2 Answers

ঈদের নামাজ ওয়াজিব। ফরজের পরে ওয়াজিবের স্থান।ছয় তাকবীরের সহিত দুই রাকাআত নামাজ আদায় করতে হয়।প্রথম রাকাআতে তাকবীর তাহরীমা বেঁধে সুবহানআল্লাহ হুম্মা দুয়াটি পড়ে তিন তাকবীর দিবে।আর দ্বিতীয় রাকাআতে সূরা ফাতিহা পরে আরেকটি সূরা মিলনের পর অর্থাৎ রুকুতে যাওয়ার আগে তিন তাকবীর হবে।ছয় তাকবীরেই হাত উঠাতে হবে।

2814 views

ইমাম আবূ হানীফা (রহঃ) বলেছেন, ঈদের সালাত প্রত্যেক ব্যক্তির উপর ওয়াজিব। ইমাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রহঃ) একই মত পোষণ করেন। ঈদের সালাত দুই রাকাআত যা অতিরিক্ত ছয় তাকবীরের সহিত আদায় করতে হয়। উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, জুমুআর সালাত দুই রাকআত, ঈদুল ফিতরের সালাত দুই রাকআত, ঈদুল আজহার সালাত দুই রাকআত এবং সফর অবস্থায় (চার রাকআত বিশিষ্ট ফরয) সালাত দুই রাকআত। (নাসাঈঃ ১৪২০) বইঃ প্রশ্নোত্তরে রমযান ও ঈদ, অধ্যায়ঃ ঈদ: সংজ্ঞা, প্রচলন ও হুকুম আহকাম, অনুচ্ছেদঃ ঈদের সালাতে দাঁড়িয়ে তাকবীরে তাহরীমা বাধার পর ‘‘আল্লাহু আকবার বলে অতিরিক্ত যে কিছু তাকবীর দেয়া হয় এর মোট সংখ্যা কত?     ঈদের সালাতে দাঁড়িয়ে তাকবীরে তাহরীমা বাধার পর আল্লাহু আকবার বলে অতিরিক্ত যে তাকবীর দেয়া হয় এর মোট সংখ্যা ছয়টি। ১ম ও ২য় রাকআতে অতিরিক্ত ৩ + ৩ = মোট ৬ তাকবীর। এটি হানাফী মাযহাবের ইমাম আবূ হানিফার (রহঃ) মত। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যেভাবে ঈদের সালাত আদায় করবেনঃ প্রথম নিয়মঃ (নিয়ত করে) আল্লাহু আকবার বলে তাকবীরে তাহরীমা বলে হাত বাঁধবেনন। এরপর ‘সানা’’ পড়বেন। তারপর সূরা ফাতিহা পড়ার পূর্বেই একের পর এক অতিরিক্ত ৩ টি তাকবীর দিবেন। এভাবে ৩ টি তাকবীর বলার পর সূরা ফাতিহা পড়বেন। এরপর আরেকটি সুরা মিলিয়ে পড়বেন। এরপর রুকুও সিজদা করবেন। এভাবে প্রথম রাকআত শেষ করার পর সিজদাহ থেকে উঠে (সূরা ফাতিহা শুরুর পূর্বেই) পরপর ৩ টি অতিরিক্ত তাকবীর দিবেন। তারপর সূরা ফাতিহা পড়ে আরেকটি সূরা পড়বেন। এরপর রুকু ও সিজদাহ করে দুই রাকআত ঈদের সালাত শেষ করবেন। সালাম ফিরানোর পর দুআ করে শেষ করে দিবেন। উল্লেক্ষ্য ১ম রাকআতে তাকবীরে তাহরীমার পর অতিরিক্ত ৩ তাকবীর বলবে এবং এর প্রথম দুই তাকবীরে হাত ছেড়ে দেবে এবং শেষ তাকবীরে হাত বেঁধে ফেলবে। আর দ্বিতীয় রাকআতে সূরা শেষে রুকুর পূর্বে অতিরিক্ত ৩ তাকবীর দেবে এবং প্রত্যেক তাকবীরেই হাত ছেড়ে দেবে। অতঃপর ৪র্থ তাকবীর বলে রুকুতে চলে যাবে। আর বাকী সব নিয়মকানুন একই।

2814 views

Related Questions