আমি কবিরাহ গুনাহ ও আল্লাহর ইবাদত থেকে বিরত থেকে অনেক পাপ কাজ করে ফেলেছি,,এখন আমি আল্লাহর কাছে সকল অপকর্মের জন্য তওবা করে ভালো হতে চাই,, কিন্তু তওবা করার নিয়মনীতি,পদ্ধতি,সময় কিছুই জানি না। এমনবস্তায় আপনাদের সাহায্য পাবো বলে আশা করছি।  অথবা এ সম্পর্কে আমাকে সাহায্য করবে এমন কারো ফোন নাম্বার দিবেন দয়া করে?
2747 views

2 Answers

জেনে নিন তাওবা করা সঠিক নিয়ম মানুষ সৃষ্টি সেরা জীব হলে ও অনেক সময় না বুঝে পাপ  কাজে জড়িয়ে পড়ে অনেক সময় অনেক সময় এমন কিছু পাপ করে ফেলে যে গুলি তাওবা না করলে মহান আল্লাহ পাকে কাছে থেকে ক্ষমা আশা করা সঠিক হবে না তাই জেনে নিন তাওবা করা সঠিক নিয়ম  ১.পাপ কাজ বন্ধ করতে হবে এখন শুধু মুখে মুখে তাওবা করি কয়েকটি দিন পর পাপ কাজ টা ছেড়ে দিবো এরকম হলে তাওবা হবে না   ২.অতীত সমস্ত পাপ কাজ ও ভুল গুলো জন্য  আল্লাহ কাছে  শিকার করে তাঁর কাছে  অনুতপ্ত ও লজ্জিত হতে হবে    ৩.কারু হক নষ্ট করলে ফিরে দিতে হবে কারু মনে কষ্ট দিলে তার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিবে তাকে না পাইলে সদকা গড়ীব দুঃখী দের সাহায্য করে নিবে  ৪.নামাজ পড়ে আল্লাহ কাছে কান্নাকাটি করে নিবেন  

2747 views

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, হে মুমিনগণ! তোমার সকলেই আল্লাহর কাছে তাওবা করো; যাতে তোমরা সফল হতে পারো। (সুরা আন নূর, আয়াত: ৩১) আল্লাহ তাআলা আরও ইরশাদ করেন, হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর নিকট তাওবা করো; খাঁটি তাওবা। (সুরা আত-তাহরিম, আয়াত: ০৮) তাওবা করার নিয়ম-পদ্ধতিঃ তাওবা করার সুন্দর একটি পদ্ধতি হলো, তাওবা করার জন্য প্রথমে সুন্দর করে অজু করা চাই। এরপর দুই রাকাত নামাজ আদায় করে আল্লাহ তাআলার কাছে মাগফিরাত ওক্ষমা চাইতে হবে। গত জীবনের সব পাপ এবং আদেশ অমান্য করার অপরাধ থেকে মার্জনা চাইতে হবে। তবে এই নফল নামাজ তাওবার জন্য জরুরি নয়। তাওবার সময়-সীমা হলো, মৃত্যুর নিদর্শন প্রকাশ পাওয়ার আগ পর্যন্ত। এ সম্পর্কে নবী (সাঃ) বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তার বান্দার তাওবা কবুল করেন, যতক্ষণ না সে (মৃত্যু যন্ত্রণায়) গরগর করে। (তিরমিজি, হাদিস নং: ৩৫৩৭) যেই দোয়া পড়ে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) তওবা করতেন ও আমাদেরকে পড়তে বলছেনঃ উচ্চারণঃ আসতাগফিরুল্লা-হাল আ’যীমাল্লাযী লা- ইলা- হা ইল্লা হুওয়াল হা’ইয়ুল ক্বাইয়ূমু ওয়া আতুবু ইলাইহি। অর্থঃ আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। যিনি ছাড়া ইবাদতের আর কোন যোগ্য উপাস্য নেই। যিনি চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী। আমি তাঁর কাছে তওবা করছি। তাওবা কবুলের শর্ত তিনটি হলোঃ এক. পাপ পুরোপুরিভাবে ছেড়ে দিতে হবে। দুই. পাপের জন্য অনুশোচনা করতে হবে, লজ্জিত ও অনুতপ্ত হতে হবে। তিন. ঐ পাপ দ্বিতীয়বার না করার সিদ্ধান্ত নিতে হবে, দৃঢ় সংকল্প করতে হবে। এবং এর ওপর অটল ও অবিচল থাকতে হবে। আর মানুষের হক বা অধিকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হলে আরও একটি শর্ত যুক্ত হবে, তা হলো সেই ব্যক্তি মানুষের কাছে মাফ চেয়ে নিতে হবে অথবা তার পাওনা- প্রাপ্তি, হক ফিরিয়ে দিতে হবে। এই শর্তগুলো পূরণ করলেই তাওবা শুদ্ধ হবে। অন্যথায় তাওবা বিশুদ্ধ হবে না।

2747 views

Related Questions