1 Answers
কোনো মানুষ সরাসরি আল্লাহর কাছ থেকে কোনো বিষয়ের সমাধান পেতে পারে না। কারণ, দুনিয়ার জীবনে আল্লাহ কারো সাথে দেখাও দেবেন না, কথাও বলবেন না। আল্লাহ বলেন: "কোনো মানুষের এ মর্যাদা নেই যে, আল্লাহ তার সাথে সরাসরি কথা বলবেন, ওহীর মাধ্যম, পর্দার আড়াল অথবা কোন দূত পাঠানো ছাড়া। তারপর আল্লাহর অনুমতি সাপেক্ষে তিনি যা চান তাই ওহী প্রেরণ করেন। তিনি তো মহীয়ান, প্রজ্ঞাময়।" [সুরা শুরা : ৫১] তবে দুইটা পদ্ধতিতে বান্দা আল্লাহর পক্ষ থেকে সমাধান পেতে পারে। ১. ইস্তিখারা। মুতাররিফ ইব্ন আব্দুল্লাহ আবূ মুস’আব (র.) ....... জাবির (রা.) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ৬৩৮২. জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের সকল কাজের জন্য ইস্তিখারা শিক্ষা দিতেন, যেমনভাবে তিনি কুরআনের সূরা শিক্ষা দিতেন। (বলতেন) যখন তোমাদের কারো কোন বিশেষ কাজ করার ইচ্ছে হয়, তখন সে যেন দু’ রাক‘আত সলাত আদায় করে এরূপ দু‘আ করে। (অর্থ) : হে আল্লাহ! আমি আপনার জ্ঞানের দ্বারা আমার উদ্দিষ্ট কাজের মঙ্গলামঙ্গল জানতে চাই এবং আপনার ক্ষমতা বলে আমি কাজে সক্ষম হতে চাই। আর আমি আপনার মহান অনুগ্রহ প্রার্থনা করি। কারণ, আপনি ক্ষমতাবান আর আমার কোন ক্ষমতা নেই এবং আপনি জানেন আর আমি জানি না। আপনিই গায়িব সম্পর্কে জ্ঞান রাখেন। হে আল্লাহ! যদি আপনার জ্ঞানে এ কাজটিকে আমার দ্বীনের ব্যাপারে, আমার জীবন ধারণে ও পরিণামে- রাবী বলেন, কিংবা তিনি বলেছেন- আমার বর্তমান ও ভবিষ্যতের দিক দিয়ে মঙ্গলজনক বলে জানেন তাহলে তা আমার জন্য নির্ধারিত করে দিন। আর যদি আমার এ কাজটি আমার দ্বীনের ব্যাপারে, জীবন ধারণে ও পরিণামে- রাবী বলেন, কিংবা তিনি বলেছেন- দুনিয়ায় আমার বর্তমান ও ভবিষ্যতের দিক দিয়ে আপনি আমার জন্য অমঙ্গলজনক মনে করেন, তবে আপনি তা আমা হতে ফিরিয়ে নিন। আমাকেও তা হতে ফিরিয়ে রাখুন। আর যেখানেই হোক, আমার জন্য মঙ্গলজনক কাজ নির্ধারিত করে দিন। তারপর আমাকে আপনার নির্ধারিত কাজের প্রতি তৃপ্ত রাখুন। রাবী বলেন, সে যেন এ সময় তার প্রয়োজনের নির্দিষ্ট বিষয়ের কথা উল্লেখ করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮২৭) সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৬৩৮২ হাদিসের মান: সহিহ হাদিস Source: আল হাদিস অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ, IRD বর্ণিত আছে, ইসতিখারা করলে অনেক সময় স্বপ্নে আল্লাহর পক্ষ থেকে কাজের সমাধান পাওয়া যায়। ২. ইলহাম বা ঐশী অনুপ্রেরণা। আল্লাহ তাআলা অনেক সময় তাঁর বিশেষ বান্দাদেরকে ইলহামের মাধ্যমে অনেক বিষয় জানিয়ে দেন। মনের মধ্যে ঢেলে দেন যে, কাজটা ভালো হবে না খারাপ হবে। ইস্তখারার মাধ্যমে সমাধান পাওয়াটা বান্দার প্রচেষ্টার ওপর নির্ভর করে। কিন্তু ইলহামের ব্যাপারটা সম্পূর্ণই আল্লাহর ইচ্ছাধীন।