1 Answers

কিশমিশ মূলত আঙুরের শুকনা অবস্থা হলেও উচ্চতাপে এটিকে শুকানোর ফলে শক্তি এবং পুষ্টিতে আঙুরের তুলনায় বেশি উপকারী।

  • কিশমিশ দাঁতের সুস্থতায় খুবই উপকারী।
  • গ্যাস্ট্রিক এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে খুবই কার্যকরী, লিভারের সুরক্ষায় তাই কিশমিশ খাওয়া যেতে পারে।
  • শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান পরিশোধনে কিশমিশ কাজ করে। রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটা বাড়তে কার্যকরী।
  • হজম ও কোষ্ঠ্যজনিত রোগের ক্ষেত্রে কার্যকরী, কিশমিশে অনেক বেশি আঁশ থাকে।
  • ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে, হার্ট ও ব্রেইনের সুস্থতায়, রক্তশূন্যতার প্রতিরোধে কিশমিশ উপকারী।

বিঃদ্রঃ প্রতিটি খাবারের উপকারী দিকের পাশাপাশি ক্ষতিকর দিকও থাকতে পারে। কিশমিশ যথেষ্ট উপকারী হলেও আপনার শরীর কতটা কিশমিশ খাওয়ার উপযোগী সেটা ডাক্তারই ভালো বুঝবেন। অল্পবয়েসী এবং রোগমুক্ত শরীর হলে কিশমিশ বা কিশমিশে ভেজানো পানি খাওয়ার অভ্যাস রাখতে পারেন, কিন্তু বয়স্ক বা নির্দিষ্টভাবে অসুস্থ ব্যক্তিদের ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো খাদ্যাভাসে যাওয়া উচিত্‌ না।

2706 views