মুখের রুচি কিভাবে ধরে রাখবো?

আমি ফেব্রুয়ারিতে ডাক্তার এর কাছে গিয়েছিলাম কিছু খেতে পারি না বলে। আমাকে জেনটন প্লাস (লীড ফার্মাসিউক্যালস) দিয়েছিল দুই মাস খাওয়ার জন্য। প্রথম দিন খাওয়ার পরই খাবারের প্রতি একটা টান আসে মানে রুচি বেড়ে যায় ও নিয়মিত খাই আলহামদুলিল্লাহ।  কিন্তু দুই মাস পর এই ঔষধ খাওয়া ছেড়ে দেই,  ছেড়ে দেওয়ার সাথেই আবার অরুচি দেখা দেয়। আমি চাচ্ছি কিভাবে এই রুচি ধরে রাখতে পারবো জেনটন প্লাস না খেয়েই? 
3083 views

5 Answers

আপনি ঔষধ ছাড়া এএই খাবার খেলে রুচি বাড়বে।  ১/৪ গ্লাস লেবুর রস ও আধা গ্লাস আমলকীর রসের সঙ্গে ১ চা চামচ মধু মেশান। পানীয়টি পান করুন নিয়মিত। ক্ষুধাবোধ বাড়বে। কয়েকটি তাজা পুদিনা পাতা সংগ্রহ করুন। পানিতে পুদিনা পাতা সেদ্ধ করুন। এক চিমটি এলাচ গুঁড়া ও সামান্য চিনি মিশিয়ে পানি ছেঁকে নিন। পানীয়টি পান করুন। ক্ষুধা বেড়ে যাবে। প্রতিদিন এক টুকরা কাঁচা আদা চিবিয়ে খান। রুচি বাড়বে। ১ টেবিল চামচ গুঁড়ের সঙ্গে এক চিমটি গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে খান। বাড়বে ক্ষুধাবোধ। চা ও অন্যান্য খাবারে এলাচ দিতে পারেন। এটি রুচি বাড়াবে।

3083 views Answered

এক খাবার বেশি দিন না,সব খাবার খাইতে হবে,গুড়ে গুড়ে লেবু,আমলকী,মধু ইত্যাদি বেশি করে খাইতে হবে, ৬ মাস পর পর কৃমি ওষুধ খাইতে হবে। ভিটামিন সি বেশি করে খাইতে হবে, যে সব খাবার খাইতে ইচ্ছা করে না সেই সব খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে ভিটামিন জাতীয় খাবার বেশি করে খাইতে হবে, যেমন শাকসবজি, মাছ,মাংস,ডিম,দুধ ইত্যাদি।

3083 views Answered

আপনি প্রতিদিন Xeldrin ট্যাবলেট প্রতিদিন সকালে খালিপেটে খাবেন। রুচি স্থায়ী হবে।

3083 views Answered

আপনি খাবার আগে একটু আদা চিবিয়ে নেবেন এতে আপনার রুচি বাড়বে, এমনকি একটি আদা খাবার মাঝেও চিবিয়ে নিতে পারেন। আদা নিয়ে একটা প্রবাদ আছে ঃ 

যদি পাতে থাকে ভাই আদা,
খাবারে অরুচি থাকবেনা আর দাদা।
3083 views Answered

স্বাভাবিক নিয়মে অরুচি হলে নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করতে পারেন : - প্রতিদিন দুপুরে খাবার আগে লবণ দিয়ে একটু আদা চিবিয়ে খান । এতে ক্ষিধে বাড়বে এবং মুখের রুচি ফিরে আসবে। - খাওয়ার আগে হালকা হাঁটাহাঁটি করুন, এতে খাওয়ার রুচি বাড়বে, হার্টও ভালো থাকবে। - আগে পুষ্টিকর খাবার খান, এরপর পানি ও পানিজাতীয় খাবার। - মিষ্টি স্বাদের ফল রুচিবর্ধক। তাই এক বা একাধিক ফল ও ফলের জুস খেতে পারেন। - ক্ষুধা বা রুচিবর্ধক আরো কিছু খাবার আছে। যেমন- আমলকী, কিশমিশ, মিষ্টি, আচার, সালাদ, পেঁয়াজ ইত্যাদি। তবে যদি কোনো রোগের কারণে খাদ্যে অরুচি দেখা দেয় বা হঠাত করে অরুচি দেখা দেয় তাহলে অবশ্যই চিকিত্সকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

3083 views Answered

Related Questions

Next steps