গাটা পূরণ করা যায়। আপনি যখন খোলা বাতাসে ঘোরাঘুরি করবেন তখন আপনার ফুসফুস ভালোভাবে কাজ করবে। মস্তিষ্ক চাপ থেকে মুক্তি পাবে। ফলে শরীরে ভালো লাগা তৈরি হবে।
স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক
ক্ষতিকর একটি অভ্যাস হলো ধূমপান। কিন্তু এই
হানিকারক অভ্যাস দূর করাটা বেশিরভাগ মানুষের
জন্যেই ভীষণ কষ্টকর। ধূমপান ত্যাগ করতে গেলে
সবচাইতে বেশি কষ্টের হলো উইথড্রয়াল সিনড্রোম।
এতে অনেকখানি শারীরিক এবং মানসিক কষ্টের
মধ্য দিয়ে যান ধূমপানে আসক্ত ব্যক্তিটি। কিন্তু এমন
কিছু বৈজ্ঞানিক উপায় আছে যাতে ধূমপানের
অভ্যাস ত্যাগের প্রক্রিয়াটি যেতে পারে
নির্বিঘ্নে। দেখে নিন কার্যকর এবং বৈজ্ঞানিক
উপায়ে ধূমপান ত্যাগের ১০টি কৌশল।
১) নিকোটিন রিপ্লেসমেন্ট
ধূমপানের কারণে শরীরে তৈরি হয় নিকোটিনের
ওপরে নির্ভরশীলতা। আর তাই ধূমপান হঠাৎ করে
ছেড়ে দিলে শরীর নিকোটিন থেকে বঞ্চিত হয় এবং
দেখা যায় বিভিন্ন লক্ষণ। শরীরে যদি অন্য কোনও
উপায়ে নিকোটিনের সরবরাহ দেওয়া যায় তবে
ধূমপানের ওপরে নির্ভরশীলতা কমে আসে। এর জন্য
ব্যবহার করা যেতে পারে নিকোটিন প্যাচ বা
নিকোটিন চুইং গাম।
২) একটা দিন ঠিক করে ফেলা
ভাবুন আপনার একটা পরীক্ষা আছে, তাহলে আপনি
সেই পরীক্ষার জন্য আগে থেকেই পড়াশোনা করবেন
অনেক, তাই না? ঠিক সেভাবে একটা দিন ঠিক করুন
যার মাঝে ধূমপান ছারতে হবে আপনার। তাহলে
আপনার মাঝে একটা তাগিদ থাকবে। তবে দিনটা
বেশি প্রলম্বিত করবেন না। ঠিক করে রাখুন আপনি
ছয় মাস বা এক বছরে পরের কোনও একটি দিনের
মাঝে ধূমপানের অভ্যাস পুরোপুরিভাবে ছেড়ে
দেবেন।
৩) কখন কখন ধূমপান করছেন তা
লিখে রাখুন
একটা নোটবই নিন। যতবার ধূমপান করছেন ততবার
লিখে রাখুন। এরপর সেই লেখাটা দেখলেই নিজের
ওপরে রাগ হবে আপনার। মনে হবে, এতবার ধূমপান
করলাম? এর থেকে আপনি নিজের অজান্তেই কমিয়ে
ফেলবেন ধূমপান। শুধু তাই নয়, কোন কোন কাজের
পড়ে আপনি ধূমপান করছেন তার ব্যাপারেও আপনি
সতর্ক হবেন।
৪) কাউন্সেলিং
কাউন্সেলিং শুধুমাত্র মানসিক সমস্যার জন্যেই নয়
বরং এমন ক্ষতিকর সব অভ্যাস দূর করার ক্ষেত্রেও
কাজে আসে।
৫) প্রিয়জনের সাহায্য নিন
শুধুমাত্র পেশাদার সাহায্য নয়, আপনার কাছের
মানুষেরাও কিন্তু আপনার এই অভ্যাস দূর করতে
সাহায্য করতে পারে অনেক। তাদের সাহায্য নিন।
তারা আপনার অনেক কাছে থেকে আপনার উপকার
করতে পারে।
৬) খালি হাতের ব্যায়াম
ধূমপান ছাড়া থাকতে থাকতে যখন খুব ধূমপানের ইচ্ছে
করবে এবং শারীরিক কষ্ট হবে, তখন ৫-১০ মিনিট
ব্যায়াম করুন। এতে আপনার মনোযোগ অন্যদিকে চলে
যাবে এবং এই সময়ের মাঝে ধূমপানের ইচ্ছেটা চলে
যাবে।
৭) ওয়েট লিফটিং
শুধু খালি হাতে ব্যায়াম নয়, ছোটখাটো
ভারোত্তোলন যে ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে
উপকারি হতে পারে তা দেখা গেছে বেশ কিছু
গবেষণায়। এর জন্য অফিসের ডেস্কে রাখতে পারেন
অজন্দার কিছু এবং ধূমপানের ইচ্ছে হলে তাকে
ব্যবহার করতে পারেন।
৮) টেক্সট মেসেজিং
এটা আমাদের দেশের জন্য খুব একটা প্রযোজ্য নয়
বটে। পাশ্চাত্যের কিছু দেশে এমন সুবিধে আছে যে
যারা ধূমপান ছাড়তে আগ্রহী তাদের ফোনে একটা
নির্দিষ্ট সময় পরপর ধূমপান ছাড়ার উপকারিতা এবং
ধূমপানের অপকারিতা সম্বলিত টেক্সট মেসেজ
আসবে। আপনি যা করতে পারেন তা হলো, পরিচিত
মানুষদের বলতে পারেন আপনাকে নিয়মিত আমন
মেসেজ পাঠাতে। তবে আপনার মনে সব সময়েই
ধূমপান থেকে দূরে থাকার তাগিদ থাকবে।
৯) স্মার্টফোন অ্যাপ
অনেকেই এখন স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকেন এবং
এগুলোতে ব্যবহার্য অনেক অ্যাপ আছে যা ধূমপান
ছাড়তে আপনার উপকারে আসতে পারে। এমন কোনো
একটি অ্যাপ নামিয়ে নিতে পারেন আপনি।
১০) ই-সিগারেট
এত কিছুর পরেও আপনার ঠোঁটের মাঝে যদি একটি
ক্যান্সার স্টিকের অভাব অনুভব করেন, তাহলে একটি
ই-সিগারেট নিয়ে নিন। অনেকে দাবি করেন যে
তাদের ধূমপান ছাড়তে এটা সাহায্য করেছে।
স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর একটি অভ্যাস হলো ধূমপান। কিন্তু এই হানিকারক অভ্যাস দূর করাটা বেশিরভাগ মানুষের জন্যেই ভীষণ কষ্টকর। ধূমপান ত্যাগ করতে গেলে সবচাইতে বেশি কষ্টের হলো উইথড্রয়াল সিনড্রোম। এতে অনেকখানি শারীরিক এবং মানসিক কষ্টের মধ্য দিয়ে যান ধূমপানে আসক্ত ব্যক্তিটি। কিন্তু এমন কিছু বৈজ্ঞানিক উপায় আছে যাতে ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগের প্রক্রিয়াটি যেতে পারে নির্বিঘ্নে। দেখে নিন কার্যকর এবং বৈজ্ঞানিক উপায়ে ধূমপান ত্যাগের ১০টি কৌশল। ১) নিকোটিন রিপ্লেসমেন্ট ধূমপানের কারণে শরীরে তৈরি হয় নিকোটিনের ওপরে নির্ভরশীলতা। আর তাই ধূমপান হঠাৎ করে ছেড়ে দিলে শরীর নিকোটিন থেকে বঞ্চিত হয় এবং দেখা যায় বিভিন্ন লক্ষণ। শরীরে যদি অন্য কোনও উপায়ে নিকোটিনের সরবরাহ দেওয়া যায় তবে ধূমপানের ওপরে নির্ভরশীলতা কমে আসে। এর জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে নিকোটিন প্যাচ বা নিকোটিন চুইং গাম। ২) একটা দিন ঠিক করে ফেলা ভাবুন আপনার একটা পরীক্ষা আছে, তাহলে আপনি সেই পরীক্ষার জন্য আগে থেকেই পড়াশোনা করবেন অনেক, তাই না? ঠিক সেভাবে একটা দিন ঠিক করুন যার মাঝে ধূমপান ছারতে হবে আপনার। তাহলে আপনার মাঝে একটা তাগিদ থাকবে। তবে দিনটা বেশি প্রলম্বিত করবেন না। ঠিক করে রাখুন আপনি ছয় মাস বা এক বছরে পরের কোনও একটি দিনের মাঝে ধূমপানের অভ্যাস পুরোপুরিভাবে ছেড়ে দেবেন। ৩) কখন কখন ধূমপান করছেন তা লিখে রাখুন একটা নোটবই নিন। যতবার ধূমপান করছেন ততবার লিখে