বিভিন্ন মনোবিজ্ঞানী বিভিন্নভাবে
বুদ্ধির সংজ্ঞা দিয়েছেন –
মনোবিজ্ঞানী ক্যাটেল বলেন –
“Intelligence is what intelligence
does.” অর্থাৎ বুদ্ধি যে কাজ করে
তার মধ্যেই বুদ্ধির পরিচয়।
ডিয়ারবার্ণ বলেন – “বুদ্ধি হল
অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে
লাভবান হওয়ার ক্ষমতা।” স্টার্ন
বলেন – “বুদ্ধি হল নতুন সমস্যা ও
অবস্থার সাথে সংগতি বিধানের
সাধারণ মানসিক শক্তি।”যে যত
তাড়াতাড়ি শিখতে পারে সে ততবেশি
বুদ্ধিমান। প্রকৃতি পরিবেশের সাথে
খাপখাইয়ে চলার জন্য, আমাদের
জীবনে সমস্ত রকম ক্রিয়াকর্ম
সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য এবং
সমস্ত সমস্যা সমাধান করে
জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য
বুদ্ধি আমাদের বড় হাতিয়ার।
বুদ্ধি বাড়ানোর উপায়ঃ
অন্যের কৌশলীবুদ্ধি দেখে অনেকে
ভাবেন আহা আমি যদি এমন হতে
পারতাম! একটু যদি বুদ্ধি থাকত
আমার! এমন আফসোস যাদের
তাদের জন্যই এই আয়োজন। হতাশ
হবার কিছু নেই। যদিও বুদ্ধি
বেশিরভাগই জেনেটিকাল তারপরও
আছে বুদ্ধি বাড়ানোর নানা উপায়।
বুদ্ধির প্রখরতা বাড়াতে কয়েকটি
উপায় অবলম্বন করতে পারেন।
ব্যায়ামঃ
ব্যায়াম করুন। ব্যায়াম শুধু যে ওজন
কমায় তা নয়, ব্যায়াম মস্তিস্কের
স্নায়ুগুলোকে সক্রিয়
রাখে,মস্তিস্কে রক্ত চলাচল
নিশ্চিত করে এবং প্রাণবন্ত রাখে।
ব্যায়ামের মাধ্যমে ব্রেন সেলগুলো
আরও বিকশিত ও শক্তিশালী হয়
এবং আন্তঃযোগাযোগ বাড়ে ও
মস্তিষ্ককে ড্যামাজ হওয়া থেকে
প্রতিহত করে। কারণ ব্যায়ামের
সময় প্রোটিন বের হয় মস্তিষ্কের
সেল থেকে যা নিউরোট্রফিক
ফ্যাক্টর নামে পরিচিত। এটি
মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য গঠনে সাহায্য
করে এবং ব্রেনকে রক্ষা করে।
এছাড়া ব্যায়ামের সময় নার্ভ
প্রকেটটিং কম্পাউন্ড বের হয়ে
ব্রেনকে রক্ষা করে। hippocampus
নামক ব্রেন এর একটি জায়গা আছে
যা ব্যায়ামের সময় আকারে বড় হয়ে
যায়। এর ফলে Alzheimer’s disease
প্রতিহত করতে সাহায্য করে। এই
রোগ হলে মানুষ স্মৃতি ভুলে যায়।
তাই ব্যায়াম শুধু শরীর কেই নয় বরং
মস্তিষ্ক কেও সুস্থ রাখে ও রোগ
প্রতিরোধ করে। প্রতিদিন
কমপক্ষে ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন।