অনেক চেস্টা করেছি বা করতেছি ছাড়ার জন্যে, কিন্তু পারতেছিনা, কোন উপায় তাকলে বলবেন প্লিজ


3032 views

5 Answers

বানানের দিকে খেয়াল রাখবেন।

দুধ , গাজর , সেলারি,

ফল বা সবজি যে কোনও

একটা খাওয়ার পর ধূমপান

করলে মুখের স্বাদ

এতটাই তেতো লাগবে যে

নিজের ইচ্ছেতেই

সিগারেট ছেড়ে দেবেন।

প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি যুক্ত

ফল যেমন ,

কমলা , মুসাম্বি, আমলকি ,

পেয়ারা ইত্যাদি খেলে

নাকি আপনা থেকেই সিগারেট

খাওয়ার ইচ্ছে

কমে যায়।

যখনই সিগারেটের জন্য ছটফট করবেন

তখনই

নোনতা কিছু খেয়ে নিন। যেমন ,

টিপস , পাঁপড় বা

আচার। হাতের কাছে এসব কিছুই

না পেলে একটু

নুন জিভে ঠেকিয়ে নিন। আস্তে

আস্তে সিগারেট

খাওয়ার ইচ্ছেটা কমতে থাকবে।

একই ভাবে সিগারেটের তেষ্টা

পেলেই ড্রাই

ফ্রুট- এর গন্ধ শুঁকে দেখতে পারেন।

এতেও নাকি

ঘন ঘন সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছে

কমে।

সিগারেটের বদেল সুগার ফ্রি

ক্যান্ডি বা

চিউইং গামের অভ্যাস করুন। কখনও

মুখ খালি

রাখবেন না। আপনার অজান্তেই

ধূমপানের অভ্যাস

আপনাকে ছেড়ে যাবে।

3032 views

সিগারেট বা ধুমপান এমনই একটা নেশা যা একটি মানুষের এই নেশা থেকে বের হয়ে আসার জন্য অনেক কষ্ট কর। তবে আপনি আপনি যদি ধুমপান করা বাদ দিতে চান। তাহলে এর কুফল সম্পর্কে জানুন।মনে মনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করুন এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করুন। এবং ভালো বন্ধুদের সাথে চালাফেরা করুন।

3032 views

দূমপান ছাড়ার জন্য আপনার মনের সৎ ইচ্ছাই যথেষ্ট। আপনি মনে মনে প্রতিঙ্ঘা করুন মরে গেলেও আর দূমপান করবেন না। আর একদিনে সিগারেট খাওয়া বন্ধ করে থাকতে পারবেন না। আস্তে আস্তে সিগারেট খাওয়া কমিয়ে আনতে হবে। যখন সিগারেটের খুব বেশি নেশা পাবে তখন চুইংগাম বা মিল্ক ক্যান্ডি খেতে পারেন।

3032 views

image

image

image

স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর একটি অভ্যাস হলো ধূমপান। কিন্তু এই হানিকারক অভ্যাস দূর করাটা বেশিরভাগ মানুষের জন্যেই ভীষণ কষ্টকর। ধূমপান ত্যাগ করতে গেলে সবচাইতে বেশি কষ্টের হলো উইথড্রয়াল সিনড্রোম। এতে অনেকখানি শারীরিক এবং মানসিক কষ্টের মধ্য দিয়ে যান ধূমপানে আসক্ত ব্যক্তিটি। কিন্তু এমন কিছু বৈজ্ঞানিক উপায় আছে যাতে ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগের প্রক্রিয়াটি যেতে পারে নির্বিঘ্নে। দেখে নিন কার্যকর এবং বৈজ্ঞানিক উপায়ে ধূমপান ত্যাগের ১০টি কৌশল।

১) নিকোটিন রিপ্লেসমেন্ট

ধূমপানের কারণে শরীরে তৈরি হয় নিকোটিনের ওপরে নির্ভরশীলতা। আর তাই ধূমপান হঠাৎ করে ছেড়ে দিলে শরীর নিকোটিন থেকে বঞ্চিত হয় এবং দেখা যায় বিভিন্ন লক্ষণ। শরীরে যদি অন্য কোনও উপায়ে নিকোটিনের সরবরাহ দেওয়া যায় তবে ধূমপানের ওপরে নির্ভরশীলতা কমে আসে। এর জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে নিকোটিন প্যাচ বা নিকোটিন চুইং গাম।

২) একটা দিন ঠিক করে ফেলা

ভাবুন আপনার একটা পরীক্ষা আছে, তাহলে আপনি সেই পরীক্ষার জন্য আগে থেকেই পড়াশোনা করবেন অনেক, তাই না? ঠিক সেভাবে একটা দিন ঠিক করুন যার মাঝে ধূমপান ছারতে হবে আপনার। তাহলে আপনার মাঝে একটা তাগিদ থাকবে। তবে দিনটা বেশি প্রলম্বিত করবেন না। ঠিক করে রাখুন আপনি ছয় মাস বা এক বছরে পরের কোনও একটি দিনের মাঝে ধূমপানের অভ্যাস পুরোপুরিভাবে ছেড়ে দেবেন।

৩) কখন কখন ধূমপান করছেন তা লিখে রাখুন

একটা নোটবই নিন। যতবার ধূমপান করছেন ততবার লিখে রাখুন। এরপর সেই লেখাটা দেখলেই নিজের ওপরে রাগ হবে আপনার। মনে হবে, এতবার ধূমপান করলাম? এর থেকে আপনি নিজের অজান্তেই কমিয়ে ফেলবেন ধূমপান। শুধু তাই নয়, কোন কোন কাজের পড়ে আপনি ধূমপান করছেন তার ব্যাপারেও আপনি সতর্ক হবেন।

৪) কাউন্সেলিং

কাউন্সেলিং শুধুমাত্র মানসিক সমস্যার জন্যেই নয় বরং এমন ক্ষতিকর সব অভ্যাস দূর করার ক্ষেত্রেও কাজে আসে।

৫) প্রিয়জনের সাহায্য নিন

শুধুমাত্র পেশাদার সাহায্য নয়, আপনার কাছের মানুষেরাও কিন্তু আপনার এই অভ্যাস দূর করতে সাহায্য করতে পারে অনেক। তাদের সাহায্য নিন। তারা আপনার অনেক কাছে থেকে আপনার উপকার করতে পারে।

৬) খালি হাতের ব্যায়াম

ধূমপান ছাড়া থাকতে থাকতে যখন খুব ধূমপানের ইচ্ছে করবে এবং শারীরিক কষ্ট হবে, তখন ৫-১০ মিনিট ব্যায়াম করুন। এতে আপনার মনোযোগ অন্যদিকে চলে যাবে এবং এই সময়ের মাঝে ধূমপানের ইচ্ছেটা চলে যাবে।

৭) ওয়েট লিফটিং

শুধু খালি হাতে ব্যায়াম নয়, ছোটখাটো ভারোত্তোলন যে ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে উপকারি হতে পারে তা দেখা গেছে বেশ কিছু গবেষণায়। এর জন্য অফিসের ডেস্কে রাখতে পারেন অজন্দার কিছু এবং ধূমপানের ইচ্ছে হলে তাকে ব্যবহার করতে পারেন।

৮) টেক্সট মেসেজিং

এটা আমাদের দেশের জন্য খুব একটা প্রযোজ্য নয় বটে। পাশ্চাত্যের কিছু দেশে এমন সুবিধে আছে যে যারা ধূমপান ছাড়তে আগ্রহী তাদের ফোনে একটা নির্দিষ্ট সময় পরপর ধূমপান ছাড়ার উপকারিতা এবং ধূমপানের অপকারিতা সম্বলিত টেক্সট মেসেজ আসবে। আপনি যা করতে পারেন তা হলো, পরিচিত মানুষদের বলতে পারেন আপনাকে নিয়মিত আমন মেসেজ পাঠাতে। তবে আপনার মনে সব সময়েই ধূমপান থেকে দূরে থাকার তাগিদ থাকবে।

৯) স্মার্টফোন অ্যাপ

অনেকেই এখন স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকেন এবং এগুলোতে ব্যবহার্য অনেক অ্যাপ আছে যা ধূমপান ছাড়তে আপনার উপকারে আসতে পারে। এমন কোনো একটি অ্যাপ নামিয়ে নিতে পারেন আপনি।

১০) ই-সিগারেট

এত কিছুর পরেও আপনার ঠোঁটের মাঝে যদি একটি ক্যান্সার স্টিকের অভাব অনুভব করেন, তাহলে একটি ই-সিগারেট নিয়ে নিন। অনেকে দাবি করেন যে তাদের ধূমপান ছাড়তে এটা সাহায্য করেছে।

3032 views

প্রথম মত আপনি আপনার উপর কন্পিডেন্স স্থাপন করুন। যে আপনি যা চাইতেছেন তা আপনি পারবে। এবং আপনার পরিবারের সদ্যসদের কে ভাবুন। যে তারা আপনাকে সিগারেট খেতে দেকলে কে কি মন্তব্য করবে। এবং আপনার শুনতে কেমন লাগবে। আপনি আপনার কাজে সব সময় ব্যাস্ত থাকতে চেষ্টা করুন। এবং যখন আপনার সিগারেট খেতে ইচ্ছা করে তখন একটা লজেন্স  খান। দেখবেন আস্তে আস্তে আপনি সিগারেট থেকে অনেক দূরে চলে যাবেন।।

3032 views

Related Questions