2 Answers
* নিয়মিত ও পরিমিত খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন। খাবার তালিকায় আঁশযুক্ত খাবার বাড়ান। আমিষ ও চর্বিজাতীয় খাবার কমিয়ে আনুন। ভাজা-পোড়া ও ফাস্টফুডজাতীয় খাবার সম্পূর্ণ বন্ধ করুন। * খাবারের শুরুতে এক থেকে দুই গ্লাস পানি পান করুন। খাবার শেষে অন্তত এক থেকে দুই ঘন্টা পর পানি পান করবেন। লালমাংস (চার পা বিশিষ্ট পশুর মাংস), দোকানের কেনা মিষ্টি, ঘি, ডালডা, ডাল ও ডালজাতীয় খাবার কম খান। * ফলমূল ও শাকসবজি বেশি করে খাদ্য তালিকায় রাখুন। একবারে বেশি করে খাওয়ার চেয়ে অল্প অল্প করে বার বার খেতে পারেন। রাতে তাড়াতাড়ি খাওয়া উচিত। আহারের এক থেকে দুই ঘন্টা পর শোওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। * সুস্বাস্থ্য ও ফিগারের জন্য নিয়মিত ও পরিমিত ঘুম প্রয়োজন। দিনে শোওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করে রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমের অভ্যাস গড়ে তুলুন। * প্রতিদিন ছয় থেকে সাত ঘন্টা ঘুমের অভ্যাস গড়ুন। * যাদের মেদ বা ভূড়ি জমেছে তারা নিয়মিত ও সঠিক ব্যায়াম করতে পারেন। এর জন্য একজন ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করা যেতে পারে। মনে রাখবেন ভুল ব্যায়াম ও অনিয়ন্ত্রিত ‘জিম এক্সারসাইজ’ আপনার সমস্যা আরো বাড়িয়ে তুলতে পারে। * প্রতিদিন সমতল জায়গায় হাঁটার চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন হাঁটা সর্বোৎকৃষ্ট ব্যায়াম। নিয়মিত অন্তত এক থেকে দুই ঘন্টা হাঁটার অভ্যাস করুন। * ভোরে ঘুম থেকে উঠার অভ্যাস গড়ে তুলুন। সকালে স্কুল, কলেজ বা অফিসে যাওয়ার আগে গোসল সেরে নিন। * বেশি উঁচু তলায় উঠার দরকার না হলে, লিফটের পরিবর্তে সিঁড়ি ব্যাবহার করুন। * সাইক্লিং, সাঁতারের সুযোগ থাকলে নিয়মিত করুন। * দৈনন্দিন কাজকর্ম ও চলাফেরার সময় সোজা ও সঠিকভাবে করুন। মনে রাখবেন চলাফেরা ও কাজের ক্ষেত্রে শরীরের অবস্থানগত ভুলের কারণে শারীরিক বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। বসা, শোওয়া, কম্পিউটিং, দৈনন্দিন বা প্রফেশনাল কাজে কোন শারীরিক সমস্যা দেখা দিলে একজন ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞের চিকিৎসা ও পরামর্শ নিতে পারেন। * দেহ-মন অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। যে কোনো প্রতিকুল মানসিক চাপে নিজেকে দূরে না সরিয়ে ধৈর্য সহকারে মোকাবেলা করুন। * সর্বোপরি সুস্থ ও সুন্দর চিন্তা করুন। প্রাণ খুলে হাসুন।
কেউ কেউ এরকম দেখতে হয় এটা বংশগত কারনে বেশী হয়।তাছাড়া শরীরে কোন অসুখ লুকিয়ে থাকলেও এরকম হতে পারে। বডিতে একটু স্বাস্থ্য লাগলেই কিছুটা ভাল লাগবে।এর জন্য নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খান এবং পর্যপ্ত ঘুমান।আর মাচিউরিটির জন্য বডি খুব একটা বেশী ভূমিকা রাখে না।নিজে কখনও হীনমন্যতায় ভুগবেন না, তাহলেই আস্তে আস্তে ঠিক হবে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy