2907 views

1 Answers

ক্যালসিয়ামের অভাবজনিত লক্ষণ:

পেশী সংকোচন:

শরীরের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক থাকা ও পর্যাপ্ত পানি পান করার পরও যদি নিয়মিত মাংশপেশী সংকুচিত হয় অর্থাৎ খিঁচুনি ধরে তবে বুঝতে হবে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি আছে।

হাড় ঘনত্ব কম:

বয়স বাড়ার সাথে সাথে হাড়ের মিনারেলাইজেশন জরুরী হয়ে পড়ে। ক্যালসিয়াম কম হলে হাড়ের ঘনত্ব কমে যায়। ত্বকের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। অস্টিওপরোসিস বা হাড় ছিদ্র হয়ে যায়। ফলে হাড় ভঙ্গুর হয়।

দৃঢ়তাহীন নখ:

নখ শক্ত বা দৃঢ়তা বৃদ্ধিতে ক্যালসিয়াম অত্যাবশ্যকীয়। যদি ক্যালসিয়াম কম হয় তবে নখ নরম, ভঙ্গুর ও দৃঢ়তাহীন হবে।

দাঁত ব্যথা:

আমাদের শরীরের শতকরা ৯০ ভাগ ক্যালসিয়াম দাঁত ও হাড়ে জমা থাকে। যদি ক্যালসিয়াম কমে যায় তবে দাঁত ও হাড় ব্যথা করতে পারে।

মাসিক বা পিরিয়ড জনিত ব্যথা:

ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হলে মহিলাদের মাসিকের সময় তীব্র ব্যথা হয়। কারণ, মাংশপেশীর কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে ক্যালসিয়ামের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম:

ক্যালসিয়াম শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হলে জীবাণু বা প্যাথোজেন মোকাবেলা করার শক্তি কমে যায়।

স্নায়ুবিক সমস্যা:

ক্যালসিয়ামের অভাবে নানা ধরনের স্নায়ুবিক সমস্যা, মাথা ব্যথা হতে পারে। ডিপ্রেশন, ইনসোমনিয়া ও ডেমেনশিয়াও হতে পারে।

হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি:

ক্যালিসিয়াম হৃদপিণ্ডের সঠিক কার্যচালনার জন্য অত্যাবশ্যকীয়। এটি কম হলে হৃদস্পন্দন বেড়ে যাবে। ক্যালসিয়াম হৃদপিণ্ডকে রক্ত পাম্প করতে সহায়তা করে।

যদি লক্ষণগুলো প্রকাশ পায় তবে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করবেন। তিনি রক্ত পরীক্ষার পরামর্শ দিবেন। ক্যালসিয়ামের অভাব মোকাবেলায় নিয়মিত ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার অথবা পুষ্টিকর সাপ্লিমেন্ট খাওয়ার পরামর্শ দিতে পারেন।

সূত্র: বিকাশপিডিয়া

2907 views

Related Questions