উকুন মুক্ত হওয়ার পদ্দতি কি?

উকুন মুক্ত হওয়ার পদ্দতি কি
2928 views

7 Answers

চুলকে উকুন মুক্ত করার কয়েকটি উপায়==> অলিভ অয়েল অলিভ অয়েল বা বেবি অয়েলের ঘন এবং আঠালো ভাব উকুনের শ্বাসরোধ করে দেয়। রাতে মাথায় তেল দিয়ে শাওয়ার ক্যাপ পরে ঘুমিয়ে পড়ুন। সকালে উঠে ভাল করে চুল আঁচড়িয়ে নিন। পরে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। উকুন তাড়ানোর উপায় হিসেবে অলিভ অয়েল কেমন কার্যকর তা পরবর্তী ১ সপ্তাহের মধ্যেই বুঝতে পারবেন। রসুন রসুনে বেশি তেল থাকেনা; তবে এর তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধ উকুনের শ্বাসরোধের জন্য যথেষ্ট। ১০ টি রসুনের কোয়া নিয়ে ভালভাবে পিষে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্ট চুলে লাগান। ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিন। অন্তত এক সপ্তাহ পর্যবেক্ষণ করুণ। রান্নাঘরে রসুন থাকে না এমনটি সাধারণত হয় না। আপনি যদি উকুন সমস্যায় ভুগে থাকেন, সেক্ষেত্রে রসুন হতে পারে সর্বোত্তম ও সবচেয়ে সহজলভ্য উকুন তাড়ানোর উপায়। বেবি অয়েল প্রথমে বেবি অয়েল দিয়ে মাথা ভাল করে ধুয়ে নিন। তারপর সামান্য পরিমানে কাপড় ধোয়ার পাউডার দিয়ে আবার মাথা ধুয়ে ফেলুন। এরপর মাথায় সাদা ভিনেগার দিয়ে শাওয়ার ক্যাপ পরে ঘুমিয়ে পরুন। সকালে উঠে দেখবেন আপনার সব উকুন শেষ। চুল আঁচড়ানোর আগে শ্যাম্পু করে কন্ডিশনার দিয়ে নিন। গোসলের পর চুল শুকিয়ে যখন দেখবেন আপনার সব উকুন গায়েব, তখন আপনি স্বীকার করতে বাধ্য হবেন যে বেবি অয়েল একটি উৎকৃষ্ট উকুন তাড়ানোর উপায়। লবন ভিনেগারের সাথে লবন মিশিয়ে চুলে স্প্রে করুণ। এটি উকুন তাড়ানোর উপায় হিসেবে খুব-ই কার্যকর। স্প্রে করে শাওয়ার ক্যাপ লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। সকালে উঠে শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার দিয়ে মাথা ধুয়ে নিন। এই মিশ্রণ খুব শক্তিশালী হওয়ায় অল্প পরিমাণে ব্যবহার করলেই চলে। চা পাতার তেল চা পাতার তেল যেমন উকুন তাড়ানোর উপায় তেমনি মাথার ত্বকের জন্যও উপকারী। প্রাকৃতিক ভাবেই এটি একটি ইনসেক্টিসাইড। ঘুমানোর আগে চা পাতার তেলের সাথে একটু নারকেল তেল মিশিয়ে চুলে ও মাথার তালুতে মেখে নিন। এরপর শাওয়ার ক্যাপ পরে ঘুমিয়ে পড়ুন। সকালে সাধারন শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নিলে আরও বেশি উপকার পাওয়া সম্ভব। পেট্রোলিয়াম জেলি পিচ্ছিল এবং আঠালো হওয়ায় সাধারণত এটা মাথায় ব্যবহার করা হয় না; কিন্তু উকুন তাড়ানোর উপায় হিসেবে এর জুড়ি নেই। পেট্রোলিয়াম জেলি রাতে চুলে ও মাথার তালুতে লাগান; সকালে উঠে বেবি অয়েল দিয়ে ধুয়ে নিন। দেখুন, সব উকুন ঝরে গেছে। পেট্রোলিয়াম জেলি লোমকূপ বন্ধ করে দিতে পারে। তাই অল্প পরিমাণে ব্যবহার করাই ভাল। ঘন লম্বা চুলে উকুন নেই এমন চিত্র খুব একটা দেখা যায় না। ছোট চুলও কিন্তু এই ক্ষুদ্রাকার উকুন থেকে রেহাই পায় না। উকুনের উপদ্রবে অনেকেই দিশা হারিয়ে ফেলেন। কেউ কেউ আবার চুল কেটে ফেলারও সিদ্ধান্ত নেয়। তবে আমরা চাই, আপনার সুন্দর চুল আরও সুস্থ ও প্রাণবন্ত হোক। কোন রকম ঝামেলা ছাড়াই উপরে বর্ণিত উপকরণগুলো হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর উকুন তাড়ানোর উপায়।

2928 views Answered

নারকেলের দুধ ২ চামচ, পাতিলেবুর রস ২ চামচ, নিমপাতা বাঁটা ২ চামচ ভালোভাবে মিশিয়ে প্যাক তৈরী করুন। প্রয়োজনে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিতে পারেন। এই পেস্টটি ভালোকরে চুলে মেখে প্রায় ৪০ মিনিট রাখতে হবে। এবার চুলে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন, পেয়ে যাবেন উকুন মুক্ত সুন্দর চুল। যাদের চুলে উকুনের প্রাদুর্ভাব বেশি তারা ১০ থেকে ১৫ দিন পরপর এই প্যাকটি ব্যবহার করতে পারেন। * মাথায় থাকা ছোট উকুন মারার জন্য ভিনেগার খুব ভালো কাজ করে। এক্ষেত্রে রাতে ভালো করে চুলে ভিনেগার মেসেজ করে রাখুন। সকালে শ্যাম্পু করে নিন। এভাবে ৩ থেকে ৪ দিন ব্যবহার করলেই উপকার পাবেন। * দুই চা চামচ রসুন বাটা, দুই টেবিল চামচ নারিকলে তেল, আধা চা চামচ লেবুর রস, আধা চা চামচ আদার রস মিশিয়ে চুলের গোড়ায় ঘষে লাগিয়ে দিন। আধা ঘণ্টা রেখে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন অস্বস্তিকর উকুন চলে গেছে।

2928 views Answered

আপনি হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে উকুন তারাতে পারেন। উকুন মাথায় গরম ভাপ সহ্য করতে পারে না। তাই হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে চুল শুকোলে চুল গোড়া থেকে গরম হয় মাথা থেকে উকুন চলে যায়। তখন অনায়েসে চুল আঁচড়ে উকুন দূর করতে পারবেন। মনে রাখবেন হেয়ার ড্রায়ার ও হেয়ার স্ট্রেইটনার বেশি ব্যবহার করবেন না। এতে চুল রুক্ষ হয়ে যেতে পারে।

2928 views Answered

অলিভ অয়েল বা বেবি অয়েলের ঘন এবং আঠালো ভাব উকুনের শ্বাসরোধ করে দেয়। রাতে মাথায় তেল দিয়ে শাওয়ার ক্যাপ পরে ঘুমিয়ে পড়ুন। সকালে উঠে ভাল করে চুল আঁচড়িয়ে নিন। পরে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। উকুন তাড়ানোর উপায় হিসেবে অলিভ অয়েল খুবই কার্যকর । ১০ টি রসুনের কোয়া নিয়ে ভালভাবে পিষে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্ট চুলে লাগান। ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিন। অন্তত এক সপ্তাহ পর্যবেক্ষণ করুণ।

2928 views Answered

উকুন মুক্ত হওয়ার উপায়: জলপাই তেলের(অলিভ অয়েল) মাধ্যমে উকুনের সমস্যা একরাতে শেষ হবার নয়। আপনাকে ধৈর্য ধরতে হবে। অলিভ অয়েল উকুন তাড়াতে বেশ কার্যকরী। অলিভ অয়েলের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান মাথার ত্বককে উকুনের হাত থেকে রক্ষা করে। এইজন্য আপনাকে সারারাত চুলে অলিভ অয়েল লাগিয়ে রাখতে হবে। একটি কাপড় দিয়ে চুল মুড়িয়ে রাখুন। এতে মাথার ত্বকে একটি ভাপ সৃষ্টি হবে। সকালে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এতে অনেকাংশে উকুন চলে যাবে। হেয়ার ড্রায়ার ও হেয়ার স্ট্রেইটনারের ব্যবহার উকুন মাথায় গরম ভাপ সহ্য করতে পারে না। আপনি হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে চুল শুকোলে চুল গোড়া থেকে গরম হবে। এতে করে চুলে উকুন থাকতে পারবে না। তখন অনায়েসে চুল আঁচড়ে উকুন দূর করতে পারবেন। হেয়ার স্ট্রেইটনারও চুল গরম করতে বেশ কার্যকরী। কিন্তু মনে রাখবেন হেয়ার ড্রায়ার ও হেয়ার স্ট্রেইটনার বেশি ব্যবহার করবেন না। এবং করলেও প্রথমে চুলের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে তবে করবেন। হেয়ার স্টাইলার জেল ও পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করুন আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি যে হেয়ার স্টাইলার জেল ও পেট্রোলিয়াম জেলি চুলকে উকুন মুক্ত রাখতে বেশ কার্যকরী একটি জিনিষ। চুলের গোড়ায় ভালো মতো হেয়ার স্টাইলার জেল ও পেট্রোলিয়াম জেলি মাখিয়ে রাখুন ৩০ মিনিটের মতো। এরপর ভালো করে শ্যাম্পু করে ফেলুন। উকুন দূর হবে দ্রুত। উকুন মারতে মেয়োনেজ মেয়োনেজে অ্যান্টিফাঙ্গাল এলিমেন্ট থাকে যা মাথার ত্বকে পৌঁছে উকুন মরতে সহায়তা করে। পুরো চুলে ভালো করে মেয়োনেজ মেখে ঘুমোতে যান। মাথায় সাওয়ার ক্যাপ পড়তে ভুলবেন না। সকালে উঠে শ্যাম্পু করে ফেলুন। চুলের উকুন সমস্যা দূর করতে পারবেন। উকুনের ডিম দূর করবে ভিনেগার উকুন মেরে ফেলা সহজ হলেও উকুনের ডিম চুলে রয়ে যায় যা পরবর্তীতে আবার উকুন হওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে তোলে। তাই এই উকুনের ডিম দূর করতে আপনার রান্না ঘরের ভিনেগারকে কাজে লাগান। এক্সপার্টরা বলেন ভিনেগারের অ্যাসিটিক অ্যাসিড চুলের সাথে উকুনের ডিমের লেগে থাকার আঠা নষ্ট করে দেয়। এতে ডিমগুলো চুল থেকে ঝরে পড়ে। সারারাত ভিনেগার মাখিয়ে রাখুন চুলে। সকালে শ্যাম্পু করুন চুল আঁচড়িয়ে। চুলে উকুনের ডিম দেখতে পাবেন না।