রাখুন। এরপর সেই লেখাটা দেখলেই নিজের ওপরে রাগ হবে আপনার। মনে হবে, এতবার ধূমপান করলাম? এর থেকে আপনি নিজের অজান্তেই কমিয়ে ফেলবেন ধূমপান। শুধু তাই নয়, কোন কোন কাজের পড়ে আপনি ধূমপান করছেন তার ব্যাপারেও আপনি সতর্ক হবেন। ৪) কাউন্সেলিং কাউন্সেলিং শুধুমাত্র মানসিক সমস্যার জন্যেই নয় বরং এমন ক্ষতিকর সব অভ্যাস দূর করার ক্ষেত্রেও কাজে আসে। ৫) প্রিয়জনের সাহায্য নিন শুধুমাত্র পেশাদার সাহায্য নয়, আপনার কাছের মানুষেরাও কিন্তু আপনার এই অভ্যাস দূর করতে সাহায্য করতে পারে অনেক। তাদের সাহায্য নিন। তারা আপনার অনেক কাছে থেকে আপনার উপকার করতে পারে। ৬) খালি হাতের ব্যায়াম ধূমপান ছাড়া থাকতে থাকতে যখন খুব ধূমপানের ইচ্ছে করবে এবং শারীরিক কষ্ট হবে, তখন ৫-১০ মিনিট ব্যায়াম করুন। এতে আপনার মনোযোগ অন্যদিকে চলে যাবে এবং এই সময়ের মাঝে ধূমপানের ইচ্ছেটা চলে যাবে। ৭) ওয়েট লিফটিং শুধু খালি হাতে ব্যায়াম নয়, ছোটখাটো ভারোত্তোলন যে ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে উপকারি হতে পারে তা দেখা গেছে বেশ কিছু গবেষণায়। এর জন্য অফিসের ডেস্কে রাখতে পারেন অজন্দার কিছু এবং ধূমপানের ইচ্ছে হলে তাকে ব্যবহার করতে পারেন। ৮) টেক্সট মেসেজিং এটা আমাদের দেশের জন্য খুব একটা প্রযোজ্য নয় বটে। পাশ্চাত্যের কিছু দেশে এমন সুবিধে আছে যে যারা ধূমপান ছাড়তে আগ্রহী তাদের ফোনে একটা নির্দিষ্ট সময় পরপর ধূমপান ছাড়ার উপকারিতা এবং ধূমপানের অপকারিতা সম্বলিত টেক্সট মেসেজ আসবে। আপনি যা করতে পারেন তা হলো, পরিচিত মানুষদের বলতে পারেন আপনাকে নিয়মিত আমন মেসেজ পাঠাতে। তবে আপনার মনে সব সময়েই ধূমপান থেকে দূরে থাকার তাগিদ থাকবে। ৯) স্মার্টফোন অ্যাপ অনেকেই এখন স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকেন এবং এগুলোতে ব্যবহার্য অনেক অ্যাপ আছে যা ধূমপান ছাড়তে আপনার উপকারে আসতে পারে। এমন কোনো একটি অ্যাপ নামিয়ে নিতে পারেন আপনি। ১০) ই-সিগারেট এত কিছুর পরেও আপনার ঠোঁটের মাঝে যদি একটি ক্যান্সার স্টিকের অভাব অনুভব করেন, তাহলে একটি ই-সিগারেট নিয়ে নিন। অনেকে দাবি করেন যে তাদের ধূমপান ছাড়তে এটা সাহায্য করেছে।
মনে মনে সিদ্ধান্ত নিন আজ থেকে আর একটা সিগারেটও খাবো না। যদি থাকতে নাই পারেন। তাহলে আসতে আসতে খাওয়া কমিয়ে দিন। একদিনেই বাদ দিতে যদি না পারেন।
আপনি আস্তে আস্তে অনুশীলনের মাধ্যেমে এটা কাটিয়ে উঠতে পারেন ।এজন্য প্রথমে আপনি শপথ করুন সপ্তাহে একদিন ধূমপান করবেন না ।এভাবে ১ সপ্তাহ চেষ্টা করুন ।তারপর শপথ করুন সপ্তাহে দুইদিন করবেন না,এরপর তিনদিন,চারদিন এভাবে চেষ্টা করলে আশা করি এই বদঅভ্যাসটা কাটিয়ে উঠতে পারবেন ।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy