অামি নাতে রাসূল পড়তে ভালবাসি। তাই অামি নাত খাঁ হতে চাই। কিন্তু অামার কন্ঠ খুব বাজে এবং অামি কোন লাইনে শব্দ টেনে গাইতে পারিনা। এর কোন চিকিৎসা অাছে?
3169 views

2 Answers

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। গলার স্বর সুন্দর রাখতে বেশি বেশি পানি ও তরল খাবার খাবেন। পানি ভোকাল কর্ডকে আর্দ্র রাখে এবং আর্দ্র ভোকাল কর্ড শুষ্ক ভোকাল কর্ড থেকে বেশি ব্যবহার করা যায়। প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে পানি পান করবেন, কমপক্ষে দুই থেকে তিন লিটার পানি পান করতে হবে। মধু খেতে পারেন, আদা চা, লেবু চা খাবেন, মুখে লবঙ্গ রাখতে পারেন। কথা বলা বা গান গাওয়ার মাঝখানে দীর্ঘ শ্বাস-প্রশ্বাস নিলে কথা বলা, গান গাওয়াকে সুন্দর করে এবং ভোকাল কর্ডের অবসাদ হয়না। বক্তব্য বা উপস্থপনা বা বড় সমাবেশে বক্তৃতা দেয়ার সময় মাইক্রোফোন ব্যবহার করা উত্তম। দিনের একটা নির্দিষ্ট সময়ে কণ্ঠনালীকে বিশ্রাম দেয়া উচিত। যা কণ্ঠনালীর অবসাদ দূর করে এবং শক্তি ফিরিয়ে দেয়। নিজের কণ্ঠকে শুনুন এবং যদি কোন রকমের উপসর্গ থাকে বা পরিবর্তন লক্ষ্য করেন তাহলে যথাযথ যত্ন নিন। যদি দু'সপ্তাহের বেশী স্বর পরিবর্তন লক্ষ্যণীয় হয়, তাহলে নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ধূমপান, এলকোহল পান, অতিরিক্ত গরম পানীয় পান করা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ধূমপান কণ্ঠনালীর ক্যান্সারের অন্যতম কারণ। ইহা ছাড়াও ধূমপান কণ্ঠনালীর প্রদাহ করে। জোরে জোরে বা পরিবর্তিত স্বরে কথা বলা উচিত নয়। জোরে কথা বললে বা কণ্ঠনালীর অপব্যবহার করলে কণ্ঠনালীতে সুক্ষ আঘাত হতে পারে। দূর হতে কাউকে ডাকতে হলে হাত তালি বা শীষ বা হাত নেড়ে অথবা লাইটের মাধ্যমে দৃষ্টি আকর্ষণ করা যায়। বড় খেলা উপভোগ করার সময় পছন্দের দলকে সাপোর্ট করার জন্য জোরে চিৎকার না করে পতাকা উড়ান বা ব্যানার লিখেন।

3169 views

কন্ঠস্বর ভালো করার জন্য সকাল বেলায় উশুম উশুম গরম পানির সাথে হালকা লবন মিশিয়ে ১০ মিনিট গরগর করে কুলি করতে হবে। এতে আপনার গলা হালকা হবে। এর পর এককাপ আদা চা খেতে হবে তাতে আপনার গলার ফ্যাঁকাসে ভাব দুর হবে। তারপর গানের প্রাকটিস শুরু করবেন। গান শেষ হলে জোষ্ঠি মধু খাবেন। জোষ্ঠি মধু ডাল জাতীয় যা চিবিয়ে খেতে হয় ১০ টাকার কিনলে ১ মাস চলবে। এগুলো করলে ২দিনে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন। 

3169 views

Related Questions