5 Answers
বিভিন্ন ধরণের স্টেরয়েড মিশ্রিত ঔষধ খেয়ে আপনার কাঙ্খিত ফলাফল পেতে পারেন, এতে করে লিভার কিডনির ক্ষতি হবে মারাত্মক ভাবে। তাই মোটা হওয়ার চিন্তা বাদ দিয়ে নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার দাবার খান, পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমান। খাওয়া দাওয়ার অরুচি বা অন্য কোনো শারীরিক সমস্যা থাকলে একজন রেজিস্টার্ড চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ সেবন করবেন। শরীরের ওজন কমের ক্ষেত্রে একজন পুষ্টিবিধের পরামর্শও নিতে পারেন।
মোটা হওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে
আপনাকে প্রতিদিন সুষম খাবার খেতে হবে এর সাথে নিয়মিত সবজি খাবেন ভিটামিন যুক্ত ফলমূল সবজি আপনার অন্ত্র পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করবে। খাবারের রুচি আনতে ক্যরমিনা, পিউটিন সিরাফ টা খান নিয়মিত ঘুমান, শরীর ফিট রাখার জন্য হালকা ব্যায়াম করুন তাহলেই সাস্থ্য ঠিক থাকবে। মনে রাখবেন মোটা বড় বিষয় নয়,সাস্থ্য ভালো রাখা অনেক জরুরি। তাই উল্টাপাল্টা ঔষুধ সেবন করবেন না।
আপনাকে নিয়মিত ব্যায়াম এবং শারীরিক পরীশ্রম করতে হবে।শুধু খাবার বেশি খেলে হবে না শুষম খাদ্য খেতে হবে পরিমান মত।দিনে প্রতিদিন ঘুমাবেন।আর আর ডাক্তারের কাছে পরামর্শ নিয়ে ভালো ভিটামিন এবং যাতে আপনার রুচি বাড়ে তার জন্য ঔষধ নিবেন ইনসাআল্লাহ আপনি মো টা হয়ে যাবেন।
ওজন বাড়ানোর জন্য বেশি কিছু নয় শুধু নিয়ম করে কিছু খাওয়া প্রয়োজন যেন খাবারটি আপনার শরীরে ঠিকমত লাগে। আসুন জেনে নিই এমন ৬ টি উপায়-
১. স্বাস্থ্যকর খাবার খান :
আপনি হয়ত প্রচুর পরিমাণে খাচ্ছেন তারপরও আপনার স্বাস্থ্য ঠিকমত বাড়ছে না। তার কারণ হল আপনি খাচ্ছেন, কিন্তু ঠিক নিয়ম করে সঠিক খাবারটি খাচ্ছেন না। খালি পেট ভরে এটা সেটা খেলেই হবে না। খেটে হবে উপযুক্ত খাবারটি। আপনার শরীরে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে প্রোটিন, কার্বন এবং ফ্যাট এর প্রয়োজন হয় প্রতিদিন। এর জন্য প্রতিদিন বাদাম এবং দুগ্ধজাত খাবার খান। প্রোটিনযুক্ত খাবার পেশী গঠনে সহায়তা করে। এটি শরীরের ওজন বৃদ্ধি করে থাকে। তাই প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণে মাংস গ্রহণ করুন। রোজ খান ডিম, পনির ও পর্যাপ্ত পরিমাণে ভাত-রুটি-আলু। ওজন বাড়াতে চাইলে বসা ভাত খেলেই উপকার পাবেন। কেননা এটা থাকে প্রচুর ক্যালোরি। মিষ্টি খান রোজ।
২. বেশি পরিমাণে তরল জাতীয় খাবার গ্রহণ করুন :
একটু পর পর তরল জাতীয় খাবারে ক্ষুধা দ্রুত তৈরি করে। এজন্য আপনি ক্ষুধা তৈরি করার জন্য একটু পর পর তরল জাতীয় যেকোনো খাবার খেতে পারেন। তবে অবশ্যই মনে রাখবেন ভারী খাবার খাওয়ার আগে এবং খাবারের মাঝখানে কখনই পানি খাওয়া ভালো না। এতে করে খাবার মাঝখানে পানি ক্ষুধাটাকে নিবারণ করে। ফলে ভারী খাবার খাওয়ার রুচি থাকে না।
৩. ঘন ঘন খান :
আপনি যদি ওজন বাড়াতে চান তাহলে দিনে ৫ থেকে ৭ বার পরিমিত পরিমাণে খাবার খান। অামরা সচরাচর ৩ বার খেয়ে থাকি। আপনি দিনে ৬ বার খান কিন্তু পরিমাণটি নির্দিষ্ট করে। এতে করে আপনার খেতে কোনো সমস্যা হবে না। কলা, আম ইত্যাদি ফল বেশি পরিমাণে খাবেন। পাশাপাশি অন্যান্য ক্যালরিযুক্ত খাবারও গ্রহণ করুন। মনে রাখবেন আপনি যত পরিমাণে জাঙ্ক ফুড খাবেন আপনার দেহ থেকে তার চেয়েও বেশি পরিমাণে প্রোটিন বেরিয়ে যাবে। তাই ভাজা বাদ দিয়ে বাদাম, পরিমিত মিষ্টি, ঘরে তৈরি নানান খাবার খান।
৪. সঠিক নিয়মে খান :
আপনি খাবার খাচ্ছেন কিন্তু কোনো নিয়ম মেনে খাচ্ছেন না এতে করে আপনার কোনো কাজই হবে না। আপনার ওজন কোনোভাবেই বাড়বে না। আপনি যদি নিয়ম করে খাবার তালিকা তৈরি করে খেয়ে থাকেন তাহলে আপনার ওজন বাড়তে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। দিনের একটি বড় তালিকা তৈরি করুন ও সেটি পালন করুন ঘড়ি ধরে। মোটামুটিভাবে ৪ সপ্তাহের মধ্যে একটি ইতিবাচক ফলাফল পাবেন। ওজন বাড়ে সহায়ক খাবার গুলো রোজ খাবেন ও পর্যাপ্ত ঘুমাবেন।
৫. শারীরিক ব্যায়াম :
অবাক হচ্ছেন? ভাবছনে আপনি রোগা মানুষ আপনার আবার ব্যায়াম কি? তাহলে জেনে রাখুন, কিছু বিশেষ ব্যায়াম শরীরের পেশী তৈরি করে ও ওজন বাড়ায়। তাছাড়া ক্ষুধার উদ্রেকও করে। জিমে যাওয়া শুরু করুন নিয়মিত, ট্রেইনারের কথা মেনে চলুন। চমৎকার শরীর তৈরি হবে।আবার আপনি যদি শুধু ক্যালরিযুক্ত খাবার খেয়েই যান আর কোনো ধরনের ব্যায়াম না করেন তাহলে আপনার শরীরের কিছু অংশে অতিরিক্ত মেদ দেখা দেবে যেমন তলপেটসহ অন্যান্য অংশে কিন্তু আপনার ওজন বাড়াতে খুব একটা সহায়ক ভূমিকা রাখবে না। এজন্য যতটা সম্ভব শারীরিক ব্যায়াম করুন। এতে করে দেহের অতিরিক্ত মেদ নিঃসরণ করে একটা ভালো ওজন পেতে পারেন।
৬. ধূমপান থেকে বিরত থাকুন :
ধূমপান একজন মানুষকে শারীরিকভাবে অসুস্থ করে তোলে। স্বাস্থ্যের ক্ষতিসাধন করে থাকে। এজন্য দেখা গেল যে স্বাস্থ্য বাড়ানোর জন্য আপনি যতটা প্রয়োজন নিয়ম করে খাবার গ্রহণ করলেন কিন্তু পাশাপাশি ধূমপান চালিয়ে গেলেন। এতে করে আপনার কোনো ধরনের ইতিবাচক ফলাফল আসবে না। এর জন্য আপনি যদি ধূমপায়ী হয়ে থাকেন আর ওজন বাড়াতে চান তাহলে আজই ধূমপান ত্যাগ করুন।
সূত্র - প্রিয়.কম
আপনি বেশি বেশি করে ক্যালোরিযুক্ত খাবার খান। ফ্যাট জাতীয় খাবারও বেশি করে খান। ভাতের বদলে ডাল এবং সবজিসহ রান্না করা খিচুড়ি খান । ভাত খেতে হলে বসা ভাত রান্না করুন কিংবা রাইস কুকারে রান্না করা ভাত খান । ফ্যান বা মাড় ঝরানো ভাত খেতে পারেন। রুটি খাবেন না । পাউরুটি খেলে জেলি/জ্যাম অথবা মাখন সহ খান । প্রতিদিন ১০০ গ্রাম বাদাম খাওয়ার অভ্যাস করুন।প্রতিদিন কমপক্ষে ২৫০ গ্রাম দুধ খান । দিনে ২ টি ডিম খান । অতিরিক্ত চা কফি খাবেন না । কখনই খাবার বাদ দেবেন না । দ্রুত কোথাও যেতে হলে বা কাজ থাকলে পথে খাবারটা খেয়ে নিন । খাবার বাদ দিলে শরীরের ক্ষতি হয় । তিনবেলা খাওয়ার সাথে সাথে বিকালে নাস্তা করুন ।
এতে ওজন বেড়ে যাবে এবং আপনি মোটা হয়ে উঠবেন।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy