2 Answers
ইবাদতের সময় থেকে যদি আর কোনো পাপ কাজে লিপ্ত না হন তাহলে বুঝবেন আপনার ইবাদত কবুল হয়েছেন।
ইবাদত কবুল হওয়ার শর্ত হচ্ছেঃ (১) নিয়ত বিশুদ্ধ হওয়া। ইবাদতে মগ্ন হওয়ার আগে নিয়ত শুদ্ধ করতে হবে। (২) আল্লাহ তাআলা যে শরীয়ত তথা দ্বীন অনুযায়ী ইবাদত করতে বলেছেন, ইবাদতটি সেই শরীয়ত অনুযায়ী হতে হবে। এজন্য রাসুল (সাঃ) এর অনুকরণ ও অনুসরণ প্রয়োজন। কোনো ব্যক্তির মনগড়া বা বিদয়াতী পদ্ধতিতে ইবাদত করলে তা কবুল হয় না। আল্লাহ তাআলা বলেন, যে ব্যক্তি ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো বিধান তালাশ করে, কষ্মিনকালেও তা গ্রহণ করা হবে না এবং পরকালেও সে হবে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভূক্ত। (সুরা আলে ইমরানঃ ৮৫) এছাড়া শিরক মুক্ত থাকাঃ শিরক সকল ভাল আমল নষ্ট করে দেয়। কোন প্রকার শিরকের সাথে সম্পৃক্ত থাকা যাবে না। শিরকের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আমল কবুল হয় না। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন, আপনার প্রতি এবং আপনার পূর্ববর্তীদের প্রতি প্রত্যাদেশ হয়েছে, যদি আল্লাহর শরীক স্থির করেন, তবে আপনার আমল নিষ্ফল হবে এবং আপনি ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবেন। (সূরা জুমারঃ ৬৫) হালাল উপার্জন করা আমল কবুল হওয়ার জন্য হালাল উপার্জন শর্ত। উপরিউক্ত শর্ত মেনে সত্যিকারভাবে ইবাদত করতে পারলে ইবাদতে আনন্দ আসবে। এবং ইবাদতের মধ্যে যদি সে অনুভব করতে পারে যে এর মধ্যে একটা স্বাদ রয়েছে, এর মধ্যে একটা উপলব্ধি রয়েছে, এর মধ্যে একটা আন্তরিকতা রয়েছে, তাহলে বুঝতে হবে যে তার ইবাদত আল্লাহ তাআলার কাছে কবুল হচ্ছে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy