ফেসবুক কিভাবে বর্জন বা ত্যাগ করা যায়?
3 Answers
এজন্য ইচ্ছা করলে নানারকম টিপস দিতে পারি, দেখতে ফলপ্রসূ হলেও সেগুলোর কোনোটাই কাজ করবেনা, আপনি নিজেই দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হতে হবে। যদি আজীবনের জন্য ছাড়তে চান তাহলে ইমেইল/পাস স্ট্যাটাস আপডেটে পোস্ট করে দেন, আইডি গায়েব হলে হয়তো নতুন করে ফেসবুকের নেশা জাগবেনা। আর দ্বিতীয় উপায় হলো Non touch ও ইন্টারনেট সেবাবিহীন হ্যান্ডসেট ব্যবহার করা। অথবা এমন কোনো সেট যাতে অন্তত সুতৃপ্তভাবে ফেসবুক চালানো অসম্ভব।
বেশ বেশি ফেসবুকে থাকার কারণ অনেকসময় একটাই হয়,আর সেটা হল - chat করা। আপনি যদি ফেসবুকে অন হন, তাহলে chat off করে রাখুন, কারও সঙ্গে দরকার না থাকলে কথা বলতে যাবেন না, নতুন বন্ধু বানাতে যাবেন না.. এতে করে আপনি আস্তে আস্তে ফেসবুক থেকে দূরে চলে আসতে পারেবন। (এই নিয়সগুলি আমি নিজেই করেছি, ফলও পেয়েছি। তাই এখন আর ফেসবুক খুব একটা করি না, যতক্ষণ নেট অন থাকে, আমি ততক্ষণ এখানেই থাকি, আর এখানে আমি যত বেশি থাকব তত আমার ভালো, ফেসবুকে সারাদিন চ্যাট করে আপনার কিচ্ছু লাভ হবে না) best of luck
ফেসবুক ডিএকটিভ করে দিন এবং বিশ্রাম নিন। সম্ভব নাহ হলে প্রয়োজন ছাড়া ফেসবুকে লগিন করবেন না। ফেসবুক এ অযথা বসে থাকবেন না। প্রয়োজনীয় কথা ব্যতিত অন্যকোন কথা চ্যাটিং এ বলবেন না। পরিচিত ব্যতিত অপরিচিত কাউকে ফেন্ডলিস্ট এ যোগ করবেন না। একান্ত প্রয়োজনীয় ব্যক্তিদের লিষ্ট তৈরি করে শুধু তাদের সাবস্ক্রাইব অন রেখে অপ্রয়োজনীয়দের সাবস্কাইব বন্ধ করে দিন। ফেসবুক চ্যাট অফলাইন রাখুন।সম্ভব নাহ হলে লিস্ট তৈরি করে প্রয়োজনীয় ব্যক্তিদের ঐ লিষ্টে রাখুন। কাজ করার সময় ফেসবুক বন্ধ রাখুন। মাঝে মাঝে কোথাও বেড়াতে যান । কাছের মানুষদের সময় দিন। অফিসে ফেসবুকে লগিন করবেনা নাহ। যদি একান্ত প্রয়োজন নাহ থাকে। অপ্রয়োজনীয় গ্রুপ, পেইজ থেকে দূরে থাকুন। প্রোফাইল লিমিটেড করে দিন। ফেসবুকের কাজ শেষ হলে লগ আউট করে ফেলুন। ফেসবুকে বসে গেম খেলবেন নাহ। ফেসবুকের অপ্রয়োজনীয় এপ্লিকেশন ব্যবহার করবেন নাহ। নোটিফিকেশন বন্ধ করে দিন। যে সময়টা আপনি ফেসবুকে দিতেন সেই সময় অন্যকোন কাজ করুন। পড়ারসময় ফেসবুক বন্ধ রাখুন। সপ্তাহের যে কোন একদিন ফেসবুক বন্ধ রাখুন।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy