2 Answers
ছেলেদের মত মেয়েরাও অনেক সময়ইঅনেক হর্নি হয়ে যায় যে তাদের মাস্টারবেট করার প্রয়োজন হয়। মাস্টারবেট হিসাবে মেয়েরা সাধারনত ফিঙ্গারিং করে থাকে। মাস্টার্বেট করে সর্বোচ্চ আনন্দ পাওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে ফিঙ্গারিং করে যায়। যে ভাবে করে আপনি সবচেয়ে অনন্দ পান, এবং কম্ফোর্টেবল ফিল করেন, সেভাবে ফিঙ্গারিং করুন। ফিঙ্গারিং এ সাহায্য করতে পারে এমন কিছু তথ্যই দেওয়া হল। আপনি যখন বেশ হর্নি ফিল করবেন, বা টার্ন অন থাকবেন তখন ফিঙ্গারিং করা শুরু করুন। চাইলেফিঙ্গারিং করার আগে পর্ন বা সেক্স মুভি দেখুন, এরোটিকা পড়ুন।এছাড়া বয়ফ্রেন্ড এর সাথে ফোন সেক্স করার সময় বা এরোটিক কথা বলার সময় করতে পারেন ফিঙ্গারিং। হর্নি হলে জি স্পটের চার পাশের স্পঞ্জি এরিয়া গুলোতে রক্ত পৌছায়, ফলে জায়গাগুলো স্ফিত হয়। তাতে ফিঙ্গারিং করা সহজ হয় এবং এতে করে আপনি মজাও বেশি পাবেন। ফিঙ্গারিং শুরু করার আগে আপনার ব্রেস্ট চাপতে পারেন, নিপল টুইস্ট করতে পারেন। এটি আপনাকে মুড এ আসতে সহায়তা করবে। দুই পা ফাক করে কম্ফোর্টেবল কোন পজিশনে বসুন বা শুয়ে পড়ুন। আঙ্গুল লাগান আপনার ভ্যাজায়নাতে। আঙ্গুল একটু ঘষুন ও আস্তে আস্তে চাপুন। ভিজেউঠলে ভেতরে ঢুকান একটা আঙ্গুল। চাইলে সে সময় আঙ্গুলের পরিবর্তে পেনিস কল্পনা করে নিতেপারেন। জোরে ঢুকান বের করুন, আস্তে আস্তে দুইটি বা তিনটি আঙ্গুল দিন। ভেতরে আঙ্গুল ঘোরান। জি স্পট স্পর্শ করার চেষ্টা করুন। ক্লিটরিস স্পর্শ করুন, টিপুন, সুড়সুড়ি দিন। বেশমজা পাবেন। আঙ্গুল ব্যথা না পাওয়া পর্যন্ত জোরে ঢুকান। এতেস্যাটিস্ফেকশন পাবেন। এক হাত দিয়ে ফিঙ্গারিং করার সময় আরেকহাত দিয়ে ব্রেস্ট বা অ্যাস চাপতে পারেন। আপনার ভ্যাজায়না ভিজে না উঠার আগে ফিঙ্গারিং শুরু করবেন না, এতে পরে ব্যথা করতে পারে। অর্গাসোম লাভ করা পর্যন্ত বা সম্পূর্ণ স্যাটিস্ফাইড হওয়া পর্যন্ত ফিঙ্গারিং করুন।মেয়েদের মাস্টার্বেটে আরো মজা পাওয়ার জন্য আছে বিভিন্ন সেক্সটয়, যেমন ডিলডো, ভাইব্রেটর। এসবে লুব্রিক্যান্ট অয়েল মাখিয়ে নিতে পারেন যদি বেশি শুকনো লাগে। এর পর পছন্দ মত ভইব্রেশন দিয়ে মাস্টারবেট করুন। জি স্পট খুজে বের করা টা মেয়েদের মাস্টারবেটে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। পরবর্তীতে এর সম্পর্কে বলা হবে। জি স্পট খুজেসেখানে জোরে প্রেস করুন। এতে আপনার কোন ক্ষতি হবে না। বরং অর্গাসোম লাভ করতে পারবেন। সেক্স টয় বা ডিলডো ব্যাবহারে শরীরের কোন ক্ষতি হয় না। তবে এগুলো না থাকলে আপনি আঙ্গুল দিয়ে ই কাজ চালাতে পারেন। অনেকে ডিলডোর অভাব মেটাতে পেন্সিল বা অন্যান্য জিনিস ব্যাবহার করে থাকে। আপনি যদি এসব ব্যাবহারে মজা পান, এবং কম্ফোর্টেবল হন তবে চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
হস্তমৈথুন এমন একটা জিনিস যা সৃষ্টির আদি থেকে মানব সমাজে আছে। বলাই বাহুল্য যে নারী ও পুরুষ উভয়েই এই বিষয়টির সাহায্য নিয়ে থাকেন নিজের যৌনাকাঙ্ক্ষাকে তৃপ্ত করতে। যে কারণে পুরুষ হস্তমৈথুন করে থাকেন, একই কারণে করেন নারীরাও। উদ্দেশ্য হচ্ছে চরম তৃপ্তি লাভ। তবে হ্যাঁ, আমাদের দেশের নারীদের মাঝে হস্তমৈথুনের ব্যাপারটা পশ্চিমা দেশের তুলনায় অনেক কম। আমাদের দেশের নারীরা স্বভাবতই লজ্জাশীল বিধায় এবং ধর্ম ভিরুতার কারণে এই ধরণের কাজ করেন না। তবে পশ্চিমা দেশে এটি খুবই সাধারণ একটি বিষয়। নারীদের হস্তমৈথুন করার ব্যাপারটি বেশ বৈচিত্র্যময়। এর আছে নানান রকম পদ্ধতি। নারীর যৌন তৃপ্তি তখন আসবে যখন তার যোনিতে পুরুষাঙ্গ প্রবেশ করে। ক্লাইটরিসের সাথে পুরুষাঙ্গের নিয়মিত ঘর্ষণের এক পর্যায়ে নারীর অরগাজম আসে। তাই হস্তমৈথুনেও নারীদের যোনিতে পুরুষাঙ্গের অনুরুপ কিছু প্রবেশের প্রয়োজন পরে। প্রথমত নারীরা নিজের আঙুল ব্যবহার করেন এবং নিজেকে যৌন সুখ দিয়ে থাকেন। এগুলো ছাড়াও নানান রকমের সেক্স টয় কিনতে পাওয়া যায় যেগুলো পুরুষাঙ্গের অনুরূপ। ভ্রাইবেটর নামক একটি যন্ত্রও পাওয়া যায়, যা ছোট থেকে বড় নানান আকৃতির হয়ে থাকে। এটাও নারীদের হস্তমৈথুনে বিশ্বজুড়ে বহুল ব্যবহৃত। কুমারী নারী যদি হস্তমৈথুন করেন তবে তার হাইমেনের ক্ষতি হতে পারে। পুরুষাঙ্গের ন্যায় সেক্স টয় ব্যবহার করলে হাইমেন ছিঁড়ে যাওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। তাই এই কাজ হতে বিরত থাকাই উত্তম। নারীদের হস্তমৈথুনে এটা ছাড়া তেমন কোন ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। তবে আজেবাজে সেক্স টয় ব্যবহার করলে যোনিতে প্রদাহ সহ নানান রকমের ইনফেকশন হতে পারে। https://www.youtube.com/watch?feature=player_embedded&v=gGWC9Qx8Hz4
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy