আমি যদি কনো মাজহাব না মানি ? শুধু হাদিস মেনে নামাজ পড়ি , মানে হাদিসে কিভাবে নামাজ পড়ার কথা আছে সেই ভাবে নামাজ পড়ি তাহলে কনো সমস্যা আছে ?
3103 views

3 Answers

মাজহাব না মেনে আপনার উপায় নেই। কারণ মাজহাব মানে পথ। কারো কাছ থেকে আপনাকে কিছু জিজ্ঞেস করতেই হবে। যে বুঝে না বা কম বুঝে সে অন্যকে জিজ্ঞেস করে চলবে। মাজহাব মানার সারকথা এটাই। আমরা আমাদের পূর্বসূরীদের তুলনায় কম বুঝি। তাই তাদের কথা মেনে চলতে চেষ্টা করি। আমরা আমাদের স্বল্প জ্ঞানে হাদীসে মাঝে নানা ধরনের সংঘর্ষ দেখতে পাই। এ ক্ষেত্রে সাহাবায়ে কেরাম ও তাবিয়ীন যে অভিমত উপস্থাপন করেছেন আমরা সেটাকে গ্রহণ করতে চেষ্টা করি। কারণ আমাদের বুঝের তুলনায় তাদের বুঝটা শক্তিশালী। তারা আমাদের চেয়ে হাদীস বেশি বুঝতেন। কারণ তারা রাসূল সাল্লাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সান্নিধ্যপ্রাপ্ত বা সান্নিধ্যপ্রাপ্তদের সান্নিধ্যপ্রাপ্ত ছিলেন। আপনি একাকীভাবে কারো বক্তব্য গ্রহণ না করে শুধু হাদীসের মাধ্যমে দু রাকাত নামাজ আদায় করতে পারবেন না। যারা আহলে হাদীস বলে দাবি করেন তাদের নামাজের ভিতরে দেখবেন নানা রকম পার্থক্য আছে। তবে আপনার যদি হাদীসের ব্যাপারে সে ধরনের পাণ্ডিত্ব থাকে যেমনটি মুহাদ্দিসীনে কেরামের ছিলো তাহলে আপনি শুধু হাদীস দেখে নামাজ পড়তে পারবেন। কারণ তখন আপনি মুজতাহিদ পর্যায়ের ব্যক্তিত্বে পরিণত হবেন। বস্তুত মাজহাব সবাই মানে। তবে সবার ইমাম একজন হয় না; ভিন্ন ভিন্ন হয়। এই যা পার্থক্য। যারা বলে আমরা মাজহাব মানি না তাদের কথার কোনো বাস্তবতা নেই।

3103 views

দ্বীনী ব্যাপারে সাধারণ মুসলিমগণ নিজের ইচ্ছা ও মতামতের তুলনায় বিজ্ঞ আলেম সম্প্রদায়ের নির্দেশকে অবশ্য পালনীয় বলে সাব্যস্ত মনে করে থাকে। তাছাড়া শরীআতের দৃষ্টিতেও সাধারণ মানুষের জন্য বিজ্ঞ আলেমদের হুকুম মান্য করা ওয়াজিবও বটে। জনাব! ইসলামে অনেক সন্দেহ জনক বিষয় বা বস্তু আছে যেগুলি হালালের অন্তর্ভুক্ত না হারামের অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে অনেকেই সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। এরূপ ক্ষেত্রে চার মাজহাবের মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। যদি আপনাকে এমন সিদ্ধান্তের  সম্মুখীন না হওয়া লাগে তাহলে মাজহাব না মানলেও হবে। কিন্ত আমি আপনি যতই বিজ্ঞ ব্যাক্তি হইনা কেন তা জানতে পারব না। যদিও জানি তবুও একজনকে মানি। আপনি কোন মাজহাব না মেনে আল্লাহ এবং রাসুলের হাদিস মেনে-ই নামাজ পড়েন, তাতে কোনো সমস্যা হবেনা।

3103 views

আরে ভাই আপনার মাযহাব মানা দরকার কি। সহি হাদিস এবং কুরআন যা বলছে আমি সেটাই মানবেন যারা বলে যে , আমরা মাযহাব মানি তারা একদম মৃত মানুষ যেমন গোসল করানোর ব্যক্তির হাতে থাকে ঠিক তেমনি থাকে তারা, কারণ তারা মাযহাবের নীতির বিরুদ্ধে কথা বলতে পারেন না একজন মৃত মানুষের মত পড়ে থাকে অতএব আপনি মাযহাব থেকে দূরে থাকুন মাযহাব আবার কি আমাদের নবী কোন মানে নাই আমরা সহি হাদিস এবং কুরআন দ্বারা জীবন গড়ব ইনশাআল্লাহ

যারা মাযহাব মানে তারা এক মাযহাবী অন্য মাযহাবী কে হিংসা করে ঘৃণা করে।

মাযহাব মানে হিংসা মাযহাব মানে দলাদলি মাযহাব মানে অহংকার মাযহাব মানে বিবাদ মাযহাব মানি একে অপরকে তুচ্ছ করা মাযহাব মানেই নিজেকে একটা দলে বিভক্ত করা মাযহাব মানে মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম এর সুন্নত থেকে বাহির হয়ে যাওয়া মাযহাব মানে ইসলামকে খণ্ড-খণ্ড করে ফেলা মাযহাব মানা ইসলামের মানদণ্ডকে নিচু করা ইসলামের ভিতর দলে বিভক্ত হয়ে ইসলামকে ছোট করে দেওয়া


অতএব ভাই আমি আপনাকে রিকমেন্ড করব আপনি কখনোই কোনো মাযহাবে অন্ধবিশ্বাসী হবেন না সহি হাদিস এবং কুরআন যা বলছে আপনি তাই মেনে চলুন ইনশাআল্লাহ আপনার জীবনে কোনো সমস্যা হবে না মাযহাবের ব্যাপারে আপনি ডাক্তার জাকির নায়েকের বক্তব্য শুনতে পারেন ইনশাআল্লাহ আপনার মাযহাবের যে ভুত মাথায় ঢুকেছে এটা নামতে পারে


আপনার জন্য শুভকামনা এবং জাযাকুমুল্লাহ রইলো আসসালামুয়ালাইকুম

3103 views

Related Questions