2928 views Answered

উকুনের সমস্যা কতোটা বিব্রতকর এবং যন্ত্রণাদায়ক তা ভুক্তভুগিরাই বেশ ভালো বোঝেন। মাথায় সব সময় চুলকোনি, কালো চুলে ছোট ছোট উকুনের সাদা ডিম খুবই বিরক্তিকর সমস্যা। অনেকের ধারণা মাথায় উকুন হওয়ার অর্থ মানুষটি অপরিষ্কার, যার কারণে অনেকেই বিব্রত বোধ করতে থাকেন। আর উকুনের সমস্যা একবার শুরু হলে একেবারেই পিছু ছাড়তে চায় না। উকুন নাশক শ্যাম্পু ব্যবহারে অনেকেরই চুল পড়ে অর্ধেক হয়ে যায়, কারণ উকুন দূর করার জন্য অনেক ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তবে খুবই সহজে প্রাকৃতিক উপায়েই উকুনের সমস্যা থেকে চিরকাল মুক্ত থাকতে পারবেন। জানতে চান উপায়গুলো? চলুন জেনে নেয়া যাক। ১) রসুনের ব্যবহার ১০ কোয়া রসুন নিন। ভালো করে খসা ছাড়িয়ে গ্রাইন্ড করে বা বেটে নিন। এতে যোগ করুন ২ চা চামচ লেবুর রস। ভালো করে মিশিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করে মাথার ত্বকে ভালো করে ঘষে লাগিয়ে নিন। চুলের গোঁড়ার কোনো অংশ বাদ দেবেন না। এভাবে ৩০ মিনিট পেস্টটি চুলে লাগিয়ে রাখুন। এরপর কুসুম গরম পানিতে চুল ধুয়ে নিন। খুবই হালকা গরম পানি ব্যবহার করবেন। সপ্তাহে ৩ দিন এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করুন। উকুনের সমস্যা খুব দ্রুত দূর হয়ে যাবে এবং মাথার ত্বকের অন্যান্য সমস্যা থেকেও মুক্তি পেয়ে যাবেন। ২) মেয়োনেজের ব্যবহার মেয়োনেজ শুধু খেতেই সুস্বাদু নয়, এটির রয়েছে উকুন তাড়ানোর অসাধারণ গুন। পুরো চুলে এবং মাথার ত্বকে ভালো করে মেয়োনেজ লাগিয়ে নিন। এরপর চুল ভালো করে শাওয়ার ক্যাপ বা অন্য কিছু দিয়ে বেধে ঘুমুতে চলে যান। সকালে উঠে সমপরিমান ভিনেগার মেশানো পানিতে চুল ধুয়ে নিন ভালো করে। এরপর স্বাভাবিকভাবে চুলে শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করে চুল ধুয়ে নিন। ধয়ার সময় আলতো করে চিরুনি চালিয়ে দিন। এই পদ্ধতিতে উকুন তো দূর হবেই সেই সাথে চুলের সাথে আটকে থাকা সাদা উকুনের ডিম যা খুবই বিব্রতকর তাও নিমেষে দূর হয়ে যাবে। সপ্তাহে মাত্র ২ বার ব্যবহারেই ভালো ফলাফল পেয়ে যাবেন।

2928 views Answered

প্রাকৃতিক উপাদান দিয়েই মাথার উকুন দূর করার কিছু টিপস দেওয়া হল: প্রয়োজনীয় উপাদান : ২ টেবিল চামচ নারকেল তেল ২ টেবিল চামচ পাতি লেবুর রস ২ টেবিল চামচ নিমপাতার রস উপরের সবগুলো উপাদান এক সাথে মিশিয়ে অথবা ব্লেনড করে তারপর মাথার চুলের গোড়ায় গোড়ায় লাগিয়ে রাখুন ১ ঘণ্টা । ১ ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে কন্ডিশনার লাগান । এই ভাবে সপ্তাহে যদি ২ বার চুলের যতœ করেন প্রাকৃতিক উপায়ে তাহলে আপনি মুক্তি পাবেন যন্ত্রণা দায়ক উকুন থেকে ।

2928 views Answered

Related Questions

Next steps