5 Answers
চালাক যারা তারা এমনিতেই চালাক কোন কিছু তাদের শেখা লাগে না। তার পরও যদি কোন মানুষ ইতিহাস ও বাস্তবধর্মী লেখালেখি পড়ে তাহলে চালাক হওয়ার সম্ভাবনা বেশী থাকে!
চালাক হতে হলে আগে আপনাকে স্মার্ট হতে হবে, কথাবার্তায়, চলাফেরায় সব কিছু জানতে শিখতে হবে, যত জানবেন তত আপনার বুদ্ধি বাড়বে, আর বুদ্ধির মাধ্যমে মানুষ চালাকচতুর হয়, বই পুস্তক পাঠের অভ্যাস গড়ে তুলুন। সংবাদপত্র, ম্যাগাজিন, সাময়িকী, ফিকশন, নন-ফিকশন, ইত্যাদি পড়ুন এতে আপনার জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গীর সীমা বর্ধিত হবে। ভালো ভালো জায়গায় পরিদর্শন করুন নিজের মনমানসিকতার পরিবর্তন করুন, নিজেকে সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করুন, ভালো জ্ঞানী লোকের সাথে চলাচল করুন অনেক কিছু শিখতে পারবেন। আর এইভাবে চালাকচতুর হতে পারবেন
১) শরীর চর্চা : শরীর চর্চা শুধু দেহের ওজন কমানো এবং শরীরকে ফিট রাখার জন্যই দরকারী নয় বরং এটা বুদ্ধিমত্তার জন্যও জরুরী। শরীর চর্চা বিপাক ক্রিয়া এবঙ মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ বৃদ্ধি করে। সর্বোপরি ব্যায়াম মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। (২) টিভির ভালো ও আকর্ষণীয় অনুষ্ঠান দেখুন। তবে আলতু ফালতু অনুষ্ঠান দেখে সময় নষ্ট না করে বরং বই পড়–ন, প্রশান্তিকর গান শুনুন, মজাদার কিছু রান্না করুন কিংবা বন্ধু বান্ধব বা পরিবারের লোকজনের সাথে কথা বলুন। (৩) বই পুস্তক পাঠের অভ্যাস গড়ে তুলুন। বইপোকা হোন। সংবাদপত্র, ম্যাগাজিন, সাময়িকী, ফিকশন, নন-ফিকশন, ইত্যাদি পড়–ন। এতে আপনার জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গীর সীমা বর্ধিত হবে। বই পুস্তক সংবাদ থেকে অর্জিত জ্ঞান জীবনের যে কোন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সাহায্য করবে। এাটা আপনাকে আরো শান্তি ও চৌকস হতে সাহায্য করবে। (৪) ধাঁধা অনুশীলন করুন। সেটা দাবা খেলা, সুডোক্যু কিংবা ক্রসওয়ার্ড হতে পারে। ধাঁধা আপনার মস্তিষ্ককে উদ্দীপিত করবে এবং চিন্তা শক্তি বাড়াবে। (৫) ভালোভাবে ঘুমান। রাতে ভালো ঘুম না হলে কোন কাজই সুষ্ঠুভাবে করা সম্ভব নয়। তাই মস্তিষ্কের সুষ্ঠু ক্রিয়ার জন্য পর্যাপ্ত ঘুম গুরুত্বপূর্ণ। শরীর ও মনকে পুনরুজ্জীবিত করতে ঘুমের সমতুল্য কিছুই নেই। দেরীতে ঘুমাতে যাওয়া ও দেরীতে উঠা অবসাদ নিয়ে আসে দেহ-মনে। তাই তাড়াতাড়ি ঘুমান এবং ভোরে জেগে উঠুন। মস্তিষ্কের শক্তি বৃদ্ধির জন্য এটা জরুরী
বই পুস্তক পাঠের অভ্যাস গড়ে তুলুন। বইপোকা হোন। সংবাদপত্র, ম্যাগাজিন, সাময়িকী, ফিকশন, নন-ফিকশন, ইত্যাদি পড়– ন। এতে আপনার জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গীর সীমা বর্ধিত হবে। বই পুস্তক সংবাদ থেকে অর্জিত জ্ঞান জীবনের যে কোন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সাহায্য করবে। এাটা আপনাকে আরো শান্তি ও চৌকস হতে সাহায্য করবে।
বুদ্ধির সংজ্ঞাঃ বিভিন্ন মনোবিজ্ঞানী বিভিন্নভাবে বুদ্ধির সংজ্ঞা দিয়েছেন – মনোবিজ্ঞানী ক্যাটেল বলেন – “Intelligence is what intelligence does.” অর্থাৎ বুদ্ধি যে কাজ করে তার মধ্যেই বুদ্ধির পরিচয়। ডিয়ারবার্ণ বলেন – “বুদ্ধি হল অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে লাভবান হওয়ার ক্ষমতা।” স্টার্ন বলেন – “বুদ্ধি হল নতুন সমস্যা ও অবস্থার সাথে সংগতি বিধানের সাধারণ মানসিক শক্তি।”যে যত তাড়াতাড়ি শিখতে পারে সে ততবেশি বুদ্ধিমান। প্রকৃতি পরিবেশের সাথে খাপখাইয়ে চলার জন্য, আমাদের জীবনে সমস্ত রকম ক্রিয়াকর্ম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য এবং সমস্ত সমস্যা সমাধান করে জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বুদ্ধি আমাদের বড় হাতিয়ার। বুদ্ধি বাড়ানোর উপায়ঃ অন্যের কৌশলীবুদ্ধি দেখে অনেকে ভাবেন আহা আমি যদি এমন হতে পারতাম! একটু যদি বুদ্ধি থাকত আমার! এমন আফসোস যাদের তাদের জন্যই এই আয়োজন। হতাশ হবার কিছু নেই। যদিও বুদ্ধি বেশিরভাগই জেনেটিকাল তারপরও আছে বুদ্ধি বাড়ানোর নানা উপায়। বুদ্ধির প্রখরতা বাড়াতে কয়েকটি উপায় অবলম্বন করতে পারেন। ব্যায়ামঃ ব্যায়াম করুন। ব্যায়াম শুধু যে ওজন কমায় তা নয়, ব্যায়াম মস্তিস্কের স্নায়ুগুলোকে সক্রিয় রাখে,মস্তিস্কে রক্ত চলাচল নিশ্চিত করে এবং প্রাণবন্ত রাখে। ব্যায়ামের মাধ্যমে ব্রেন সেলগুলো আরও বিকশিত ও শক্তিশালী হয় এবং আন্তঃযোগাযোগ বাড়ে ও মস্তিষ্ককে ড্যামাজ হওয়া থেকে প্রতিহত করে। কারণ ব্যায়ামের সময় প্রোটিন বের হয় মস্তিষ্কের সেল থেকে যা নিউরোট্রফিক ফ্যাক্টর নামে পরিচিত। এটি মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য গঠনে সাহায্য করে এবং ব্রেনকে রক্ষা করে। এছাড়া ব্যায়ামের সময় নার্ভ প্রকেটটিং কম্পাউন্ড বের হয়ে ব্রেনকে রক্ষা করে। hippocampus নামক ব্রেন এর একটি জায়গা আছে যা ব্যায়ামের সময় আকারে বড় হয়ে যায়। এর ফলে Alzheimer’s disease প্রতিহত করতে সাহায্য করে। এই রোগ হলে মানুষ স্মৃতি ভুলে যায়। তাই ব্যায়াম শুধু শরীর কেই নয় বরং মস্তিষ্ক কেও সুস্থ রাখে ও রোগ প্রতিরোধ করে। প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন।