3 Answers

প্রায় একশত বছরের বেশি সময় ধরে এর জন্য বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা অথবা চেষ্টা করেও লিঙ্গের আকার পরিবর্তনে তেমন একটা ভাল ফলাফল/আবিষ্কার এখন পর্যন্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে এটা সত্য যে - বিভিন্ন খাবার বড়ি, ক্রিম, ব্যায়াম, লকিং মেশিন এবং অস্ত্রপ্রচারের মাধ্যমে এখন মানুষ তার লিঙ্গের আকার পরিবর্তনের চেষ্টা করে থাকে। কিন্তু সত্যিকার অর্থে তাদের কোনটিই কার্যকর হয়না। বরং এ রকম চেষ্টার ফলে অনেক পুরুষই লিঙ্গত্থান সমস্যাসহ নানবিধ যৌন জটিলতায় পতিত হচ্ছেন প্রতিনিয়ত। ডক্টর মাইকেল ও'লেয়ারী (প্রফেস্যার, হাবর্ড মেডিক্যাল স্কুল। ইউরোলজিষ্ট, ব্রিগহাম এন্ড ওমেন্স হসপিটাল ইন বোষ্টন) বলেন, "বিশ্বাস করুন, আমি যদি জানতাম কি করে নিরাপদে এবং সত্যিকারেই লিঙ্গের আকার বড় করা যায় - তাহলে আমি তা প্রেসক্রাইব করে কোটিপতি হয়ে যেতাম। কিন্তু আমি এটা জানিনা। বুঝুন এবার !! তাই, যারা ফেইসবুক, ব্লগ এবং বিভিন্ন ওয়েবসাইটে পেনিস বড় করার বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন দেখে নানা খাবার বড়ি, ক্রিম ব্যবহার করার কথা ভাবছেন তারা একবার বিষয়টি ভেবে দেখবেন আশা করি।

3499 views Answered

প্রায় একশত বছরের বেশি সময় ধরে এর জন্য বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা অথবা চেষ্টা করেও লিঙ্গের আকার পরিবর্তনে তেমন একটা ভাল ফলাফল/ আবিষ্কার এখন পর্যন্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে এটা সত্য যে - বিভিন্ন খাবার বড়ি, ক্রিম, ব্যায়াম, লকিং মেশিন এবং অস্ত্রপ্রচারের মাধ্যমে এখন মানুষ তার লিঙ্গের আকার পরিবর্তনের চেষ্টা করে থাকে। কিন্তু সত্যিকার অর্থে তাদের কোনটিই কার্যকর হয়না। বরং এ রকম চেষ্টার ফলে অনেক পুরুষই লিঙ্গত্থান সমস্যাসহ নানবিধ যৌন জটিলতায় পতিত হচ্ছেন প্রতিনিয়ত। প্রায় অর্ধেক প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ মনে করেন তাদের পুরষাঙ্গ অনেক ছোট। বিশ্বজুড়ে সাধারনত উত্তেজিত অবস্থায় পুরুষ লিঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য হয়ে থাকে 4.7 থেকে 6.3 ইঞ্চি। অনেকের মতে পেনিসের গড় দৈর্ঘ্য ৫.১-৫.৯ ইঞ্চি। তবে লিঙ্গের আকার ব্যাক্তি এবং অঞ্চলভেদে অনেক পার্থক্য দেখা যায়। বিরল ক্ষেত্রে পারিবারিক (জেনেটিক) এবং হরমোন জনিত সমস্যার কারনে ৩ ইঞ্চির চেয়েও অনেক ছোট লিঙ্গ দেখা যায়। চিকিত্সা শাস্ত্রে এটি মাইক্রোপেনিস নামে পরিচিত। তবে পেনিস ৪(চার) ইঞ্চি হলেই স্ত্রীকে অর্গাজন দিতে কোনো প্রকার অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। অনেকের ক্ষেত্রে প্রোষ্টেইট ক্যান্সার অপারেশান সহ নানা রোগের কারনে লিঙ্গের আকার ছোট হয়ে যেতে পারে।

3499 views Answered

যৌন চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে একটি সাধারণ ভুল ধারণা হচ্ছে যে, লিঙ্গ যত বড় হবে যৌন তৃপ্তি তত বেশি হবে; এবং সেই ধারণা থেকেই আমাদের সমাজে পুরুষরা সাধারণত লিঙ্গ বর্ধিত করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন পদ্ধতিতে হন্ন হয়ে পড়ে, বিশেষত যাদের লিঙ্গ স্বাভাবিকের চেয়ে একটু ছোট। তবে বর্তমানকালে লিঙ্গ বর্ধিত করার ক্ষেত্রে যে সমস্ত পদ্ধতি এবং বিজ্ঞাপন সমাজে এবং মিডিয়ায় পাওয়া যায় তা কতটা বাস্তবসম্মত ও ফলপ্রসু সেই বিষয় নিয়েই এখন আলোচনা করা হবে।

এর পক্ষে যে সব ব্যাখ্যা আছে তা হল-
১.এটি প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে কোষের গতিশীলতাকে বৃদ্ধি করে কোষগুলোকে দূরে অবস্থান করে নিজেদের আকৃতি বৃদ্ধি করে লিঙ্গকে স্থায়ীভাবে বর্ধিত করবে বলে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়।
২.এটি প্রাকৃতিক পদ্ধতি নির্ভর তাই এর ফলাফল কৃত্রিম মেডিসিন প্রয়োগের ফলের মতো সাময়িক না হয়ে স্থায়ী হবে বলে ব্যাখ্যা করা হয়।
৩.মায়ানমারে 'কায়া' নামক একটি নৃগোষ্ঠী আছে যারা তাদের মেয়েদের গলায় একটি নির্দিষ্ট বয়সে স্প্রিং লাগিয়ে দেয় যা দীর্ঘদিন তারা ব্যবহার করে এবং এতে করে তাদের নারীদের গলা হাসের গলার মতো লম্বা হয়ে যায়। তাদের এই হাসের মতো লম্বা গলা সেই নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্য ও বিশেষত্ব হিসেবে তারা পরিগণিত করে এর জন্য গর্ববোধ করে। এই বাস্তব উদাহরণটি পেনিস এক্সটেন্ডার টুলের ক্ষেত্রেও একই রকম ফল দিবে বলে এক্সটেন্ডার টুলস কোম্পানিগুলো ব্যাখ্যা করে।

এসব ব্যাখ্যা শুনে অনেকেই বিদেশ থেকে উচ্চদামে এটি কিনে আনতে বা অনলাইনে অর্ডার করতে হন্ন হয়ে পড়ে কারণ বাংলাদেশে সেক্সটয় বা এসব প্রডাক্ট বিক্রি করা অনুমোদিত নয়।

আসলেই কি এটি ফলপ্রসু?
অনেক তত্ত্ব ও ভিডিওসহ ব্যাখ্যা থাকলেও এটি ফলপ্রসু নয়। এর উদ্দেশ্যই হলো মনোমুগ্ধকর ব্যাখ্যা শুনিয়ে মানুষকে মুগ্ধ করে এই প্রডাক্ট উচ্চদামে বিক্রি করে লাভবান হওয়া। এটি ফলপ্রসু হয় না কারণ:
১.লিঙ্গ তো আর গলার মতো স্থির অঙ্গ নয়, এটি কখনও ইরেক্ট হয়ে স্থুল হয় আবার শিথিল হলে স্থিমিত হয়; লিঙ্গ স্থুল হওয়া অবস্থায় এটি লাগালে পরে লিঙ্গ স্থিমিত হয়ে গেলে তা খুলে পড়ে।
২.এটি কিছুটা স্থান দখল করে তাই এটি লাগিয়ে প্যান্ট পড়ে বাহিরে হাটাচলা করা যায় না।
তাই ব্যাখ্যাটি বিজ্ঞনসম্মত হলেও এটি বাস্তবে প্রয়োগ করা যায় না।

যদি এই গবেষণাটি বাস্তবসম্মত মনে না হয়ে থাকে তাহলে বিদেশ থেকে এই টুলস না এনে নিজেই এই টুলসটি তৈরী করে প্রয়োগ করে দেখতে পারেন। টুলসটি হস্তশিল্পের মাধ্যমে তৈরী করার পদ্ধতি জানতে ভিজিট করুন:
http://facebook.com/methodMCAS

অন্যান্য পদ্ধতিসমূহ:
VigRX, MAN Up, prosolution, X Man Power ইত্যাদি পিল ও মেডিসিন পেনিস এক্সটেন্ডার সাপ্লিমেন্ট হিসেবে বিক্রি হয়ে থাকে। এসবের ব্যাখ্যা হচ্ছে এসব মেডিসিন যৌনতন্ত্রের কোষকে সাপ্লিমেন্ট ভিটামিন ও হরমোন সরবরাহ করে যৌনাঙ্গকে সজীব ও প্রাণবন্ত করে তোলে এবং এই প্রকৃয়ায় লিঙ্গ বর্ধিত হয়। এই ব্যাখ্যা শুনে মানুষ সহজেই আস্থা অর্জন করে তা প্রয়োগ করে কিন্তু আশানুরূপ ফল পায় না। কারণ, এসব মেডিসিন একটি সাময়িক সজীবতা সৃষ্টি করে যা কোন মেডিসিনের ক্ষেত্রে ২৪ ঘন্টা আবার কোনটার ক্ষেত্রে ৭ দিন বা তার বেশি ফল দেয়; আবার ক্রমাগত সেবনের ফলে লিঙ্গকে কিছুদিন বা কয়েক বছর সময় সজীব রাখে। তবে এই পদ্ধতি এপ্লাই করার পর তা ছেড়ে দিলে মেডিসিন ব্যবহারের পূর্বের ন্যায় স্বাভাবিক সজীবতাও ব্যাহত হয়; আবার দীর্ঘদিন এসব ব্যবহারের ফলে এসব মেডিসিনও এক সময় তার কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।

তাহলে সমাধান কি?
লিঙ্গ বর্ধিত করা যেহেতু একটি আশানুরূপ ফলপ্রসু পদ্ধতি নয় তাই যৌন চাহিদা পূরনের ক্ষেত্রে অন্যসব পদ্ধতি এপ্লাই করুন; কোনো যৌনরোগ থাকলে তার চিকিৎসা নিন। কিছু পাচ্ছি না এমন খুঁতখুঁতে মানসিকতা ছেড়ে দিন এবং যা পাচ্ছেন তাকেই সুন্দর মনে করুন। আর অবিবাহিতরা মানসিকভাবে গবেষণা করে এমন একজনকে জীবনসঙ্গিনী হিসেবে খুঁজে নিন যার খুঁতখুঁতে স্বভাব নেই এবং স্বভাবিক প্রাপ্তি পেলেই সন্তুষ্ট থাকবে। মিলনের সময় ভালোবাসা এবং স্বস্তি নিয়ে মিলন করুন।

লেখক ও গবেষক:
মোঃ মেহেদী হাসান,
Father of
Method of Creative Adaptation System MCAS.

3499 views Answered

Related Questions

Next steps